দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে শাহিনুর ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে ঘোড়াঘাট পৌরসভার জিবিএল ইটভাটা এলাকার করতোয়া নদীর তীর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে সেখানে লাশ পড়ে থাকতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে থানায় খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। শাহিনুর ঘোড়াঘাট পৌরসভার চকবামুনিয়া-বিশ্বনাথপুর গ্রামের নওশা মিয়ার ছেলে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে শাহিনুর আর ফেরেননি। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে তাঁর পকেট থেকে মাদক ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেন তাঁর বড় ভাই। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয় শাহিনুরের। রাতে বাড়ি না ফেরায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আর সন্ধান পায়নি পরিবার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরে কোনো ক্ষত বা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তবে মারা যাওয়ার সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে