ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

মাথার ওপর কপালে একটি চোখ। নাক নেই, মুখ দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে। অবাক করার মতো বিষয় হলেও এমনি এক গরুর বাছুর জন্ম নিয়েছে। এমন নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাছুরটি দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মানুষ ছুটছে সেখানে।
গতকাল শনিবার উপজেলা আলাদীপুর ইউনিয়নের গকুল গ্রামের কৃষক পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণের বাড়িতে বাছুরটির জন্ম হয়।
আজ রোববার কৃষক পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মাটিতে শুয়ে আছে একটি গরুর বাছুর। বাছুরটির চার পা লেজসহ সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও মাথার ওপরে কপালে একটি চোখ। নাক নেই। মুখ দিয়েই নিচ্ছে শ্বাস-প্রশ্বাস। এর মালিক পঙ্কজের মা গাভিটি থেকে দুধ সংগ্রহ করে বোতলে করে ওই বাছুরটিকে খাওয়াচ্ছেন। পাশেই আশপাশ থেকে দেখতে আশা উৎসুক জনতা ভিড়।
জানতে চাইলে পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণ বলেন, তাঁর দুটো গাভির মধ্যে একটিকে প্রায় ১০ মাস আগে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসককে ডেকে এটিকে শাহীওয়াল জাতের ভ্যাকসিন দেন। গতকাল গরুটির প্রসব ব্যথা ওঠে। গাভিটি বকনা লাল রঙের একটি বাছুর জন্ম দেয়।
পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণ জানান, বাছুরটির সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও মাথার ওপরের অংশে কপালে একটি চোখ এবং নাক নেই। মুখ দিয়েই নিশ্বাস নিচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে তিনিসহ তাঁর পরিবারের লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়েন।
বাছুর দেখতে আসা স্থানীয় প্রতিবেশী দুলাল চন্দ্র, শিল্পী রানী, বাবলু চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জানতে পেয়ে দেখতে এসেছি। এমন ঘটনা কখনো দেখিনি। বাছুরটি দেখে আমরা অবাক হয়ে গেছি।’
স্থানীয় ধাত্রী নন্দ রানী বলেন, ‘গরুটির প্রসব ব্যথা উঠলে আমাকে খবর দেয়। আমি গরুটির প্রসব করার পর বাছুরটি ভয়ংকর চেহারা দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে যাই। জীবনে এমন অবাক করা ঘটনা কোনো দিন দেখিনি।’

মাথার ওপর কপালে একটি চোখ। নাক নেই, মুখ দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে। অবাক করার মতো বিষয় হলেও এমনি এক গরুর বাছুর জন্ম নিয়েছে। এমন নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাছুরটি দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মানুষ ছুটছে সেখানে।
গতকাল শনিবার উপজেলা আলাদীপুর ইউনিয়নের গকুল গ্রামের কৃষক পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণের বাড়িতে বাছুরটির জন্ম হয়।
আজ রোববার কৃষক পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মাটিতে শুয়ে আছে একটি গরুর বাছুর। বাছুরটির চার পা লেজসহ সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও মাথার ওপরে কপালে একটি চোখ। নাক নেই। মুখ দিয়েই নিচ্ছে শ্বাস-প্রশ্বাস। এর মালিক পঙ্কজের মা গাভিটি থেকে দুধ সংগ্রহ করে বোতলে করে ওই বাছুরটিকে খাওয়াচ্ছেন। পাশেই আশপাশ থেকে দেখতে আশা উৎসুক জনতা ভিড়।
জানতে চাইলে পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণ বলেন, তাঁর দুটো গাভির মধ্যে একটিকে প্রায় ১০ মাস আগে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসককে ডেকে এটিকে শাহীওয়াল জাতের ভ্যাকসিন দেন। গতকাল গরুটির প্রসব ব্যথা ওঠে। গাভিটি বকনা লাল রঙের একটি বাছুর জন্ম দেয়।
পঙ্কজ চন্দ্র বর্মণ জানান, বাছুরটির সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও মাথার ওপরের অংশে কপালে একটি চোখ এবং নাক নেই। মুখ দিয়েই নিশ্বাস নিচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে তিনিসহ তাঁর পরিবারের লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়েন।
বাছুর দেখতে আসা স্থানীয় প্রতিবেশী দুলাল চন্দ্র, শিল্পী রানী, বাবলু চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জানতে পেয়ে দেখতে এসেছি। এমন ঘটনা কখনো দেখিনি। বাছুরটি দেখে আমরা অবাক হয়ে গেছি।’
স্থানীয় ধাত্রী নন্দ রানী বলেন, ‘গরুটির প্রসব ব্যথা উঠলে আমাকে খবর দেয়। আমি গরুটির প্রসব করার পর বাছুরটি ভয়ংকর চেহারা দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে যাই। জীবনে এমন অবাক করা ঘটনা কোনো দিন দেখিনি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে