নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইতালিতে কাজের ভিসাপ্রত্যাশী অভিবাসীকর্মীরা দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরেও অ্যাপয়েন্টমেন্ট না পাওয়ায় নানা ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। এক বছর ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন ১ লাখ ১০ হাজার ভিসাপ্রত্যাশী। দালালের দৌরাত্ম্য, প্রতারকদের হয়রানি এবং ভিএফএস গ্লোবালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে তাঁদের।
আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্র্যাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ মাইগ্রেশন ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (বিএমডিএফ), ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতি ও বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা দ্রুত অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালুর মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে বাংলাদেশ ও ইতালি সরকারের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
ইতালবাংলা সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ তাইফুর রহমান বলেন, ‘এক বছর ধরে আটকে থাকা ১ লাখ ১০ হাজার ভিসা ডেলিভারি সমস্যা সমাধানে আমরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ চাই। গত ৮ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে আমরা প্রধান উপদেষ্টা ড. মহাম্মদ ইউনূসের কাছে এসব সমস্যা সমাধানে দাবি জানালে তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে কথা বলেন। ফলে ভিসা সমস্যার আংশিক সুরাহা হয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকার ইতালিয়ান দূতাবাস ডিসেম্বরের মধ্যে অন্তত ২০ হাজার পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে ইতালি ভিসাপ্রত্যাশীদের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার। যদি এক বছর পরেও ৪০ হাজার পাসপোর্ট ডেলিভারি করা সম্ভব না হয়, তাহলে ১ লাখ ১০ হাজার পাসপোর্টের কাজ করতে আরও অন্তত দুই-তিন বছর সময় লাগবে। এতে বাংলাদেশের অভিবাসীকর্মীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।’
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা বলেন, ‘ইতালিতে কাজের জন্য ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রত্যাশী অভিবাসীকর্মীরা দীর্ঘ প্রায় ছয়-সাত মাস অপেক্ষার পরও অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাচ্ছেন না। বর্তমানে অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষায় থাকা ভুক্তভোগীরা বেকার অবস্থায় চরম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাঁরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পরিবার–পরিজনের কটু কথা শুনতে হচ্ছে তাঁদের।’
বক্তারা বলেন, বর্তমানে ঢাকায় ইতালি দূতাবাসের ভিসা প্রসেসিংয়ে দীর্ঘসূত্রতার প্রধান কারণ জনবলসংকট। ইতালি দূতাবাসে বর্তমানে তাদের স্বাভাবিক ভিসা প্রসেসিং করার সক্ষমতা মাসে আড়াই হাজার এবং বছরে ৩০ হাজার। এই সক্ষমতা দিয়ে বাংলাদেশে লক্ষাধিক ভিসা আবেদনকারীদের সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ মাইগ্রেশন ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (বিএমডিএফ) সভাপতি খায়রুজ্জামান কামাল বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের সঙ্গে ভিএফএস গ্লোবালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এটি বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট না পাওয়া পর্যন্ত ব্যাকলগে থাকা ই-মেইল চেকিং ও ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে সর্বশেষ অবস্থা জানার সুযোগ দিতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএমডিএফ ও ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতির সদস্য এবং ইতালির ভিসা ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রত্যাশীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—বন্ধ থাকা অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রক্রিয়া চালু করে ২০ অক্টোবরের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ই-মেইলের ৩০ দিনের মধ্যে ভিসা আবেদন জমার ব্যবস্থা করা, আর আবেদনের পর সর্বোচ্চ ৬০ কর্মদিবসের মধ্যেই সব প্রক্রিয়া শেষ করে ভিসা আবেদন নিষ্পত্তি করা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে যেকোনো ধরনের বাণিজ্য, দালালের দৌরাত্ম্য, প্রতারকদের হয়রানিসহ সব হয়রানির পথ বন্ধ করা।

ইতালিতে কাজের ভিসাপ্রত্যাশী অভিবাসীকর্মীরা দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরেও অ্যাপয়েন্টমেন্ট না পাওয়ায় নানা ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। এক বছর ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন ১ লাখ ১০ হাজার ভিসাপ্রত্যাশী। দালালের দৌরাত্ম্য, প্রতারকদের হয়রানি এবং ভিএফএস গ্লোবালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে তাঁদের।
আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্র্যাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ মাইগ্রেশন ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (বিএমডিএফ), ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতি ও বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা দ্রুত অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালুর মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে বাংলাদেশ ও ইতালি সরকারের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
ইতালবাংলা সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ তাইফুর রহমান বলেন, ‘এক বছর ধরে আটকে থাকা ১ লাখ ১০ হাজার ভিসা ডেলিভারি সমস্যা সমাধানে আমরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ চাই। গত ৮ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে আমরা প্রধান উপদেষ্টা ড. মহাম্মদ ইউনূসের কাছে এসব সমস্যা সমাধানে দাবি জানালে তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে কথা বলেন। ফলে ভিসা সমস্যার আংশিক সুরাহা হয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকার ইতালিয়ান দূতাবাস ডিসেম্বরের মধ্যে অন্তত ২০ হাজার পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে ইতালি ভিসাপ্রত্যাশীদের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার। যদি এক বছর পরেও ৪০ হাজার পাসপোর্ট ডেলিভারি করা সম্ভব না হয়, তাহলে ১ লাখ ১০ হাজার পাসপোর্টের কাজ করতে আরও অন্তত দুই-তিন বছর সময় লাগবে। এতে বাংলাদেশের অভিবাসীকর্মীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।’
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা বলেন, ‘ইতালিতে কাজের জন্য ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রত্যাশী অভিবাসীকর্মীরা দীর্ঘ প্রায় ছয়-সাত মাস অপেক্ষার পরও অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাচ্ছেন না। বর্তমানে অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষায় থাকা ভুক্তভোগীরা বেকার অবস্থায় চরম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাঁরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পরিবার–পরিজনের কটু কথা শুনতে হচ্ছে তাঁদের।’
বক্তারা বলেন, বর্তমানে ঢাকায় ইতালি দূতাবাসের ভিসা প্রসেসিংয়ে দীর্ঘসূত্রতার প্রধান কারণ জনবলসংকট। ইতালি দূতাবাসে বর্তমানে তাদের স্বাভাবিক ভিসা প্রসেসিং করার সক্ষমতা মাসে আড়াই হাজার এবং বছরে ৩০ হাজার। এই সক্ষমতা দিয়ে বাংলাদেশে লক্ষাধিক ভিসা আবেদনকারীদের সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ মাইগ্রেশন ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (বিএমডিএফ) সভাপতি খায়রুজ্জামান কামাল বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের সঙ্গে ভিএফএস গ্লোবালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এটি বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট না পাওয়া পর্যন্ত ব্যাকলগে থাকা ই-মেইল চেকিং ও ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে সর্বশেষ অবস্থা জানার সুযোগ দিতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএমডিএফ ও ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতির সদস্য এবং ইতালির ভিসা ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রত্যাশীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—বন্ধ থাকা অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রক্রিয়া চালু করে ২০ অক্টোবরের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ই-মেইলের ৩০ দিনের মধ্যে ভিসা আবেদন জমার ব্যবস্থা করা, আর আবেদনের পর সর্বোচ্চ ৬০ কর্মদিবসের মধ্যেই সব প্রক্রিয়া শেষ করে ভিসা আবেদন নিষ্পত্তি করা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে যেকোনো ধরনের বাণিজ্য, দালালের দৌরাত্ম্য, প্রতারকদের হয়রানিসহ সব হয়রানির পথ বন্ধ করা।

শূন্য ভিটার ওপর দাঁড়িয়ে আছে বসতঘরের অবকাঠামো। নেই বেড়া, ছাউনি। বৃষ্টির পানিতে ভিটার মাটি ধুয়ে সমতলে মিশে গেছে অনেক আগে। এসব ঘরে এখন আর মানুষ বসবাস করে না। এমন দৃশ্য নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর আতাউরের গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের জলাতঙ্ক ইউনিটের দরজায় তালা ঝুলিয়ে সাঁটানো একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইনজেকশন-র্যাবিস ভ্যাকসিন’ এবং ‘ইনজেকশন-আরআইজি’ সরকারি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী।
২ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে