নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর পলাশে ঘরের ভেতর থেকে ছুরিবিদ্ধ এক কলেজছাত্রীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে বিনা মিত্র (১৮) নামে ওই কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পলাশ থানা-পুলিশ।
নিহত বিনা মিত্র উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের বড়িবাড়ি গ্রামের মুকুঞ্জ মিত্রের মেয়ে। তিনি ঘোড়াশাল মুসাবিন হাকিম ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
বিনা মিত্রের মা উর্মিলা মিত্র বলেন, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর বাড়িসংলগ্ন বরাব মন্দিরে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে রথযাত্রার প্রসাদ খেতে গিয়েছিলেন বিনা মিত্র। পরে বাড়িতে ফিরে নিজের ঘরে পড়াশোনা করতে বসেন। এ সময় তিনি কবিরাজি চিকিৎসা নিতে পাশের একটি বাড়িতে যান। রাত ৯টার পরে তিনি বাড়িতে ফিরে দেখেন ঘরে তাঁর স্বামী আর ছেলে ঘুমাচ্ছেন। এ সময় অপর কক্ষে গিয়ে দেখেন বুকে ছুরিবিদ্ধ অবস্থায় বিনার বিবস্ত্র লাশ পড়ে আছে। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে।
পরে থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হলে রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) অনির্বাণ চৌধুরী ও পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সকালে পলাশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামসুল হক নিহত কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, ঘোড়াশাল পৌর এলাকার লাগালিয়া গ্রামের জগদিস মিত্রের ছেলে সঞ্জয় মিত্রের সঙ্গে বিনা মিত্রের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুই বছর আগে মা-বাবাকে না জানিয়ে সঞ্জয়কে বিয়ে করেন বিনা মিত্র। বিয়ের দেড় বছর শ্বশুরবাড়িতে থাকলেও পারিবারিক কলহের কারণে গত ছয় মাস ধরে বিনা তাঁর মা–বাবার সঙ্গেই বসবাস করতেন। মাঝেমধ্যে স্বামী সঞ্জয় তাঁদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন।
নয়ন রায় নামের নিহত বিনার এক প্রতিবেশী বলেন, গতকাল রাত সোয়া ৯টার দিকে সঞ্জয়কে ওই এলাকায় খালি পায়ে দ্রুত হেঁটে যেতে দেখেছেন তিনি।
উর্মিলা মিত্র বলেন, ‘আমার এক প্রতিবেশী সঞ্জয়কে তখন এলাকায় দেখেছেন। তাই মেয়ে হত্যায় সঞ্জয় মিত্রকে সন্দেহের বাইরে রাখছি না।’
এ বিষয়ে জানতে সঞ্জয় মিত্রের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে। তাঁর বাড়িতে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়ন্ত দাস বলেন, ‘মৃত্যুর খবর পেয়ে গিয়ে দেখি মেয়েটি বুকে ছুরিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে। তখনই ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম গাজীকে ঘটনা জানালে তিনি পুলিশে খবর দেন। ঠিক কী কারণে তাকে এভাবে হত্যা করা হলো, কেউ কিছু বুঝতে পারছেন না।’
পলাশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামসুল হক বলেন, ওই কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে তাঁর শরীরে-কাপড়ে জোরজবরদস্তির কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাঁর বুকের ওপরের অংশে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করে ছুরিটি বিদ্ধ অবস্থায় রেখেই পালিয়ে গেছে হত্যাকারী। ময়নাতদন্তের পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে। এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

নরসিংদীর পলাশে ঘরের ভেতর থেকে ছুরিবিদ্ধ এক কলেজছাত্রীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে বিনা মিত্র (১৮) নামে ওই কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পলাশ থানা-পুলিশ।
নিহত বিনা মিত্র উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের বড়িবাড়ি গ্রামের মুকুঞ্জ মিত্রের মেয়ে। তিনি ঘোড়াশাল মুসাবিন হাকিম ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
বিনা মিত্রের মা উর্মিলা মিত্র বলেন, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর বাড়িসংলগ্ন বরাব মন্দিরে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে রথযাত্রার প্রসাদ খেতে গিয়েছিলেন বিনা মিত্র। পরে বাড়িতে ফিরে নিজের ঘরে পড়াশোনা করতে বসেন। এ সময় তিনি কবিরাজি চিকিৎসা নিতে পাশের একটি বাড়িতে যান। রাত ৯টার পরে তিনি বাড়িতে ফিরে দেখেন ঘরে তাঁর স্বামী আর ছেলে ঘুমাচ্ছেন। এ সময় অপর কক্ষে গিয়ে দেখেন বুকে ছুরিবিদ্ধ অবস্থায় বিনার বিবস্ত্র লাশ পড়ে আছে। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে।
পরে থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হলে রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) অনির্বাণ চৌধুরী ও পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সকালে পলাশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামসুল হক নিহত কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, ঘোড়াশাল পৌর এলাকার লাগালিয়া গ্রামের জগদিস মিত্রের ছেলে সঞ্জয় মিত্রের সঙ্গে বিনা মিত্রের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুই বছর আগে মা-বাবাকে না জানিয়ে সঞ্জয়কে বিয়ে করেন বিনা মিত্র। বিয়ের দেড় বছর শ্বশুরবাড়িতে থাকলেও পারিবারিক কলহের কারণে গত ছয় মাস ধরে বিনা তাঁর মা–বাবার সঙ্গেই বসবাস করতেন। মাঝেমধ্যে স্বামী সঞ্জয় তাঁদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন।
নয়ন রায় নামের নিহত বিনার এক প্রতিবেশী বলেন, গতকাল রাত সোয়া ৯টার দিকে সঞ্জয়কে ওই এলাকায় খালি পায়ে দ্রুত হেঁটে যেতে দেখেছেন তিনি।
উর্মিলা মিত্র বলেন, ‘আমার এক প্রতিবেশী সঞ্জয়কে তখন এলাকায় দেখেছেন। তাই মেয়ে হত্যায় সঞ্জয় মিত্রকে সন্দেহের বাইরে রাখছি না।’
এ বিষয়ে জানতে সঞ্জয় মিত্রের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে। তাঁর বাড়িতে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়ন্ত দাস বলেন, ‘মৃত্যুর খবর পেয়ে গিয়ে দেখি মেয়েটি বুকে ছুরিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে। তখনই ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম গাজীকে ঘটনা জানালে তিনি পুলিশে খবর দেন। ঠিক কী কারণে তাকে এভাবে হত্যা করা হলো, কেউ কিছু বুঝতে পারছেন না।’
পলাশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামসুল হক বলেন, ওই কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে তাঁর শরীরে-কাপড়ে জোরজবরদস্তির কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাঁর বুকের ওপরের অংশে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করে ছুরিটি বিদ্ধ অবস্থায় রেখেই পালিয়ে গেছে হত্যাকারী। ময়নাতদন্তের পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে। এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৫ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৯ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মো. নোমান (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চেয়ারম্যান অফিস এলাকার পাশের একটি ভাড়া বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নোমান পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মজিবর দফাদারের ছেলে
৪১ মিনিট আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের নতুন বাক্তারচর এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে আগেই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে