সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সম্প্রতি কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত ‘ওয়েট ব্লু’ চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে চামড়াশিল্প নগরীতে ক্রাস্ট ও ফিনিশড চামড়া উৎপাদনে ট্যানারিমালিকদের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেই সঙ্গে পরিবেশদূষণ বাড়বে এবং ফুটওয়্যার ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান লোকসানে পড়বে।
আজ সোমবার সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) ভাইস চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল।
পশম ছাড়িয়ে প্রক্রিয়াজাত করার পর যে চামড়া পাওয়া যায়, তাকে ওয়েট ব্লু চামড়া বলা হয়। প্রায় ৩৫ বছর পর এবার কাঁচা ও ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির শর্ত তিন মাসের জন্য শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা খুশি হলেও আপত্তি জানাচ্ছেন ট্যানারিমালিকেরা। এই পরিপ্রেক্ষিতেই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএফএলএলএফইএ।
ব্যবসায়ীদের দাবি, কাঁচা ও ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানি করলে ট্যানারির যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক ও ব্যবসায় বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কাঁচা চামড়ার অভাবে উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাবে, মূল্য সংযোজনের পরিমাণ কমবে এবং এই খাতে রপ্তানি আয় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম হবে। যার ফলে ট্যানারি খাতে নিয়োজিত হাজারো শ্রমিক-কর্মচারী-কর্মকর্তা বেকার হয়ে পড়বেন। কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্যানারি শিল্পমালিকদের দিকটি বিবেচনা না করে গত ২৫ মে চামড়া রপ্তানির আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আউয়াল বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ট্যানারি শিল্পকে রক্ষার জন্য শিল্প উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সুপারিশপত্র দিয়েছেন। পরে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে বিএফএলএলএফইএর প্রধান উপদেষ্টাসহ পাঁচ সদস্য নিয়ে একটি কমিটি গঠনের জন্য অনুরোধ করেন।
আউয়াল জানান, ৫ জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (রপ্তানি) আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়। এরপর সরকারের উচ্চপর্যায়ে একাধিকবার আবেদনের পরও এখন পর্যন্ত কমিটির কোনো সভার আয়োজন করা হয়নি। এ ছাড়া টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) অনুসারে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ না নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হঠাৎ ২৫ মে ট্যানারি শিল্পমালিকদের গুরুত্ব না দিয়ে চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা ও ট্যানারি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে অবিলম্বে এই আদেশ বাতিল করা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএফএলএলএফইএর প্রধান উপদেষ্টা এম এ রশিদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনের আগে চামড়া শিল্পনগরীর প্রধান ফটকের সামনে রপ্তানির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন এ খাতসংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা।

সম্প্রতি কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত ‘ওয়েট ব্লু’ চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে চামড়াশিল্প নগরীতে ক্রাস্ট ও ফিনিশড চামড়া উৎপাদনে ট্যানারিমালিকদের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেই সঙ্গে পরিবেশদূষণ বাড়বে এবং ফুটওয়্যার ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান লোকসানে পড়বে।
আজ সোমবার সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) ভাইস চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল।
পশম ছাড়িয়ে প্রক্রিয়াজাত করার পর যে চামড়া পাওয়া যায়, তাকে ওয়েট ব্লু চামড়া বলা হয়। প্রায় ৩৫ বছর পর এবার কাঁচা ও ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির শর্ত তিন মাসের জন্য শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা খুশি হলেও আপত্তি জানাচ্ছেন ট্যানারিমালিকেরা। এই পরিপ্রেক্ষিতেই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএফএলএলএফইএ।
ব্যবসায়ীদের দাবি, কাঁচা ও ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানি করলে ট্যানারির যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক ও ব্যবসায় বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কাঁচা চামড়ার অভাবে উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাবে, মূল্য সংযোজনের পরিমাণ কমবে এবং এই খাতে রপ্তানি আয় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম হবে। যার ফলে ট্যানারি খাতে নিয়োজিত হাজারো শ্রমিক-কর্মচারী-কর্মকর্তা বেকার হয়ে পড়বেন। কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্যানারি শিল্পমালিকদের দিকটি বিবেচনা না করে গত ২৫ মে চামড়া রপ্তানির আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আউয়াল বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ট্যানারি শিল্পকে রক্ষার জন্য শিল্প উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সুপারিশপত্র দিয়েছেন। পরে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে বিএফএলএলএফইএর প্রধান উপদেষ্টাসহ পাঁচ সদস্য নিয়ে একটি কমিটি গঠনের জন্য অনুরোধ করেন।
আউয়াল জানান, ৫ জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (রপ্তানি) আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়। এরপর সরকারের উচ্চপর্যায়ে একাধিকবার আবেদনের পরও এখন পর্যন্ত কমিটির কোনো সভার আয়োজন করা হয়নি। এ ছাড়া টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর) অনুসারে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ না নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হঠাৎ ২৫ মে ট্যানারি শিল্পমালিকদের গুরুত্ব না দিয়ে চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা ও ট্যানারি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে অবিলম্বে এই আদেশ বাতিল করা জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএফএলএলএফইএর প্রধান উপদেষ্টা এম এ রশিদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনের আগে চামড়া শিল্পনগরীর প্রধান ফটকের সামনে রপ্তানির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন এ খাতসংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে