আজকের পত্রিকা ডেস্ক

শহীদ নূর হোসেন স্মরণে ও ‘অগণতান্ত্রিক শক্তির অপসারণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার’ দাবিতে রাজধানীর গুলিস্থান জিরো পয়েন্টে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে আওয়ামী লীগের কোনো জিরো পয়েন্টে কর্মী–সমর্থককে দেখা যায়নি। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও ছাত্র–জনতা নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সেখানে এখন বিক্ষোভ চলছে। পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে।
কর্মসূচি ঘোষণার পর গতকাল শনিবার রাত থেকেই জিরো পয়েন্টে অবস্থান নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। তাঁদের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরাও আজ সকাল থেকে যোগ দেয়। সকালে উত্তেজনা থাকলেও বেলা ১০টা থেকে জিরো পয়েন্টে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে চারপাশে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ ছাড়া এ বিষয়ে আগে থেকেই কঠোর অবস্থানে থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।
সকাল ১০টায় গুলিস্থান জিরোপয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, গুলিস্থান জিরো পয়েন্টের শহীদ নূর হোসেন চত্বরে অবস্থান নেয় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা একটু পরপর মিছিল নিয়ে জিরো পয়েন্টে জমায়েত হতে থাকে।
এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন সৃষ্টি না হয় সে জন্য এলাকার চারপাশে অবস্থান নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিট। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন—রমনা জোনের ডিসি, এডিসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব কর্মসূচির জন্য সড়কে যেন যানজট সৃষ্টি না হয় সে জন্য অতিরিক্ত ট্রাফিক সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ইউনিফর্ম ও ইউনিফর্ম ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সদস্যকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশের এপিসি, জলকামানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
সেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রাত থেকেই গুলিস্থান এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো অসুবিধা যেন না হয় সে বিষয়গুলো আমরা খেয়াল রাখছি। কর্মসূচি ঘিরে যেন যানজট সৃষ্টি হয়, আমাদের সদস্যরা সড়কে সে বিষয়ে কাজ করছেন।
এর আগে সকাল ৮টার দিকে শহীদ নূর হোসেনের পরিবারসহ রাজনৈতিক সংগঠন নূর চত্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। নূর হোসেনের পরিবারের সদস্যরা বলেন, আওয়ামী লীগ জোর করে নূর হোসেনকে যুবলীগের কর্মী দাবি করত, আসলে সে যুবলীগ করত না, সে ছিল সাধারণ মানুষ।
শ্রদ্ধা জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, গণতন্ত্রের জন্য নূর হোসেন জীবন দিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগ নূর হোসেনকে নিজেদের দলের বলে দাবি করত। আসলে সে ছিল সাধারণ মানুষ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই সরকার গঠনের সময় দেশের সব মানুষের সমর্থন ছিল। তবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ না করতে পারা, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের গ্রেপ্তার না করায় সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার শাহরিয়ার আলী বলেন, যে কোনো কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। গুলিস্তানের কর্মসূচি ঘিরেও পুলিশের কঠোর অবস্থান রয়েছে। বিশেষ কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনকে রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না। সেই সঙ্গে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এর আগে শনিবার (৯ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়। বিপরীতে একই স্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে গণজমায়েতের ডাক দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুকে ঘোষণা দেন, পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো বিক্ষোভ করছেন বিএনপির ঢাকার বিভিন্ন ইউনিটের নেতা–কর্মীরা। তাঁরা সকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে বিএনপির নেতা–কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।
সকালের দিকে আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে কয়েকজনকে মারধর ও পুলিশে সোপর্দ করেন তাঁরা।

শহীদ নূর হোসেন স্মরণে ও ‘অগণতান্ত্রিক শক্তির অপসারণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার’ দাবিতে রাজধানীর গুলিস্থান জিরো পয়েন্টে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে আওয়ামী লীগের কোনো জিরো পয়েন্টে কর্মী–সমর্থককে দেখা যায়নি। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও ছাত্র–জনতা নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সেখানে এখন বিক্ষোভ চলছে। পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে।
