ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার বর্জ্য ফেলার নিজস্ব কোনো জায়গা বা ভাগাড় না থাকায় তা ফেলা হচ্ছে নদীতে। ফলে অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ছোট যমুনা নদী। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। আবর্জনার স্তূপে মৃতপ্রায় নদীটি রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা।
জানা যায়, ফুলবাড়ী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মীরা প্রতিদিন দুবার নদীতে বর্জ্য ফেলছেন। ফুলবাড়ীতে ছোট যমুনা নদীর ওপর ৪০০ মিটারের মধ্যে তিনটি সেতু আছে। এর মধ্যে দুটি সেতু কাছাকাছি। এগুলোর নিচেই ময়লা ফেলা হচ্ছে। বাসাবাড়ি এবং কাঁচাবাজারের ময়লার পাশাপাশি এখানে মেডিকেল বর্জ্য ফেলা হয় বলে জানা গেছে। এসব বর্জ্য একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ করছে, অপরদিকে রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, একসময়ের খরস্রোতা ছোট যমুনা নদী এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদীর পাড় দখল করে গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট যমুনার ওপর দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের সেতুর কোল ঘেঁষে এর নিচে ফেলা হচ্ছে পৌরসভার বর্জ্য। শহরের পৌর বাজারে কাছে ফুটওভারব্রিজের পাশেও ফেলা হচ্ছে বর্জ্য।
স্থানীয়রা জানান, তিন-চার বছর আগে এই সেতু দুটির নিচে স্বল্প পরিসরে বর্জ্য ফেলা হতো। বর্তমানে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ তাদের সংগ্রহ করা সব বর্জ্য এখানেই ফেলছে। ছোট যমুনার সেতুর নিচে গৃহস্থালি ও কাঁচাবাজারের বর্জ্যগুলোও ফেলা হয় প্রতিনিয়ত।
পৌর শহরের ওয়ান জেনারেল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার সবুজ কুমার মহন্ত বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্জ্য সংগ্রহের জন্য এখনো কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া সম্ভব হয়নি। তাই আপাতত কিছু মাটিতে পুঁতে রাখা হয় এবং মাঝে মাঝে নদীতে ফেলা হয়। পৌরসভাকে সংগ্রহ করতে বললেও এর কোনো সুরাহা মেলেনি।
পৌরসভার বাসিন্দা সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, একসময়ের খরস্রোতা নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ আগে অন্য স্থানে বর্জ্য ফেললেও এখন নদীকে উৎকৃষ্ট স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে। নদীর পাড় দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় সরু হয়ে যাচ্ছে। নদীটি দ্রুত খনন করে এর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, বর্জ্যের কারণে জলজ প্রাণীসহ জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ হুমকির সম্মুখীন হয়। এ কারণে নদীসহ অন্যান্য জলাশয়ে বর্জ্য ফেলা যাবে না।
ফুলবাড়ী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী লুৎফুল হুদা চৌধুরী বলেন, পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ২০২১ সালে জাইকা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছিল। জায়গা নির্ধারণের জন্য অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠালে অনুমতি পেলেও সেই জায়গা সড়কের পাশে হওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র দেয়নি। এরপর আবারও একটি নতুন জায়গার অনুমোদন চেয়ে জায়গা নির্ধারণের প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে হয়ে বরাদ্দ ফেরত চলে যায়। তিনি বলেন, ‘আসলে আমরাও চাই না নদীতে আবর্জনা ফেলতে। পৌরসভার নিজস্ব জায়গা নেই। এ নিয়ে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে, তাই বর্জ্য ফেলার জন্য জায়গা খুঁজছি।’

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার বর্জ্য ফেলার নিজস্ব কোনো জায়গা বা ভাগাড় না থাকায় তা ফেলা হচ্ছে নদীতে। ফলে অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ছোট যমুনা নদী। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। আবর্জনার স্তূপে মৃতপ্রায় নদীটি রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা।
জানা যায়, ফুলবাড়ী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মীরা প্রতিদিন দুবার নদীতে বর্জ্য ফেলছেন। ফুলবাড়ীতে ছোট যমুনা নদীর ওপর ৪০০ মিটারের মধ্যে তিনটি সেতু আছে। এর মধ্যে দুটি সেতু কাছাকাছি। এগুলোর নিচেই ময়লা ফেলা হচ্ছে। বাসাবাড়ি এবং কাঁচাবাজারের ময়লার পাশাপাশি এখানে মেডিকেল বর্জ্য ফেলা হয় বলে জানা গেছে। এসব বর্জ্য একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ করছে, অপরদিকে রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, একসময়ের খরস্রোতা ছোট যমুনা নদী এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদীর পাড় দখল করে গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট যমুনার ওপর দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের সেতুর কোল ঘেঁষে এর নিচে ফেলা হচ্ছে পৌরসভার বর্জ্য। শহরের পৌর বাজারে কাছে ফুটওভারব্রিজের পাশেও ফেলা হচ্ছে বর্জ্য।
স্থানীয়রা জানান, তিন-চার বছর আগে এই সেতু দুটির নিচে স্বল্প পরিসরে বর্জ্য ফেলা হতো। বর্তমানে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ তাদের সংগ্রহ করা সব বর্জ্য এখানেই ফেলছে। ছোট যমুনার সেতুর নিচে গৃহস্থালি ও কাঁচাবাজারের বর্জ্যগুলোও ফেলা হয় প্রতিনিয়ত।
পৌর শহরের ওয়ান জেনারেল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার সবুজ কুমার মহন্ত বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্জ্য সংগ্রহের জন্য এখনো কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া সম্ভব হয়নি। তাই আপাতত কিছু মাটিতে পুঁতে রাখা হয় এবং মাঝে মাঝে নদীতে ফেলা হয়। পৌরসভাকে সংগ্রহ করতে বললেও এর কোনো সুরাহা মেলেনি।
পৌরসভার বাসিন্দা সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, একসময়ের খরস্রোতা নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ আগে অন্য স্থানে বর্জ্য ফেললেও এখন নদীকে উৎকৃষ্ট স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে। নদীর পাড় দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় সরু হয়ে যাচ্ছে। নদীটি দ্রুত খনন করে এর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, বর্জ্যের কারণে জলজ প্রাণীসহ জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ হুমকির সম্মুখীন হয়। এ কারণে নদীসহ অন্যান্য জলাশয়ে বর্জ্য ফেলা যাবে না।
ফুলবাড়ী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী লুৎফুল হুদা চৌধুরী বলেন, পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ২০২১ সালে জাইকা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছিল। জায়গা নির্ধারণের জন্য অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠালে অনুমতি পেলেও সেই জায়গা সড়কের পাশে হওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র দেয়নি। এরপর আবারও একটি নতুন জায়গার অনুমোদন চেয়ে জায়গা নির্ধারণের প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে হয়ে বরাদ্দ ফেরত চলে যায়। তিনি বলেন, ‘আসলে আমরাও চাই না নদীতে আবর্জনা ফেলতে। পৌরসভার নিজস্ব জায়গা নেই। এ নিয়ে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে, তাই বর্জ্য ফেলার জন্য জায়গা খুঁজছি।’

মাদারীপুরের শিবচরে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহত নারীর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ব্যাপারী কান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৫ মিনিট আগে
টানা শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বয়স্ক, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
২১ মিনিট আগে
উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেই ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। মো. তাহাসিন নামের ওই শিক্ষার্থী উদ্ভাবন করেছে ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ নামের একটি বিশেষ যন্ত্র, যা পানিতে ডুবে গেলেই শিশুর অভিভাবকের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত পাঠাবে।
২৬ মিনিট আগে
গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে