নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী করেছে আজিমপুর কলোনিবাসী। ‘বি’ জোনের ৭ নম্বর ভবন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে আজ সোমবার বিকেলে এই চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
৭ নম্বর ভবন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ওয়ারেস হোসেন জানান, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নানা ধরনের আয়োজন করে থাকে। কেউ মিলাদ মাহফিল, কেউ দোয়া মাহফিল, কেউ আলোচনা সভা। কিন্তু এই দিন বঙ্গবন্ধু পরিবারে কে কে মারা গেছেন সে ইতিহাস ছোট শিশু-কিশোরদের জানানোর জন্য চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়।
ওয়ারেস হোসেন আরও জানান, এই চিত্র প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানুক ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের কারা নিহত হয়েছেন। এই চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে যদি পাঁচজনও জানতে পারে তাহলে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করবেন।
আজ বিকেলে চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সোহরাওয়ার্দী, আজিমপুর ‘বি’ পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আ ন ম আজিজুল ইসলাম। চিত্র প্রদর্শনীতে সার্বিক সহযোগিতা করেন ৭ নম্বর ভবন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব লিয়াকত আলী, শুভজিৎ সাহা, মাসুদুল, কাশেম পাটোয়ারি প্রমুখ।
১৫ আগস্ট ঘাতদের হাতে নিহত হন—জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্নেল জামিল, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক। প্রায় একই সময়ে ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে শেখ ফজলুল হক মণি, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি এবং বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত ও তাঁর মেয়ে বেবী, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আত্মীয় বেন্টু খানকে হত্যা করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী করেছে আজিমপুর কলোনিবাসী। ‘বি’ জোনের ৭ নম্বর ভবন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে আজ সোমবার বিকেলে এই চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
৭ নম্বর ভবন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ওয়ারেস হোসেন জানান, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নানা ধরনের আয়োজন করে থাকে। কেউ মিলাদ মাহফিল, কেউ দোয়া মাহফিল, কেউ আলোচনা সভা। কিন্তু এই দিন বঙ্গবন্ধু পরিবারে কে কে মারা গেছেন সে ইতিহাস ছোট শিশু-কিশোরদের জানানোর জন্য চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়।
ওয়ারেস হোসেন আরও জানান, এই চিত্র প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানুক ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের কারা নিহত হয়েছেন। এই চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে যদি পাঁচজনও জানতে পারে তাহলে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করবেন।
আজ বিকেলে চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সোহরাওয়ার্দী, আজিমপুর ‘বি’ পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আ ন ম আজিজুল ইসলাম। চিত্র প্রদর্শনীতে সার্বিক সহযোগিতা করেন ৭ নম্বর ভবন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব লিয়াকত আলী, শুভজিৎ সাহা, মাসুদুল, কাশেম পাটোয়ারি প্রমুখ।
১৫ আগস্ট ঘাতদের হাতে নিহত হন—জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্নেল জামিল, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক। প্রায় একই সময়ে ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে শেখ ফজলুল হক মণি, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি এবং বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত ও তাঁর মেয়ে বেবী, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আত্মীয় বেন্টু খানকে হত্যা করা হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে