সোমবার (১৭ জুলাই) শেষ হয়েছে ঢাকা-১৭ উপনির্বাচন। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মোহাম্মদ আলী আরাফাত ২৮ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ৬০৯ ভোট। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই উপনির্বাচনে ভোট মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ২৫ হাজার ২০৫ টি। ১২৪টি ভোটকেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩৭ হাজার ৪২০ টি। যা মোট ভোটের ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ।
কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, নির্বাচনে হারলেও একটি কেন্দ্রে আরাফাতের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন হিরো আলম এবং একটি কেন্দ্রে দুজনে সমান ভোট পেয়েছেন। এই উপনির্বাচনে এক কেন্দ্রে সর্বনিম্ন ০ দশমিক ৯৫ এবং সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
কেন্দ্র ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১০৫ নম্বর কেন্দ্র [বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ডিওএইচএস মহাখালী, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা (২য় তলা) (পুরুষ ভোটার) কেন্দ্র-১] এ মোট ভোটার ছিল ৩ হাজার ১৮২ টি। ভোট পড়েছে মাত্র ২২৫ টি। এর মধ্যে আরাফাত পেয়েছেন ৭৯ ভোট। আর হিরো আলম পেয়েছেন ১১০ ভোট। এ ছাড়া ১১৩ নম্বর কেন্দ্রে [ শহীদ বীর বিক্রম রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা (দক্ষিণ ভবন) (পুরুষ ও মহিলা ভোটার), কেন্দ্র-১] এ মোট ভোট ছিল ২ হাজার ১৭ টি। ভোট পড়েছে মাত্র ৬০ টি। এই কেন্দ্রে আরাফাত ও হিরো আলম উভয়ে সমান সংখ্যক ২৫টি করে ভোট পেয়েছেন।
১১৪ নম্বর কেন্দ্রে [শহীদ বীর বিক্রম রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা (উত্তর ভবন) (পুরুষ ও মহিলা ভোটার), কেন্দ্র-২] এ মোট ভোটার ছিল ২ হাজার ৪২৯ জন। ভোট পড়েছে মাত্র ২৪ টি। যা শতকরা ০ দশমিক ৯৯ শতাংশ। এই কেন্দ্রে সর্বনিম্ন ভোট পেয়েছেন আরাফাত। তিনি পেয়েছেন ১১ ভোট। আর হিরো আলম পেয়েছেন ৮ ভোট। আর শতকরা হারে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে ৩৩ নম্বর কেন্দ্রে [বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়, পশ্চিম ভাষানটেক, ঢাকা (নিচতলা ও ২য় তলা) (মহিলা ভোটার-১) কেন্দ্র-১ ]। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিল ২ হাজার ৯৯৪ টি। ভোট পড়েছে ৮৭৬ টি। শতকরা হিসেবে যা ২৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এই কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন আরাফাত। তিনি পেয়েছেন ৭৮২ ভোট। আর হিরো আলম পেয়েছেন ২৫ ভোট।
ফলাফল বিশ্লেষণ করে আরো জানা যায়, ২৯টি কেন্দ্রে ১০০ এর কম ভোট পেয়েছেন আরাফাত। আর ৫০ ভোটের কম পেয়েছেন ১১টি কেন্দ্রে।
কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, জাতীয় পার্টির সিকদার আনিসুর রহমান (লাঙ্গল) ১ টি, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. রেজাউল ইসলাম স্বপন (ডাব) ৮৭, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আকতার হোসেন (ছড়ি) ৭৫, জাকের পার্টির কাজী মো. রাশিদুল হাসান (গোলাপ ফুল) ৭, তৃণমূল বিএনপির শেখ হাবিবুর রহমান (সোনালী আঁশ) ৩৪ এবং নির্বাচনের দিন ভোট বর্জন করা স্বতন্ত্র প্রার্থী মো তারিকুল ইসলাম ভূইয়া (ট্রাক) ৮৪টি কেন্দ্রে কোনো ভোট পাননি।
ভোটের হারের বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, ‘টার্ন আউট আরো বেশি হলে ভালো। তবে ইসি তো ভোট জোর করে নিতে পারে না। যেমন অস্ট্রেলিয়ায় ভোট দিতে না গেলে ৫০ ডলার জরিমানা। সেটা তো আর আমরা করতে পারি না।’
মো. আলমগীর বলেন, ‘মাইকিং করা হয়েছে। ভোট দিতে আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। ব্যালটে আমরা ভোট করেছি এতে স্ট্যাম্পিং হয় নাই। যেটা নিয়ে আমরা বেশি ভয় পেয়েছিলাম। এর কারণে কোনো বিশৃঙ্খলা বা অঘটন ঘটেনি। সেদিক দিয়ে সাকসেস।’

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেল জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী ৯১ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।
২১ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চারটি আসনেই গণভোটে নিরঙ্কুশভাবে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়েছে। আসনগুলোতে ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৯টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। এর বিপরীতে ‘না’ ভোট বেছে নিয়েছেন ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৫৭ জন।
২৬ মিনিট আগে
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে পাঁচজনই তাঁদের জামানতের টাকা হারিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জাতীয় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি জয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
১ ঘণ্টা আগে