কর্মসূচি ঘোষণার পর গতকাল শনিবার রাত থেকেই জিরো পয়েন্টে অবস্থান নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। তাঁদের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরাও আজ সকাল থেকে যোগ দেয়। সকালে উত্তেজনা থাকলেও বেলা ১০টা থেকে জিরো পয়েন্টে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে চারপাশে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ ছাড়া এ বিষয়ে আগে থেকেই কঠোর অবস্থানে থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।
সকাল ১০টায় গুলিস্থান জিরোপয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, গুলিস্থান জিরো পয়েন্টের শহীদ নূর হোসেন চত্বরে অবস্থান নেয় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা একটু পরপর মিছিল নিয়ে জিরো পয়েন্টে জমায়েত হতে থাকে।
এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন সৃষ্টি না হয় সে জন্য এলাকার চারপাশে অবস্থান নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিট। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন—রমনা জোনের ডিসি, এডিসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব কর্মসূচির জন্য সড়কে যেন যানজট সৃষ্টি না হয় সে জন্য অতিরিক্ত ট্রাফিক সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ইউনিফর্ম ও ইউনিফর্ম ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সদস্যকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশের এপিসি, জলকামানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
সেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রাত থেকেই গুলিস্থান এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো অসুবিধা যেন না হয় সে বিষয়গুলো আমরা খেয়াল রাখছি। কর্মসূচি ঘিরে যেন যানজট সৃষ্টি হয়, আমাদের সদস্যরা সড়কে সে বিষয়ে কাজ করছেন।
এর আগে সকাল ৮টার দিকে শহীদ নূর হোসেনের পরিবারসহ রাজনৈতিক সংগঠন নূর চত্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। নূর হোসেনের পরিবারের সদস্যরা বলেন, আওয়ামী লীগ জোর করে নূর হোসেনকে যুবলীগের কর্মী দাবি করত, আসলে সে যুবলীগ করত না, সে ছিল সাধারণ মানুষ।
শ্রদ্ধা জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, গণতন্ত্রের জন্য নূর হোসেন জীবন দিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগ নূর হোসেনকে নিজেদের দলের বলে দাবি করত। আসলে সে ছিল সাধারণ মানুষ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই সরকার গঠনের সময় দেশের সব মানুষের সমর্থন ছিল। তবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ না করতে পারা, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের গ্রেপ্তার না করায় সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার শাহরিয়ার আলী বলেন, যে কোনো কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। গুলিস্তানের কর্মসূচি ঘিরেও পুলিশের কঠোর অবস্থান রয়েছে। বিশেষ কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনকে রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না। সেই সঙ্গে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এর আগে শনিবার (৯ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়। বিপরীতে একই স্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে গণজমায়েতের ডাক দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুকে ঘোষণা দেন, পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো বিক্ষোভ করছেন বিএনপির ঢাকার বিভিন্ন ইউনিটের নেতা–কর্মীরা। তাঁরা সকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে বিএনপির নেতা–কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।
সকালের দিকে আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে কয়েকজনকে মারধর ও পুলিশে সোপর্দ করেন তাঁরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগে ঢাকা-৭ আসনের প্রার্থীরা সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, কুশল বিনিময় এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তবে ভোটারদের অনেকে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
১১ মিনিট আগে
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তার কার্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী লুৎফা বেগম। অফিস করেন টয়োটা ব্র্যান্ডের ল্যান্ডক্রুজার ডাবল কেবিনের একটি পিকআপে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাড়িটির মালিক ঢাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর।
১১ মিনিট আগে
ব্যক্তিগত ক্ষমতার প্রদর্শনে সংকটে পড়েছে রাষ্ট্রীয় একটি বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র। পাবনার টেবুনিয়ায় বিএডিসি বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ ও হেনস্তার অভিযোগে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। একটি সংঘবদ্ধ চক্র শিক্ষার্থীদের মোবাইলে কল করে এবং ফেসবুকে নানাভাবে হয়রানি করছে। শারীরিকভাবে ক্যাম্পাসে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন তাঁরা। এসব ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করাসহ অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
২৬ মিনিট আগে