
অনলাইন ডেস্ক
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মিল্লাত উচ্চবিদ্যালয়ের আন্তশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘দ্যা গ্রেটেস্ট মিল্লাত’-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ মাঠে এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় ৫-১ গোলে ১০ম শ্রেণি জয়লাভ করে টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হয়। রানার্সআপ হয় ৮ম শ্রেণির ‘খ’ শাখা। ম্যাচ শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে ট্রফিসহ বিভিন্ন পুরস্কার দেওয়া হয়।
এর আগে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গাজী বখতীয়ার হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার উদ্বোধন করেন।
গাজী বখতীয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা অনুভব করি পড়াশোনার পাশাপাশি মেধা বিকাশে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অনেক। তাই ছাত্রছাত্রীদের ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘মিল্লাত উচ্চবিদ্যালয়’ এক অনন্য নাম। আপনার সন্তানকে খেলাধুলায় উৎসাহ দেবেন। তাদের বিদ্যালয়ে পাঠান, আমরা আপনার সন্তানকে একজন যোগ্য সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে পারব বলে আশা করি।’ পুরো আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম দ্যা গ্রেটেস্ট মিল্লাত পাশে থাকায় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
টুর্নামেন্টের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের দিবা শাখার সহ প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার কর্মকার, প্রভাতি শাখার সহ প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ জাবেদ, শিক্ষক মো. আবদুল হান্নান, মনিতাজ বেগম, মাহমুদা ইয়াসমিন, হামিদুর রহমান, মোক্তারুজ্জামান, মো. কামাল হোসেন, জাহিদা জিনাত, ফারহানা আফরোজ সুরভী, আফরোজা আম্বিয়া, হামিদুল ইসলাম, বিলকিস নাহার, আরফাতুর রহমান শাওন, সহ প্রাক্তন শিক্ষার্থী দ্যা গ্রেটেস্ট মিল্লাত-এর সমন্বয়কারী ও প্রধান উপদেষ্টা মোহা. হাবিবুল ইসলাম সুমন, আহবায়ক সোহেল রানা বাবু, সদস্যসচিব ফয়সাল হোসেন, রাব্বি রহমান রনো প্রমুখ।

অনলাইন ডেস্ক
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মিল্লাত উচ্চবিদ্যালয়ের আন্তশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘দ্যা গ্রেটেস্ট মিল্লাত’-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ মাঠে এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় ৫-১ গোলে ১০ম শ্রেণি জয়লাভ করে টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হয়। রানার্সআপ হয় ৮ম শ্রেণির ‘খ’ শাখা। ম্যাচ শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে ট্রফিসহ বিভিন্ন পুরস্কার দেওয়া হয়।
এর আগে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গাজী বখতীয়ার হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার উদ্বোধন করেন।
গাজী বখতীয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা অনুভব করি পড়াশোনার পাশাপাশি মেধা বিকাশে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অনেক। তাই ছাত্রছাত্রীদের ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘মিল্লাত উচ্চবিদ্যালয়’ এক অনন্য নাম। আপনার সন্তানকে খেলাধুলায় উৎসাহ দেবেন। তাদের বিদ্যালয়ে পাঠান, আমরা আপনার সন্তানকে একজন যোগ্য সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে পারব বলে আশা করি।’ পুরো আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম দ্যা গ্রেটেস্ট মিল্লাত পাশে থাকায় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
টুর্নামেন্টের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের দিবা শাখার সহ প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার কর্মকার, প্রভাতি শাখার সহ প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ জাবেদ, শিক্ষক মো. আবদুল হান্নান, মনিতাজ বেগম, মাহমুদা ইয়াসমিন, হামিদুর রহমান, মোক্তারুজ্জামান, মো. কামাল হোসেন, জাহিদা জিনাত, ফারহানা আফরোজ সুরভী, আফরোজা আম্বিয়া, হামিদুল ইসলাম, বিলকিস নাহার, আরফাতুর রহমান শাওন, সহ প্রাক্তন শিক্ষার্থী দ্যা গ্রেটেস্ট মিল্লাত-এর সমন্বয়কারী ও প্রধান উপদেষ্টা মোহা. হাবিবুল ইসলাম সুমন, আহবায়ক সোহেল রানা বাবু, সদস্যসচিব ফয়সাল হোসেন, রাব্বি রহমান রনো প্রমুখ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে