শ্যামপুর-কদমতলী (ঢাকা) প্রতিনিধি

ডেমরার আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কারখানা ও ভাগাড় স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। ‘কোনাপাড়া মাতুয়াইল পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন’ সংগঠনের উদ্যোগে আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ডেমরা, কোনাপাড়া, মাতুয়াইল ও যাত্রাবাড়ী এলাকার সড়কের দুপাশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ খান হিমু। এ সময় বক্তব্য দেন মো. বোরহানউদ্দিন, নাসির আহমেদ, মাসুম বিল্লাহ, সাংবাদিক এম এ নোমান, মাওলানা মামুন, সালামত উল্লাহ, সিদ্দিকুর রহমান।
মানববন্ধনে শাহরিয়ার স্টিল মিল, জহির স্টিল মিল এবং মাতুয়াইলের ময়লার ডিপোসহ আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সব কলকারখানা অবিলম্বে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্টিল মিল থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ার সঙ্গে সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড ও সিসার মতো ক্ষতিকর উপাদান বাতাসে মিশে পরিবেশ দূষণ করছে। শ্বাস গ্রহণের সময় দূষিত বাতাস মানবদেহে প্রবেশ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কারখানা অন্যত্র সরিয়ে না নিলে বড় ধরনের আন্দোলন ডাকা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থী জিসান আহমেদ বলেন, ‘প্রতিদিন ক্লাসে ঢুকতেই চোখে পানি চলে আসে, নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ধোঁয়ার তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শ্রেণিকক্ষে টিকে থাকা যায় না।’
আবদুল মান্নান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মো. রোমান বলেন, ‘প্রতিনিয়ত বিষাক্ত ধোঁয়ার জন্য আমরা মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ইতিমধ্যে অনেকে শ্বাসকষ্ট, চোখের জ্বালা ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গে ভুগছেন। কয়েকজনকে চিকিৎসাও নিতে হয়েছে।’

ডেমরার আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কারখানা ও ভাগাড় স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। ‘কোনাপাড়া মাতুয়াইল পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন’ সংগঠনের উদ্যোগে আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ডেমরা, কোনাপাড়া, মাতুয়াইল ও যাত্রাবাড়ী এলাকার সড়কের দুপাশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ খান হিমু। এ সময় বক্তব্য দেন মো. বোরহানউদ্দিন, নাসির আহমেদ, মাসুম বিল্লাহ, সাংবাদিক এম এ নোমান, মাওলানা মামুন, সালামত উল্লাহ, সিদ্দিকুর রহমান।
মানববন্ধনে শাহরিয়ার স্টিল মিল, জহির স্টিল মিল এবং মাতুয়াইলের ময়লার ডিপোসহ আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সব কলকারখানা অবিলম্বে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্টিল মিল থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ার সঙ্গে সালফার ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড ও সিসার মতো ক্ষতিকর উপাদান বাতাসে মিশে পরিবেশ দূষণ করছে। শ্বাস গ্রহণের সময় দূষিত বাতাস মানবদেহে প্রবেশ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কারখানা অন্যত্র সরিয়ে না নিলে বড় ধরনের আন্দোলন ডাকা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থী জিসান আহমেদ বলেন, ‘প্রতিদিন ক্লাসে ঢুকতেই চোখে পানি চলে আসে, নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ধোঁয়ার তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শ্রেণিকক্ষে টিকে থাকা যায় না।’
আবদুল মান্নান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মো. রোমান বলেন, ‘প্রতিনিয়ত বিষাক্ত ধোঁয়ার জন্য আমরা মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ইতিমধ্যে অনেকে শ্বাসকষ্ট, চোখের জ্বালা ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গে ভুগছেন। কয়েকজনকে চিকিৎসাও নিতে হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে