দিনাজপুর প্রতিনিধি

এক মাস কারাবাস শেষে ছাড়া পেয়েছেন দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলগেট দিয়ে বাইরে বের হন তিনি। তবে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে এ সময় দলীয় কোনো নেতা-কর্মীকে জেলগেটে দেখা পাওয়া যায়নি।
বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম টানা তৃতীয় মেয়াদে পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। আজ সকালে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কালো রঙের একটি মোটরসাইকেলে দলীয় এক ব্যক্তি দ্রুত মেয়রকে নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। বের হওয়ার সময় তাঁর পরনে ছিল লুঙ্গি ও নীল রঙের ফুলহাতা টি-শার্ট। এ সময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত তুলে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর আদালত অবমাননার দায়ে হাইকোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর। পরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জুলফিকার উল্ল্যাহ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলায় হাইকোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমকে নিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের দেওয়া এক বক্তব্যের সূত্রে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগ জাহাঙ্গীরের প্রতি আদালত অবমাননার নোটিশ ইস্যু করেন। পাশাপাশি ২৪ আগস্ট তাঁকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে আপিল বিভাগ ১২ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করেন। সেদিন আদালতে হাজির হলে জাহাঙ্গীরকে এক মাসের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এক মাস কারাবাস শেষে ছাড়া পেয়েছেন দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলগেট দিয়ে বাইরে বের হন তিনি। তবে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে এ সময় দলীয় কোনো নেতা-কর্মীকে জেলগেটে দেখা পাওয়া যায়নি।
বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম টানা তৃতীয় মেয়াদে পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। আজ সকালে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কালো রঙের একটি মোটরসাইকেলে দলীয় এক ব্যক্তি দ্রুত মেয়রকে নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। বের হওয়ার সময় তাঁর পরনে ছিল লুঙ্গি ও নীল রঙের ফুলহাতা টি-শার্ট। এ সময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত তুলে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর আদালত অবমাননার দায়ে হাইকোর্টের আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর। পরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জুলফিকার উল্ল্যাহ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলায় হাইকোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমকে নিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের দেওয়া এক বক্তব্যের সূত্রে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগ জাহাঙ্গীরের প্রতি আদালত অবমাননার নোটিশ ইস্যু করেন। পাশাপাশি ২৪ আগস্ট তাঁকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে আপিল বিভাগ ১২ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করেন। সেদিন আদালতে হাজির হলে জাহাঙ্গীরকে এক মাসের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেন আপিল বিভাগ। পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে