আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বহুল আলোচিত ভারতীয় ফেনসিডিল পাচার আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এক মাস আগে উৎপাদিত এই ফেনসিডিল বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে ভিসা বন্ধ থাকায় সীমান্তে কড়াকড়ি চলছে। এ অবস্থায় রাজশাহীতে বিভিন্ন বসতঘর থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
আজ রোববার রাজশাহী মহানগর পুলিশের দামকুড়া থানা এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে একটি বসতঘর থেকে ২০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে লিপি বেগম নামের এক নারীকেও গ্রেপ্তার করে। এক দিন আগে সেখান থেকে আরও প্রায় অর্ধ শতাধিক ফেনসিডিল উদ্ধার করে এই গোয়েন্দা বিভাগ।
রাজশাহী গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিচালক জিললুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় ভারতে বেশ কয়েকটি ফেনসিডিল কারখানা রয়েছে। তারা সেখানে উৎপাদন করে আর দুই দেশের মাদক কারবারি তা পাচার করে। আমরা সার্বক্ষণিক বিষয়টির ওপর নজরদারি করে থাকি।’
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সাতক্ষীরা, রাজশাহী, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও কুমিল্লা বিবাড়ীয়া সীমান্ত দিয়েই ফেনসিডিল আসে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এতে আসক্ত। ডোপ টেস্ট চালুর মাধ্যমে এটিকে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে কমিয়ে আনা যায়।’
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিলের বোতলগুলো ভারতীয় এবং এগুলো এক মাস আগেই উৎপাদিত। সাধারণত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে এই ফেনসিডিল বাংলাদেশে প্রবেশ করে। যদিও ভিসা বন্ধ থাকায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, তারপরও মাদক কারবারিরা নতুন নতুন পথ বেছে নিচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পাচারচক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তে কড়াকড়ির মধ্যে এভাবে ফেনসিডিল আসা পাচারকারীদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা না হলে মাদকের প্রবাহ বন্ধ করা কঠিন হবে।

বহুল আলোচিত ভারতীয় ফেনসিডিল পাচার আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এক মাস আগে উৎপাদিত এই ফেনসিডিল বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে ভিসা বন্ধ থাকায় সীমান্তে কড়াকড়ি চলছে। এ অবস্থায় রাজশাহীতে বিভিন্ন বসতঘর থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধারের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
আজ রোববার রাজশাহী মহানগর পুলিশের দামকুড়া থানা এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে একটি বসতঘর থেকে ২০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে লিপি বেগম নামের এক নারীকেও গ্রেপ্তার করে। এক দিন আগে সেখান থেকে আরও প্রায় অর্ধ শতাধিক ফেনসিডিল উদ্ধার করে এই গোয়েন্দা বিভাগ।
রাজশাহী গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিচালক জিললুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় ভারতে বেশ কয়েকটি ফেনসিডিল কারখানা রয়েছে। তারা সেখানে উৎপাদন করে আর দুই দেশের মাদক কারবারি তা পাচার করে। আমরা সার্বক্ষণিক বিষয়টির ওপর নজরদারি করে থাকি।’
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সাতক্ষীরা, রাজশাহী, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও কুমিল্লা বিবাড়ীয়া সীমান্ত দিয়েই ফেনসিডিল আসে। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এতে আসক্ত। ডোপ টেস্ট চালুর মাধ্যমে এটিকে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে কমিয়ে আনা যায়।’
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিলের বোতলগুলো ভারতীয় এবং এগুলো এক মাস আগেই উৎপাদিত। সাধারণত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে এই ফেনসিডিল বাংলাদেশে প্রবেশ করে। যদিও ভিসা বন্ধ থাকায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, তারপরও মাদক কারবারিরা নতুন নতুন পথ বেছে নিচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পাচারচক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তে কড়াকড়ির মধ্যে এভাবে ফেনসিডিল আসা পাচারকারীদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টা না হলে মাদকের প্রবাহ বন্ধ করা কঠিন হবে।

আজ শুক্রবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টায় শুরু হয়। পরীক্ষা চলাকালে এক ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক তাঁর দিকে নজর দেন। এ সময় তিনি দেখতে পান ওই শিক্ষা
৩ মিনিট আগে
কুমিল্লার মুরাদনগরে র্যাবের বিশেষ অভিযানে পুলিশের লুট হওয়া একটি চায়নিজ রাইফেল ও একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৪১ মিনিট আগে
প্রতীক বরাদ্দের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের প্রচার করায় রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী মু. সাঈদ নোমানকে আদালতে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাঁকে সশরীর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
‘আমি যদি ভোট পাওয়ার মতো কাজ করে থাকি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকেরাও আমাকে ভোট দেবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের শতভাগ ভোট পাব।’ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাকসুর...
২ ঘণ্টা আগে