দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর পোস্টার লাগানো ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার দুপুর ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মিছিলটি শুরু হয়। কলেজ ক্যাম্পাস ও মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজের প্রশাসনিক চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে ২ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন ইন্টার্ন ডাক্তার জীবন, ৩০তম ব্যাচের তৌফিকুল ইসলাম তানিম, মেহেদী হাসান, ৩৩ ব্যাচের সাদাকাত রাফীদ প্রমুখ।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, একটি চক্র রাতের আঁধারে শহরের বিভিন্ন স্থানে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা অপবাদ-সংবলিত পোস্টার লাগিয়েছে, যা অধ্যক্ষের সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, আওয়ামী সরকারের পতনের পর জুলাই-আগস্টে অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে কলেজটি ইতিমধ্যে জাতীয় পর্যায়ে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে এবং সর্বশেষ ২৯তম ব্যাচের অসাধারণ ফলাফল এই অগ্রগতির প্রমাণ। তিনি শিক্ষার্থীদের স্নেহ ও যত্নে পড়াশোনা করাচ্ছেন এবং কলেজকে আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
তাঁরা আরও বলেন, ‘রাতের আঁধারে চোরের মতো যারা আমাদের স্বনামধন্য অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পোস্টার লাগিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’

পরে শিক্ষার্থীরা ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর সংবলিত অধ্যক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন।
অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি কলেজকে আধুনিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। তবে রাতের আঁধারে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো আমাকে মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ৩ আগস্ট গভীর রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে তাঁর বিরুদ্ধে অপবাদ দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানিয়ে পোস্টার লাগানো হয়। পরে সচেতন নাগরিক ও পেশাজীবীরা পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলেন।

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর পোস্টার লাগানো ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার দুপুর ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মিছিলটি শুরু হয়। কলেজ ক্যাম্পাস ও মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজের প্রশাসনিক চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে ২ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন ইন্টার্ন ডাক্তার জীবন, ৩০তম ব্যাচের তৌফিকুল ইসলাম তানিম, মেহেদী হাসান, ৩৩ ব্যাচের সাদাকাত রাফীদ প্রমুখ।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, একটি চক্র রাতের আঁধারে শহরের বিভিন্ন স্থানে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা অপবাদ-সংবলিত পোস্টার লাগিয়েছে, যা অধ্যক্ষের সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, আওয়ামী সরকারের পতনের পর জুলাই-আগস্টে অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে কলেজটি ইতিমধ্যে জাতীয় পর্যায়ে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে এবং সর্বশেষ ২৯তম ব্যাচের অসাধারণ ফলাফল এই অগ্রগতির প্রমাণ। তিনি শিক্ষার্থীদের স্নেহ ও যত্নে পড়াশোনা করাচ্ছেন এবং কলেজকে আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
তাঁরা আরও বলেন, ‘রাতের আঁধারে চোরের মতো যারা আমাদের স্বনামধন্য অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পোস্টার লাগিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’

পরে শিক্ষার্থীরা ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর সংবলিত অধ্যক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন।
অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি কলেজকে আধুনিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। তবে রাতের আঁধারে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো আমাকে মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ৩ আগস্ট গভীর রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে তাঁর বিরুদ্ধে অপবাদ দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানিয়ে পোস্টার লাগানো হয়। পরে সচেতন নাগরিক ও পেশাজীবীরা পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলেন।

মাদারীপুর জেলার শিবচরে ঘন কুয়াশার মধ্যে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীবাস, কাভার্ড ভ্যান ও মিনি ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাসের অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১৫ মিনিট আগে
বান্দরবানের ৭ উপজেলার মধ্যে ৪টির ৫ ইউনিয়নের দুর্গম এলাকার ১১টি ভোটকেন্দ্রকে হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে হেলিকপ্টার।
৩৩ মিনিট আগে
যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও যশোরে দেশের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি বেড়েছে। আজ শুক্রবার ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাস থাকলেও সূর্য ওঠার পর কুয়াশা কেটে যায়। তবে রোদ উঠলেও শীতের তীব্রতা খুব একটা কমেনি।
১ ঘণ্টা আগে