নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক বিএনপি নেতা ছাদ থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম আব্দুর রশীদ (৩৮)। তিনি আদাবর থানা ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। আজ রোববার সকালে মোহাম্মদপুর টাউন হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। বিএনপি বলছে, তাঁকে পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, বাসে আগুন দিয়ে পথচারীদের ধাওয়ায় পালাতে ছাদে উঠেছিলেন ওই ব্যক্তি। পরে লাফিয়ে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আব্দুর রশীদ আদাবর থানার সাবেক যুবদল নেতা এবং বর্তমান আদাবর থানা ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক। আজ রোববার দুপুরে হরতালের সমর্থনে মিছিল শেষে ফেরার সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পিটিয়ে এবং একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে ফেলে তাঁকে হত্যা করেছে।’
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আজিজুল হক বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের টাউন হলের সামনে পরিস্থান পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী মিনিবাসে আগুন দেন এক ব্যক্তি। এতে বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। দুজন দগ্ধ হন। আগুন দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তিকে পথচারীরা ধাওয়া করেন। ওই ব্যক্তি দৌড়ে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন সড়কের একটি নির্মাণাধীন ভবনে উঠে যায়। সেখানে লোকজন তাঁকে ঘেরাও করলে ওই ব্যক্তি লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।’
তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তির পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে তাঁর নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁর নাম আব্দুর রশীদ। গ্রামের বাড়ি নাটোরে। নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে এক বিএনপি নেতা ছাদ থেকে পড়ে নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম আব্দুর রশীদ (৩৮)। তিনি আদাবর থানা ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। আজ রোববার সকালে মোহাম্মদপুর টাউন হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। বিএনপি বলছে, তাঁকে পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, বাসে আগুন দিয়ে পথচারীদের ধাওয়ায় পালাতে ছাদে উঠেছিলেন ওই ব্যক্তি। পরে লাফিয়ে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আব্দুর রশীদ আদাবর থানার সাবেক যুবদল নেতা এবং বর্তমান আদাবর থানা ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক। আজ রোববার দুপুরে হরতালের সমর্থনে মিছিল শেষে ফেরার সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পিটিয়ে এবং একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে ফেলে তাঁকে হত্যা করেছে।’
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আজিজুল হক বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের টাউন হলের সামনে পরিস্থান পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী মিনিবাসে আগুন দেন এক ব্যক্তি। এতে বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। দুজন দগ্ধ হন। আগুন দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তিকে পথচারীরা ধাওয়া করেন। ওই ব্যক্তি দৌড়ে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন সড়কের একটি নির্মাণাধীন ভবনে উঠে যায়। সেখানে লোকজন তাঁকে ঘেরাও করলে ওই ব্যক্তি লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।’
তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তির পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে তাঁর নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁর নাম আব্দুর রশীদ। গ্রামের বাড়ি নাটোরে। নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে