
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সাবেক সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ রইস উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের এক বছর পেরিয়ে গেলেও এজাহারভুক্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে সংগঠনটি।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি পুরানা পল্টন ঘুরে আবারও প্রেসক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। পরে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও ইসলামী ফ্রন্টের সাংগঠনিক সচিব অ্যাডভোকেট কাজী মোহাম্মদ ইসলাম উদ্দীন দুলাল এবং পরিচালনা করেন নগর সিনিয়র সহসভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম। তাঁরা ছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা আবু সুফিয়ান আবেদী আল কাদরী, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মাহমুদ ভূঁইয়া মানিক, যুগ্ম সাংগঠনিক কাজী জসিম উদ্দীন সিদ্দিকী আশরাফী, ইসলামী যুবসেনার সভাপতি ডা. এস এম সরওয়ার, কেন্দ্রীয় সদস্য পির মুফতি গিয়াস উদ্দীন তাহেরী প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন—মব করে তাঁদের ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। মবের জনক হিসেবে তাঁরা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নাম উল্লেখ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হলে পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, এজাহারভুক্ত ১৭ জনসহ সকল আসামির দ্রুত গ্রেপ্তার, ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে দ্রুত বিচার, দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং সারা দেশে ‘মব ভায়োলেন্স’ প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি তোলেন বক্তারা।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ সউম আব্দুস সামাদ বলেন, ‘এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত না হলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা নষ্ট হবে।’ তিনি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের হায়দারাবাদ এলাকায় ‘মব ভায়োলেন্স’-এর শিকার হন মাওলানা রইস উদ্দিন। মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাঁকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয় এবং সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ভিডিও ফুটেজে জড়িতদের পরিচয় স্পষ্ট থাকা সত্ত্বেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার না করা আইনের শাসনের চরম ব্যত্যয় বলে দাবি করা হয়।
সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ সউম আব্দুস সামাদ স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ও প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা তদন্তে গড়িমসি করছেন এবং অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে বিচার দাবিতে আন্দোলনরত নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগও তুলে ধরা হয়।

রাজধানীর দক্ষিণখানে পুলিশ কর্মকর্তাকে ‘ইয়াবা কারবারির’ তকমা লাগিয়ে গণধোলাইয়ে ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম মো. আনিসুর রহমান। তিনি বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটিতে (এভসেক) সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত।
১১ মিনিট আগে
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজে সাংবাদিকদের সংগঠন ‘এমসি কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি’র ২০২৬-২৭ সেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি লবীব আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. বদরুল আমিনকে মনোনীত করা হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
ফরিদপুরে তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী এলাকায় আজ সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারী ব্যক্তি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাঙালিসহ ১২টি সম্প্রদায়ের ঐক্যই এই জনপদের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা...
২৫ মিনিট আগে