নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেছেন। সরকার দলীয় নেতাদের এই বিভেদ নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। আমি বলতে চাই, শামীম ওসমানের পায়ে তৈমুর আলম খন্দকার হাঁটে না। গত ৫০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। আমার এমন কোনো অবস্থা হয় নাই, যে শামীম ওসমান বা সেলিম ওসমানের পায়ে আমাকে হাঁটতে হবে।’
আজ রোববার দুপুরে মাসদাইর মজলুম মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর এ কথা বলেন। আসন্ন নাসিক নির্বাচনের আরেক মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর করা মন্তব্যের জবাব ও তৈমূর আলমের অনুসারীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশের অভিযানের বিষয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
তৈমূর বলেন, ‘সরকারদলীয় প্রার্থীর পায়ের নিচে মাটি এতটাই সরে গেছে যে, পুলিশ প্রশাসনের লোক দিয়ে ভয়ভীতি দেখাতে হচ্ছে। আমার দলসহ বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা, যারা হাতির পক্ষে নেমেছে, তাদের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে সরকারি মার্কার পক্ষে কাজ করতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার নির্বাচনী পথসভায় অংশগ্রহণ করায় ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের বাসায় তল্লাশি করে পুলিশ। একইভাবে ২৭টি ওয়ার্ডে আমার সমর্থক ও নেতৃবৃন্দকে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দ্বারা হয়রানি করা হচ্ছে।’
আইভীর সমালোচনা করে তৈমূর বলেন, ‘নৌকা মার্কার প্রার্থী গত ১৮ বছরে মানুষকে দুর্ভোগ ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেননি। নির্বাচনে রাষ্ট্রের সুবিধা নিয়ে একের পর এক আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। তাঁর সরকারি দেহরক্ষী, পিএস, গার্বেজ ট্রাক, কর্মচারীরা তাঁর প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া নাসিকের ঠিকাদারেরা প্রতিটি ওয়ার্ডে নৌকা মার্কায় নির্বাচন পরিচালনা করছেন।’
তৈমূর বলেন, ‘পৌরসভা আমল থেকে সিটি করপোরেশনের মাত্র ৩ / ৪ জন ঠিকাদার কোটি কোটি টাকার টেন্ডারের কাজ পেয়েছেন। আমাদের তথ্যমতে, এই সিন্ডিকেট গত ১০ বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার টেন্ডার পেয়েছে। তারা এতটাই শক্তিশালী যে, আইভীর বাড়ির পাশে দেয়াল চাপায় শ্রমিক মৃত্যু, বন্দরে শিশু আহত হওয়ার ঘটনা ঘটলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেছেন। সরকার দলীয় নেতাদের এই বিভেদ নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। আমি বলতে চাই, শামীম ওসমানের পায়ে তৈমুর আলম খন্দকার হাঁটে না। গত ৫০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। আমার এমন কোনো অবস্থা হয় নাই, যে শামীম ওসমান বা সেলিম ওসমানের পায়ে আমাকে হাঁটতে হবে।’
আজ রোববার দুপুরে মাসদাইর মজলুম মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর এ কথা বলেন। আসন্ন নাসিক নির্বাচনের আরেক মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর করা মন্তব্যের জবাব ও তৈমূর আলমের অনুসারীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশের অভিযানের বিষয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
তৈমূর বলেন, ‘সরকারদলীয় প্রার্থীর পায়ের নিচে মাটি এতটাই সরে গেছে যে, পুলিশ প্রশাসনের লোক দিয়ে ভয়ভীতি দেখাতে হচ্ছে। আমার দলসহ বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা, যারা হাতির পক্ষে নেমেছে, তাদের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে সরকারি মার্কার পক্ষে কাজ করতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার নির্বাচনী পথসভায় অংশগ্রহণ করায় ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের বাসায় তল্লাশি করে পুলিশ। একইভাবে ২৭টি ওয়ার্ডে আমার সমর্থক ও নেতৃবৃন্দকে পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দ্বারা হয়রানি করা হচ্ছে।’
আইভীর সমালোচনা করে তৈমূর বলেন, ‘নৌকা মার্কার প্রার্থী গত ১৮ বছরে মানুষকে দুর্ভোগ ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেননি। নির্বাচনে রাষ্ট্রের সুবিধা নিয়ে একের পর এক আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন। তাঁর সরকারি দেহরক্ষী, পিএস, গার্বেজ ট্রাক, কর্মচারীরা তাঁর প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া নাসিকের ঠিকাদারেরা প্রতিটি ওয়ার্ডে নৌকা মার্কায় নির্বাচন পরিচালনা করছেন।’
তৈমূর বলেন, ‘পৌরসভা আমল থেকে সিটি করপোরেশনের মাত্র ৩ / ৪ জন ঠিকাদার কোটি কোটি টাকার টেন্ডারের কাজ পেয়েছেন। আমাদের তথ্যমতে, এই সিন্ডিকেট গত ১০ বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার টেন্ডার পেয়েছে। তারা এতটাই শক্তিশালী যে, আইভীর বাড়ির পাশে দেয়াল চাপায় শ্রমিক মৃত্যু, বন্দরে শিশু আহত হওয়ার ঘটনা ঘটলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে