ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে প্রতিকার না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক গৃহবধূ। গতকাল শনিবার টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খালুয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত প্রেমিকের মা–বাবাকে আটক করেছে।
কালিহাতী থানা–পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিন্টু চন্দ্র ঘোষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত বুধবার বিয়ের দাবিতে কালিহাতীতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেন শান্তা আক্তার (২৩) নামে ওই গৃহবধূ। কিন্তু তাঁর আসার খবরে আগেই ঘরে তালা দিয়ে লাপাত্তা হন প্রেমিক সোহাগ (২৪)। চার দিন বাড়িতে অবস্থানের পর কোনো সমাধান না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
সোহাগ ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। অপর দিকে শান্তা আক্তার কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অলুয়া গ্রামের মোখলেছুর রহমানের মেয়ে।
জানা যায়, এক বছর আগে টিকটকের মাধ্যমে সোহাগের সঙ্গে পরিচয় হয় গৃহবধূ শান্তার। এর পর থেকে দুজনে মোবাইল ফোনে কথা বলা শুরু করে। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান তাঁরা। এ সময় তাঁদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়।
এ ছাড়া শান্তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকাসহ তিন ভরি স্বর্ণালংকার নেন প্রেমিক সোহাগ। পরে শান্তা বিয়ের জন্য সোহাগকে চাপ দেন। একপর্যায়ে স্বামী-সন্তান ছেড়ে প্রেমিকের বাড়িতে চলে আসেন শান্তা। তবে শান্তার আসার খবরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান সোহাগ। পরে তাঁর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে চার দিন অনশন করে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শান্তা। এরপর তিনি ওই বাড়িতে আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মিন্টু চন্দ্র ঘোষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মৃতের স্বজনদের জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেমিকের মা–বাবাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে প্রতিকার না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক গৃহবধূ। গতকাল শনিবার টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খালুয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত প্রেমিকের মা–বাবাকে আটক করেছে।
কালিহাতী থানা–পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিন্টু চন্দ্র ঘোষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত বুধবার বিয়ের দাবিতে কালিহাতীতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেন শান্তা আক্তার (২৩) নামে ওই গৃহবধূ। কিন্তু তাঁর আসার খবরে আগেই ঘরে তালা দিয়ে লাপাত্তা হন প্রেমিক সোহাগ (২৪)। চার দিন বাড়িতে অবস্থানের পর কোনো সমাধান না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
সোহাগ ওই গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। অপর দিকে শান্তা আক্তার কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অলুয়া গ্রামের মোখলেছুর রহমানের মেয়ে।
জানা যায়, এক বছর আগে টিকটকের মাধ্যমে সোহাগের সঙ্গে পরিচয় হয় গৃহবধূ শান্তার। এর পর থেকে দুজনে মোবাইল ফোনে কথা বলা শুরু করে। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান তাঁরা। এ সময় তাঁদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়।
এ ছাড়া শান্তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকাসহ তিন ভরি স্বর্ণালংকার নেন প্রেমিক সোহাগ। পরে শান্তা বিয়ের জন্য সোহাগকে চাপ দেন। একপর্যায়ে স্বামী-সন্তান ছেড়ে প্রেমিকের বাড়িতে চলে আসেন শান্তা। তবে শান্তার আসার খবরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান সোহাগ। পরে তাঁর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে চার দিন অনশন করে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শান্তা। এরপর তিনি ওই বাড়িতে আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মিন্টু চন্দ্র ঘোষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মৃতের স্বজনদের জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেমিকের মা–বাবাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২২ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে