নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃত্যকলা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার স্বামী ইফতেখার আবেদীনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার ঢাকার মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই সালাউদ্দিন মোল্লা আসামি ইফতেখারকে আদালতে হাজির করেন। অন্যদিকে ইফতেখারের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়। আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২২ ডিসেম্বর তৃতীয় দফা রিমান্ডে নেওয়া হয় ইফতেখারকে। এর আগে ১৯ ডিসেম্বর ইফতেখারকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার আগে ১৫ ডিসেম্বর ইফতেখারকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। আগের দিন ইফতেখারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গুলশান থানা-পুলিশ গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে ইলমা চৌধুরীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাঁর বাবা মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ২ এপ্রিল ইলমা চৌধুরীর সঙ্গে ইফতেখার আবেদীনের বিয়ে হয়। ইলমা চৌধুরীকে বিয়ের পর থেকেই পড়াশোনা বন্ধ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন স্বামী ইফতেখার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পড়াশোনা বন্ধ করতে রাজি না হওয়ায় ইলমা চৌধুরীকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করেন তাঁর স্বামী। এদিকে তিন মাস পর স্বামী ইফতেখার কানাডায় চলে যান। সম্প্রতি দেশে ফিরে আবারও ইলমা চৌধুরীর ওপর নির্যাতন শুরু করেন তিনি।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, ১৪ ডিসেম্বর ইলমা চৌধুরীকে সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইফতেখার, তাঁর মা শিরিন আমিন ও ইফতেখারের পালক বাবা মোহাম্মদ আমিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করেছেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, ইলমা চৌধুরীর নাকে কালচে দাগ, ওপরের ঠোঁট, বাঁ কান, থুতনি, পিঠ, পায়ের আঙুল, পায়ের হাঁটুর নিচে কাটাছেঁড়া ও আঘাতের চিহ্ন ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃত্যকলা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার স্বামী ইফতেখার আবেদীনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার ঢাকার মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তৃতীয় দফা রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই সালাউদ্দিন মোল্লা আসামি ইফতেখারকে আদালতে হাজির করেন। অন্যদিকে ইফতেখারের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়। আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২২ ডিসেম্বর তৃতীয় দফা রিমান্ডে নেওয়া হয় ইফতেখারকে। এর আগে ১৯ ডিসেম্বর ইফতেখারকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার আগে ১৫ ডিসেম্বর ইফতেখারকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। আগের দিন ইফতেখারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গুলশান থানা-পুলিশ গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে ইলমা চৌধুরীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাঁর বাবা মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ২ এপ্রিল ইলমা চৌধুরীর সঙ্গে ইফতেখার আবেদীনের বিয়ে হয়। ইলমা চৌধুরীকে বিয়ের পর থেকেই পড়াশোনা বন্ধ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন স্বামী ইফতেখার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পড়াশোনা বন্ধ করতে রাজি না হওয়ায় ইলমা চৌধুরীকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করেন তাঁর স্বামী। এদিকে তিন মাস পর স্বামী ইফতেখার কানাডায় চলে যান। সম্প্রতি দেশে ফিরে আবারও ইলমা চৌধুরীর ওপর নির্যাতন শুরু করেন তিনি।
মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, ১৪ ডিসেম্বর ইলমা চৌধুরীকে সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইফতেখার, তাঁর মা শিরিন আমিন ও ইফতেখারের পালক বাবা মোহাম্মদ আমিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করেছেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, ইলমা চৌধুরীর নাকে কালচে দাগ, ওপরের ঠোঁট, বাঁ কান, থুতনি, পিঠ, পায়ের আঙুল, পায়ের হাঁটুর নিচে কাটাছেঁড়া ও আঘাতের চিহ্ন ছিল।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি শুধু ঝালকাঠির নন, তিনি পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। হাদি হত্যার বিচার অবশ্যই হবে—এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুপার্ক...
১৬ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে না পারলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার রাত ৯টার পর এই ঘোষণা না দিতে পারলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে বলে সাবধান করেন তারা।
২৯ মিনিট আগে
গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি। মানুষ যাতে ঘরে বসে মৌলিক চিকিৎসাসেবা নিতে পারে, সে জন্য তৃণমূলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।
৩৯ মিনিট আগে