দিনাজপুর প্রতিনিধি

অবশেষে পাঁচ দিন পর দিনাজপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি স্কুলছাত্র মিনারুল ইসলাম মিনারের (১৬) মরদেহ হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুরের দাইনুর সীমান্তের ৩১৪ / ৪ এস পিলার এলাকায় পতাকা বৈঠকে মিলিত হন বিজিবির ২৯ ব্যাটালিয়নের দাইনুর বিওপির সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ বৈঠকের পর বিকেল ৫টার দিকে ৩১৪ / ৭ এস পিলার এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে বাংলাদেশি পুলিশের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
গত বুধবার রাত ১০টার দিকে দাইনুর সীমান্তের হরিপরপুরের তেলিয়াপাড়া এলাকায় বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় মিনারুল ইসলাম মিনার। নানা জটিলতা দেখিয়ে গত ৪ দিন ধরে তাঁর মরদেহ ফেরত দেয়নি বিএসএফ।
মরদেহ প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি খানপুর ক্যাম্পের কমান্ডার আনিসুর রহমান, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মাওলা, আস্করপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক, নিহত মনিরুলের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ও স্বজনেরা।
এ সময় প্রবল বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে নিহত মিনারুলকে একনজর দেখতে এলাকাবাসী সীমান্তে ভিড় জমায়। এ দিকে মরদেহ পাওয়ার খবরে নিহত মিনারুলের বাড়িতে তার আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী জড়ো হয়। মিনারুলের বাড়িতে এক হৃদয় বিদারক অবস্থার সৃষ্টি হয়। আজ রাত ৮টার দিকে খানপুর বুড়াপীর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকেলে মাকে রঙের কাজ করতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় মিনারুল। তখন সে তার মাকে জানায়, রঙের কাজ শেষ করে আসতে দেরি হবে। এরপর রাত ১০টায় তাঁর মোবাইলে ফোন করা হলে মিনারুলের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে মিনারুল আর বাড়িতে ফেরেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মিনারুলের পরিবার জানতে পারে, বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে দাইনুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে।

অবশেষে পাঁচ দিন পর দিনাজপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি স্কুলছাত্র মিনারুল ইসলাম মিনারের (১৬) মরদেহ হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুরের দাইনুর সীমান্তের ৩১৪ / ৪ এস পিলার এলাকায় পতাকা বৈঠকে মিলিত হন বিজিবির ২৯ ব্যাটালিয়নের দাইনুর বিওপির সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ বৈঠকের পর বিকেল ৫টার দিকে ৩১৪ / ৭ এস পিলার এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে বাংলাদেশি পুলিশের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
গত বুধবার রাত ১০টার দিকে দাইনুর সীমান্তের হরিপরপুরের তেলিয়াপাড়া এলাকায় বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় মিনারুল ইসলাম মিনার। নানা জটিলতা দেখিয়ে গত ৪ দিন ধরে তাঁর মরদেহ ফেরত দেয়নি বিএসএফ।
মরদেহ প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি খানপুর ক্যাম্পের কমান্ডার আনিসুর রহমান, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মাওলা, আস্করপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক, নিহত মনিরুলের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ও স্বজনেরা।
এ সময় প্রবল বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে নিহত মিনারুলকে একনজর দেখতে এলাকাবাসী সীমান্তে ভিড় জমায়। এ দিকে মরদেহ পাওয়ার খবরে নিহত মিনারুলের বাড়িতে তার আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী জড়ো হয়। মিনারুলের বাড়িতে এক হৃদয় বিদারক অবস্থার সৃষ্টি হয়। আজ রাত ৮টার দিকে খানপুর বুড়াপীর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকেলে মাকে রঙের কাজ করতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় মিনারুল। তখন সে তার মাকে জানায়, রঙের কাজ শেষ করে আসতে দেরি হবে। এরপর রাত ১০টায় তাঁর মোবাইলে ফোন করা হলে মিনারুলের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে মিনারুল আর বাড়িতে ফেরেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মিনারুলের পরিবার জানতে পারে, বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে দাইনুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে