ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ১৪১৪ নম্বর ফেজের উত্তোলনযোগ্য কয়লা শেষ হওয়ায় নতুন ১৩০৫ নম্বর ফেজ যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য কয়লা উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল থেকে এই কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) খান মো. জাফর সাদিক।
খনি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট থেকে ১৪১৪ নম্বর ফেজ থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টন কয়লা উত্তোলনের মাধ্যমে মোট ৪ লাখ ৬৪ হাজার টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। উত্তোলনযোগ্য কয়লা মজুত শেষ হওয়ায় বর্তমানে নতুন ১৩০৫ নম্বর ফেজ যন্ত্রপাতি স্থাপন ও কারিগরি প্রস্তুতি চলছে।
১৩০৫ নম্বর ফেজ থেকে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টন কয়লা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যন্ত্রপাতি স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে উত্তোলন শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে উত্তোলিত কয়লার মাধ্যমে পরিচালিত ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে ৩ দশমিক ৫ লাখ টন কয়লা মজুত রয়েছে।
বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা দিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইয়ার্ডে সাড়ে ৩ লাখ টন কয়লা মজুত রয়েছে। আর ১৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তিন নম্বর ইউনিটটি চালু রয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাকি দুটো ইউনিট বন্ধ রয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ টন কয়লার প্রয়োজন হয়।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, কয়লা উত্তোলনের ফেইস পরিবর্তনের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ১৪১৪ নম্বর ফেজের উত্তোলনযোগ্য কয়লা শেষ হওয়ায় নতুন ১৩০৫ নম্বর ফেজ যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য কয়লা উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল থেকে এই কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) খান মো. জাফর সাদিক।
খনি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট থেকে ১৪১৪ নম্বর ফেজ থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টন কয়লা উত্তোলনের মাধ্যমে মোট ৪ লাখ ৬৪ হাজার টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। উত্তোলনযোগ্য কয়লা মজুত শেষ হওয়ায় বর্তমানে নতুন ১৩০৫ নম্বর ফেজ যন্ত্রপাতি স্থাপন ও কারিগরি প্রস্তুতি চলছে।
১৩০৫ নম্বর ফেজ থেকে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টন কয়লা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যন্ত্রপাতি স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে উত্তোলন শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে উত্তোলিত কয়লার মাধ্যমে পরিচালিত ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে ৩ দশমিক ৫ লাখ টন কয়লা মজুত রয়েছে।
বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা দিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইয়ার্ডে সাড়ে ৩ লাখ টন কয়লা মজুত রয়েছে। আর ১৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তিন নম্বর ইউনিটটি চালু রয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাকি দুটো ইউনিট বন্ধ রয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ টন কয়লার প্রয়োজন হয়।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, কয়লা উত্তোলনের ফেইস পরিবর্তনের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন।

পাইকের বাড়ি গ্রামের কলেজছাত্রী পান্না বাড়ৈ জানান, ওই পাঁচ নারী রোববার ভোরে দিনমজুরের কাজ করতে মাদারীপুরে যান। কাজ শেষে ইজিবাইকে করে ফেরার পথে ঘটকচর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তাঁরা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
৫ মিনিট আগে
পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিস্ফোরক মামলায় স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও স্বরূপকাঠি পৌর যুবলীগের সভাপতি শিশির কর্মকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভোরে নেছারাবাদ উপজেলার পান হাটখোলা এলাকার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে নেছারাবাদ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
২৯ মিনিট আগে
শীত এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় পিঠা-পায়েসের আয়োজন। পিঠা তৈরির অন্যতম সহায়ক হলো গুড়। অনেকে চিনি দিয়েও তৈরি করে থাকে। তবে এই নাশতাকে সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু করে তোলে খেজুর রসের গুড়।
১ ঘণ্টা আগে
দোতালা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে বসে রয়েছেন ফার্মাসিস্ট মোল্লা মনিরুজ্জামান। তাঁর কাছেই বিভিন্ন বয়সী রোগীরা আসছেন চিকিৎসা নিতে। উপসর্গ শুনে রোগীদের জন্য নিজেই ওষুধ লিখে দিচ্ছেন মনিরুজ্জামান।
১ ঘণ্টা আগে