রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাজী কেরামত আলীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ী সদর আমলি আদালতে কাজী কেরামত আলীর পক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মো. তামজিদ আহমেদ জামিন নামঞ্জুর করে আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর মহাখালী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল।
জানা গেছে, গত বছরের ৩০ আগস্ট কাজী কেরামত আলী, তাঁর ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকেও আসামি করা হয়।
রাজবাড়ী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রাজিব মোল্লা বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বড়পুল মোড়ে অবস্থানকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের ওপর দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
মামলায় অভিযোগ রয়েছে, সাবেক এমপি কেরামত আলীর নির্দেশে আন্দোলনকারীদের হত্যার উদ্দেশ্যে বোমা ও গুলি চালানো হয়। এ সময় অনেক আন্দোলনকারী গুরুতর আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়া হয়।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, মামলার ২ নম্বর আসামি কাজী কেরামত আলী হুকুমের আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কাজী কেরামত আলী ছয়বার রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এক সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাজী কেরামত আলীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ী সদর আমলি আদালতে কাজী কেরামত আলীর পক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মো. তামজিদ আহমেদ জামিন নামঞ্জুর করে আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর মহাখালী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল।
জানা গেছে, গত বছরের ৩০ আগস্ট কাজী কেরামত আলী, তাঁর ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলীসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকেও আসামি করা হয়।
রাজবাড়ী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রাজিব মোল্লা বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বড়পুল মোড়ে অবস্থানকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের ওপর দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
মামলায় অভিযোগ রয়েছে, সাবেক এমপি কেরামত আলীর নির্দেশে আন্দোলনকারীদের হত্যার উদ্দেশ্যে বোমা ও গুলি চালানো হয়। এ সময় অনেক আন্দোলনকারী গুরুতর আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়া হয়।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, মামলার ২ নম্বর আসামি কাজী কেরামত আলী হুকুমের আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, কাজী কেরামত আলী ছয়বার রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এক সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে