
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবৈধ তিন ইটভাটায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এর মধ্যে মেসার্স এ আর বি ব্রিকস এবং মেসার্স সততা ব্রিকসের ইটভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর মেসার্স ভাই ভাই ব্রিকসকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তর এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বদরুন্নাহার সীমা। উপস্থিত ছিলেন পার্বতীপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদ হুসাইন রাজ ও পরিবেশ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের রিসার্স কর্মকর্তা রুনায়েত আমিন রেজা।
অভিযানে সহযোগিতা করেন সেনাসদস্য, র্যাব, পার্বতীপুর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। পরিবেশ সুরক্ষায় দিনাজপুর জেলায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তৃপক্ষ।
দিনাজপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বদরুন্নাহার সীমা বলেন, ‘দিনাজপুরে ৩১টি ইটভাটার বিরুদ্ধে জাল রিট ও ভুয়া আদেশ দেখিয়ে ভাটা পরিচালনার অভিযোগে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। গত সপ্তাহে সেই ৩১ ইটভাটাসহ অবৈধভাবে ভাটা পরিচালনাকারীদের কার্যক্রম বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করে দুটি ভাটার চিমনি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অপর একটি অবৈধ ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে