নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের দিনে হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের শনাক্তে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে যাচ্ছেন ‘একতারা’ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টায় তিনি ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। হামলায় সরাসরি জড়িতদের শনাক্তের উদ্দেশ্যে তাঁকে ডাকা হয়েছে। হিরো আলম নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হিরো আলম বলেন, ‘আমার ওপরে হামলার ঘটনায় আমি মামলা করেছি। হামলায় যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করার জন্য ডিবির প্রধান হারুন অর রশিদ আমাকে ডিবি কার্যালয় ডেকেছেন।’
এর আগে ১৭ জুলাই উপনির্বাচনের দিন বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে একদল লোক হিরো আলমকে মারধর করেন। মারধর থেকে বাঁচতে হিরো আলম দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি রামপুরার বেটার লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৫-২০ জনকে আসামি করে বনানী থানায় মামলা করেন হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী মো. সুজন রহমান শুভ (২৫)।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সোমবার সকাল থেকে ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর পর হিরো আলম বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করতে থাকেন। বেলা সাড়ে ৩টায় হিরো আলম বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। প্রায় ৪০ মিনিট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে পাঁচ-ছয়জন সহযোগীসহ হিরো আলম বের হয়ে আসার সময় অজ্ঞাতপরিচয় ১৫-২০ জন তাঁর গতি রোধ করে গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে হিরো আলমকে আক্রমণ করে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মারধরের একপর্যায়ে তাঁদের মধ্য থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ের একজন হত্যার উদ্দেশ্যে হিরো আলমের কলার চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। এর মধ্যে আরেকজন এসে হিরো আলমের তলপেটে লাথি মারলে তিনি রাস্তায় পড়ে যান।
মামলার বাদী ও হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহযোগী সুজন রহমান শুভ এজাহারে আরও অভিযোগ করেন, হিরো আলম রাস্তায় পড়ে যাওয়ার পর বাকি আসামিরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে এবং টানাহেঁচড়া করে। এ সময় হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী রাজীব খন্দকার, রনি ও আল-আমিন তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁদেরও মারধর করে জখম করে আসামিরা।
হামলার ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার শুনানি শেষে গ্রেপ্তার ছানোয়ার কাজী ও বিপ্লব হোসেনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিবের আদালত। অপর পাঁচ আসামি মাহমুদুল হাসান মেহেদী, মুজাহিদ খান, আশিক সরকার, হৃদয় শেখ ও সোহেল মোল্লাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রদূত উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।

ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের দিনে হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের শনাক্তে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে যাচ্ছেন ‘একতারা’ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টায় তিনি ডিবি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। হামলায় সরাসরি জড়িতদের শনাক্তের উদ্দেশ্যে তাঁকে ডাকা হয়েছে। হিরো আলম নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হিরো আলম বলেন, ‘আমার ওপরে হামলার ঘটনায় আমি মামলা করেছি। হামলায় যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করার জন্য ডিবির প্রধান হারুন অর রশিদ আমাকে ডিবি কার্যালয় ডেকেছেন।’
এর আগে ১৭ জুলাই উপনির্বাচনের দিন বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে একদল লোক হিরো আলমকে মারধর করেন। মারধর থেকে বাঁচতে হিরো আলম দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি রামপুরার বেটার লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৫-২০ জনকে আসামি করে বনানী থানায় মামলা করেন হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী মো. সুজন রহমান শুভ (২৫)।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সোমবার সকাল থেকে ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর পর হিরো আলম বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করতে থাকেন। বেলা সাড়ে ৩টায় হিরো আলম বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। প্রায় ৪০ মিনিট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে পাঁচ-ছয়জন সহযোগীসহ হিরো আলম বের হয়ে আসার সময় অজ্ঞাতপরিচয় ১৫-২০ জন তাঁর গতি রোধ করে গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে হিরো আলমকে আক্রমণ করে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মারধরের একপর্যায়ে তাঁদের মধ্য থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ের একজন হত্যার উদ্দেশ্যে হিরো আলমের কলার চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন। এর মধ্যে আরেকজন এসে হিরো আলমের তলপেটে লাথি মারলে তিনি রাস্তায় পড়ে যান।
মামলার বাদী ও হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহযোগী সুজন রহমান শুভ এজাহারে আরও অভিযোগ করেন, হিরো আলম রাস্তায় পড়ে যাওয়ার পর বাকি আসামিরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে এবং টানাহেঁচড়া করে। এ সময় হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী রাজীব খন্দকার, রনি ও আল-আমিন তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁদেরও মারধর করে জখম করে আসামিরা।
হামলার ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার শুনানি শেষে গ্রেপ্তার ছানোয়ার কাজী ও বিপ্লব হোসেনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিবের আদালত। অপর পাঁচ আসামি মাহমুদুল হাসান মেহেদী, মুজাহিদ খান, আশিক সরকার, হৃদয় শেখ ও সোহেল মোল্লাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রদূত উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
২৬ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে