ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের ওপর দুই দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করা হলেও অস্বীকার করেছেন ঢাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।
সৈকতের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার ছাত্র ইউনিয়ন রাজু ভাস্কর্যে শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানার ছিঁড়েছে। এ সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়ন প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ‘আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারে’ বলে হুমকি দেন।
তানভীর হাসান সৈকত আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মারধর করেছে—এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত রয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীরা ছাত্র ইউনিয়নকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। তারা (ছাত্র ইউনিয়ন) প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানি। যদি ছাত্র ইউনিয়ন আমাদের কাছে নিরাপত্তা চায়, সেটাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে—যে জায়গায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবির নিরাপত্তা দিতে পারিনি।’
আজ বৃহস্পতিবার ঢাবিতে ফের ছাত্র ইউনিয়নের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) ঢাবি সংসদের সভাপতিসহ আহত হন চারজন। ঢাবি সংসদের সাবেক সভাপতি শিমুল কুম্ভকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, টিএসসিতে বসে তাঁরা (আহতরা) আড্ডা দিচ্ছিলেন। পরে মেঘমল্লার ও শুভ্র রিকশায় শাহবাগের দিকে গেলে মোটরসাইকেল আরোহী ৮-১০ জন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী গতিরোধ করে মারধর করেন। মাঈন আহমেদ তাঁর হল মুহসীন হলের দিকে চলে যাওয়ার সময় তাঁকে মারধর করা হয়। আর শিহাবকে ভিসি চত্বর এলাকাতে একই কায়দায় মারধর করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার ইউপিডিএফের চার নেতা হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রজোটের মশাল মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় সৈকত বলেছিলেন, ‘শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি আবেগের নাম, উনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দেওয়া ব্যানারে ছিঁড়ে ফেলার কারণে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীদের মারধর করেছে। শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়েছে, আমাকেও ফোন দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করতে। তাঁদের কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না। ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীরা যদি ক্ষমা না চায়, তাহলে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) সভাপতি সালামান সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কেউ ব্যানার ছিঁড়ে নাই। যারা মনে করেছে রাজু ভাস্কর্যের সামনে ব্যানারটি বেমানান, তারা ছিঁড়েছে।’
এদিকে মঙ্গলবারের মশাল মিছিল ও শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানার ছেড়ার ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে পরদিন বুধবার ঢাবি রাজু ভাস্কর্যের মুখ কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারীরা।
সামগ্রিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকালে বাম দল (ছাত্র ইউনিয়ন) ফোন করে জানায় রাজু ভাস্কর্যের কালো কাপড় যেন সরিয়ে ফেলা হয়। যদি না সরানো হয় তাহলে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। তখন বলেছি, ‘যারা বেঁধেছে তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব। তবে আজকের মারধরের ঘটনা সম্পর্কে কোনো অভিযোগ পাইনি। প্রক্টর অফিস থেকে জানতে পেরে মোবাইল টিমকে ঢামেকে পাঠানো হলে সেখান থেকে জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ মারধরের শিকার হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের ওপর দুই দফায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করা হলেও অস্বীকার করেছেন ঢাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।
সৈকতের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার ছাত্র ইউনিয়ন রাজু ভাস্কর্যে শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানার ছিঁড়েছে। এ সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়ন প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ‘আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারে’ বলে হুমকি দেন।
তানভীর হাসান সৈকত আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মারধর করেছে—এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত রয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীরা ছাত্র ইউনিয়নকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। তারা (ছাত্র ইউনিয়ন) প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানি। যদি ছাত্র ইউনিয়ন আমাদের কাছে নিরাপত্তা চায়, সেটাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে—যে জায়গায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবির নিরাপত্তা দিতে পারিনি।’
আজ বৃহস্পতিবার ঢাবিতে ফের ছাত্র ইউনিয়নের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) ঢাবি সংসদের সভাপতিসহ আহত হন চারজন। ঢাবি সংসদের সাবেক সভাপতি শিমুল কুম্ভকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, টিএসসিতে বসে তাঁরা (আহতরা) আড্ডা দিচ্ছিলেন। পরে মেঘমল্লার ও শুভ্র রিকশায় শাহবাগের দিকে গেলে মোটরসাইকেল আরোহী ৮-১০ জন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী গতিরোধ করে মারধর করেন। মাঈন আহমেদ তাঁর হল মুহসীন হলের দিকে চলে যাওয়ার সময় তাঁকে মারধর করা হয়। আর শিহাবকে ভিসি চত্বর এলাকাতে একই কায়দায় মারধর করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার ইউপিডিএফের চার নেতা হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রজোটের মশাল মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় সৈকত বলেছিলেন, ‘শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি আবেগের নাম, উনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দেওয়া ব্যানারে ছিঁড়ে ফেলার কারণে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীদের মারধর করেছে। শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়েছে, আমাকেও ফোন দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করতে। তাঁদের কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না। ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীরা যদি ক্ষমা না চায়, তাহলে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) সভাপতি সালামান সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কেউ ব্যানার ছিঁড়ে নাই। যারা মনে করেছে রাজু ভাস্কর্যের সামনে ব্যানারটি বেমানান, তারা ছিঁড়েছে।’
এদিকে মঙ্গলবারের মশাল মিছিল ও শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানার ছেড়ার ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে পরদিন বুধবার ঢাবি রাজু ভাস্কর্যের মুখ কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারীরা।
সামগ্রিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সকালে বাম দল (ছাত্র ইউনিয়ন) ফোন করে জানায় রাজু ভাস্কর্যের কালো কাপড় যেন সরিয়ে ফেলা হয়। যদি না সরানো হয় তাহলে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। তখন বলেছি, ‘যারা বেঁধেছে তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব। তবে আজকের মারধরের ঘটনা সম্পর্কে কোনো অভিযোগ পাইনি। প্রক্টর অফিস থেকে জানতে পেরে মোবাইল টিমকে ঢামেকে পাঠানো হলে সেখান থেকে জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ মারধরের শিকার হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে না।’

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
৫ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
৮ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
১১ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
২১ মিনিট আগে