Ajker Patrika

এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীর
আনিস আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে আনিস আলমগীরকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার গ্রেপ্তার দেখানোর ওপর শুনানি শেষে আদালত তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার দেখানোর পর আনিস আলমগীরকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আজ শুনানির তারিখ ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ, ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসাবে তাঁর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এতে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত। ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় তাঁর ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। এই অর্থকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি জিম থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়।

ওই দিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয় তাঁকে। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

প্রাথমিকেও চালু হচ্ছে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস

বাংলাদেশ সরকারের বিবৃতিতে আমরা কষ্ট পেয়েছি: ইরানি রাষ্ট্রদূত

২০২৬ সালের ঈদুল আজহা কবে, যা জানা গেল

কিশোরগঞ্জে যুবদল নেতার হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

‘ওকে লাথি মেরে বের করে দিন’—নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুদ্ধে পাঠাতে বললেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত