দিনাজপুর প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দিনাজপুরে সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিমসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার কোতোয়ালি থানায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট জেলা যুবদল নেতা রুহান হোসেন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন–জেলা যুবলীগ নেতা রাশেদ পারভেজ, আনোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলম, মো. রমজান, মানিক রঞ্জন বসাক, যুবলীগ নেতা মো. মিথুন, সুইট, ওবাইদুর রহমান, সদরের ফাজিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান অভিজিৎ বসাক, শেখপুরা ইউপি চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ইমদাদ সরকার, শশরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা, ছাত্রলীগ নেতা হারুনুর রশীদ রায়হান, ওয়াসিম নুর তুষার, মিথুন, নুর মোহাম্মদ, জাকির হোসেন, সাদেকুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, রুবেল, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদ আলম, রবীন্দ্রনাথ বসাক সুটু, শামীম রেজা, আব্দুল মালেক সরকার, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ইউসুফ আলী তালুকদার, উত্তম বসাক, মামুনুর রশীদ ও অমিত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট দিনাজপুরের শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মামলার বাদী ফরিদুলের ছোট ভাই রবিউল ইসলাম রাহুলও ছিলেন। দুপুর ১২টার দিকে মিছিলটি জিলা স্কুলের সামনের সড়কে আসলে প্রধান আসামির পরোক্ষ মদদে ও উসকানিতে তাঁর লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ে মিছিলে হামলা চালায়। হামলাকারীরা শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ছুড়লে একপর্যায়ে নিহত রবিউলের দুই পা গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ আগস্ট তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থী আন্দোলনে নিহত রবিউল ইসলামের ভাই বাদী হয়ে রোববার একটি মামলা দায়ের করেছেন।’

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দিনাজপুরে সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিমসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার কোতোয়ালি থানায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট জেলা যুবদল নেতা রুহান হোসেন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন–জেলা যুবলীগ নেতা রাশেদ পারভেজ, আনোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলম, মো. রমজান, মানিক রঞ্জন বসাক, যুবলীগ নেতা মো. মিথুন, সুইট, ওবাইদুর রহমান, সদরের ফাজিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান অভিজিৎ বসাক, শেখপুরা ইউপি চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ইমদাদ সরকার, শশরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা, ছাত্রলীগ নেতা হারুনুর রশীদ রায়হান, ওয়াসিম নুর তুষার, মিথুন, নুর মোহাম্মদ, জাকির হোসেন, সাদেকুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, রুবেল, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদ আলম, রবীন্দ্রনাথ বসাক সুটু, শামীম রেজা, আব্দুল মালেক সরকার, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ইউসুফ আলী তালুকদার, উত্তম বসাক, মামুনুর রশীদ ও অমিত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট দিনাজপুরের শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মামলার বাদী ফরিদুলের ছোট ভাই রবিউল ইসলাম রাহুলও ছিলেন। দুপুর ১২টার দিকে মিছিলটি জিলা স্কুলের সামনের সড়কে আসলে প্রধান আসামির পরোক্ষ মদদে ও উসকানিতে তাঁর লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ে মিছিলে হামলা চালায়। হামলাকারীরা শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ছুড়লে একপর্যায়ে নিহত রবিউলের দুই পা গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ আগস্ট তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থী আন্দোলনে নিহত রবিউল ইসলামের ভাই বাদী হয়ে রোববার একটি মামলা দায়ের করেছেন।’

ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১৭ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শেরপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে ওই রায় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
১ ঘণ্টা আগে