নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দরিদ্রদের নামে ত্রাণের কম্বল কেনার নাম করে ৩৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইউনিয়ন ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরীসহ ২২ জনের নামে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে ১১ জনকে দুটি মামলাতেই আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, দরিদ্রদের জন্য ত্রাণের নামে কম্বল কেনার নাম করে ইউনিয়ন ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি বা সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে ৩৩ কোটি টাকা ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজ রোববার দুদকের উপসহকারী পরিচালক সাবিকুন নাহার বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দুটো দায়ের করেন। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
আক্তার হোসেন বলেন, ২০২২ ও ২০২৩ সালে দরিদ্রদের মধ্যে ত্রাণ হিসেবে কম্বল বিতরণের কথা বলে ৭ লাখ ৮৫ হাজার কম্বল বাবদ অতিরিক্ত প্রায় ২৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
এই মামলায় ইউনিয়ন ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী ছাড়াও ব্যাংকটির সাবেক দুই চেয়ারম্যান আহসানুল আলম ও মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত লে. জে. মোল্লা ফজলে আকবর, ব্যাংকটির সাবেক পরিচালক মারজিনা শারমিন, মো. রাশেদুল আলম, শওকত হোসেন, মোহাম্মদ ফজলে মোরশেদ, হালিমা বেগম, ওসমান গণি, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তান বিল্লাহ আদিল, সাবেক পরিচালক (স্বতন্ত্র) মো. আব্দুল কুদ্দুস, মো. আব্দুস সালামকে আসামি করা হয়েছে।
ব্যাংকটির হেড অব এফএডি ও সিএফও রুহুল আমিন, হেড অব পিআরডি এ কে এম জহির উদ্দীন ইকবাল চৌধুরী, সিনিয়র ক্যাশ অফিসার মো. বোরহান উদ্দীন চৌধুরী, ক্যাশ ইনচার্জ আব্দুল হালিম, অপারেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ রাশিদ শহীদকে আসামি করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী সানি এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর জনি মিয়াকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।
অন্য আরেকটি মামলায় সিএসআর ফান্ডের অর্থে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণের নামে ভুয়া ভাউচার তৈরি করে সেটি খাঁটি হিসেবে দেখিয়ে অতিরিক্ত বিল তুলে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এই মামলায় এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী ছাড়াও ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত লে. জে. মোল্লা ফজলে আকবর, সাবেক পরিচালক মো. রাশেদুল আলম, মোহাম্মদ ফজলে মোরশেদ, হালিমা বেগম, ওসমান গণি, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন ও সাবেক পরিচালক (স্বতন্ত্র) মো. আব্দুস সালাম।
এ ছাড়া ব্যাংকটির হেড অব এফএডি ও সিএফও রুহুল আমিন, হেড অব পিআরডি এ কে এম জহির উদ্দীন ইকবাল চৌধুরীকেও আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে এই দুটি মামলায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯-সহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

দরিদ্রদের নামে ত্রাণের কম্বল কেনার নাম করে ৩৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইউনিয়ন ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরীসহ ২২ জনের নামে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে ১১ জনকে দুটি মামলাতেই আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, দরিদ্রদের জন্য ত্রাণের নামে কম্বল কেনার নাম করে ইউনিয়ন ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি বা সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে ৩৩ কোটি টাকা ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজ রোববার দুদকের উপসহকারী পরিচালক সাবিকুন নাহার বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দুটো দায়ের করেন। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
আক্তার হোসেন বলেন, ২০২২ ও ২০২৩ সালে দরিদ্রদের মধ্যে ত্রাণ হিসেবে কম্বল বিতরণের কথা বলে ৭ লাখ ৮৫ হাজার কম্বল বাবদ অতিরিক্ত প্রায় ২৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
এই মামলায় ইউনিয়ন ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী ছাড়াও ব্যাংকটির সাবেক দুই চেয়ারম্যান আহসানুল আলম ও মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত লে. জে. মোল্লা ফজলে আকবর, ব্যাংকটির সাবেক পরিচালক মারজিনা শারমিন, মো. রাশেদুল আলম, শওকত হোসেন, মোহাম্মদ ফজলে মোরশেদ, হালিমা বেগম, ওসমান গণি, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তান বিল্লাহ আদিল, সাবেক পরিচালক (স্বতন্ত্র) মো. আব্দুল কুদ্দুস, মো. আব্দুস সালামকে আসামি করা হয়েছে।
ব্যাংকটির হেড অব এফএডি ও সিএফও রুহুল আমিন, হেড অব পিআরডি এ কে এম জহির উদ্দীন ইকবাল চৌধুরী, সিনিয়র ক্যাশ অফিসার মো. বোরহান উদ্দীন চৌধুরী, ক্যাশ ইনচার্জ আব্দুল হালিম, অপারেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ রাশিদ শহীদকে আসামি করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী সানি এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর জনি মিয়াকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।
অন্য আরেকটি মামলায় সিএসআর ফান্ডের অর্থে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে ১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণের নামে ভুয়া ভাউচার তৈরি করে সেটি খাঁটি হিসেবে দেখিয়ে অতিরিক্ত বিল তুলে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এই মামলায় এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী ছাড়াও ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত লে. জে. মোল্লা ফজলে আকবর, সাবেক পরিচালক মো. রাশেদুল আলম, মোহাম্মদ ফজলে মোরশেদ, হালিমা বেগম, ওসমান গণি, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন ও সাবেক পরিচালক (স্বতন্ত্র) মো. আব্দুস সালাম।
এ ছাড়া ব্যাংকটির হেড অব এফএডি ও সিএফও রুহুল আমিন, হেড অব পিআরডি এ কে এম জহির উদ্দীন ইকবাল চৌধুরীকেও আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে এই দুটি মামলায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯-সহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে