দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পরিবারের দাবি তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের আন্দিয়া পুকুরপাড় গ্রামের নিজ ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই গৃহবধূর নাম আয়েশা বেগম (২৭)। তিনি ওই ইউনিয়নের আন্দিয়া পুকুরপাড় গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী।
ওই গৃহবধূর প্রতিবেশীরা জানান, গ্রামটিতে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে দীর্ঘদিন থেকে বসবাস করছিলেন আয়েশা। আজ সকালে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ দেখতে পায় গ্রামবাসী। পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বামী রবিউল বলেন, ‘আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন থেকে মানসিক রোগে ভুগছিল। নানা রকমের রোগ লেগেই থাকত। চিকিৎসা করেও কোনো সুফল মিলছিল না। মাথার সমস্যা থাকায় সে আত্মহত্যা করেছে।’
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে বগুড়ায় চালু করা হয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) মহিলা বাস সার্ভিস। তবে চালুর এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রত্যাশিত যাত্রী পাচ্ছে না বাস দুটি। দিনের বেশির ভাগ সময়ই ৪৫ আসনের বাসে অল্পসংখ্যক যাত্রী দেখা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে
সাগরে বড় জাহাজ থেকে তেল খালাস করে সরাসরি ডিপোতে আনার জন্য নির্মাণ করা হয় সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন (এসপিএম)। কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে বঙ্গোপসাগরের তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ডিপো পর্যন্ত টানা হয়েছে ১১০ কিলোমিটার লম্বা এই পাইপলাইন। এই প্রকল্পে ব্যয় করা হয় ৮ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
জনবসতিহীন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মুরগির খামার। সেখানে প্রতিদিন জড়ো হচ্ছে শিশু-কিশোর, প্রাপ্তবয়স্করা। টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বয়সী মানুষের কাছ থেকে নেওয়া হয় পাসপোর্টের ছবি, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ও ফেস ভেরিফিকেশন। দিনশেষে এসব তথ্য পাচার হয় বিদেশে।
৬ ঘণ্টা আগে
বর্ষা মৌসুম শেষ হয়েছে দেড় মাস আগে। কিন্তু সেই বর্ষার পানি নিষ্কাশন হতে না পারায় শরতের শেষ সময়ে এসেও যশোরের দুঃখখ্যাত ভবদহ অঞ্চলের অন্তত ২০০ গ্রাম জলাবদ্ধ রয়েছে। বর্ষকাল থেকে শুরু করে তিন মাস ধরে এসব গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী জীবনযাপন করছে।
৭ ঘণ্টা আগে