
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের পরিচয়, সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং অর্জন নিয়ে ব্রোশিউর (প্রচারপত্র) আকারে একটি প্রচারপত্র দেশব্যাপী বিলি করছে আওয়ামী লীগ।
প্রচারপত্রে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হলেও এই দল বিকশিত, সুপ্রতিষ্ঠিত এবং টেকসই হয়েছে তাঁর হাত ধরেই। বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের বৃহৎ ক্যানভাস জুড়ে ছিল বঙ্গবন্ধুর একক নেতৃত্ব। তাঁর একক নেতৃত্বেই রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে। তিনিই বাঙালি জাতির পিতা, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা।
এতে আরও বলা হয়, বাঙালি জাতি হিসেবে আর বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে এযাবৎ যা কিছু পেয়েছে, তার সবটুকুই আওয়ামী লীগের কাছ থেকে পেয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে জাতি হিসেবে আমরা যতগুলো অর্জন পেয়েছি, তার প্রত্যেকটিই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু অথবা তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার কারণে। জাতির পিতা স্বাধীনতা এনেছেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, স্বাধীনতাকে টেকসই করার লক্ষ্যে সফলভাবে সারা বিশ্বের স্বীকৃতি আদায় করেছেন, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং অর্থনীতির শক্ত ভিত তৈরি করেছেন, সার্বিক উন্নয়ন এবং অর্থনীতিকে বেগবান ও টেকসই রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন, দেশের ভূখণ্ডকে নিরাপদ রাখতে সাফল্যের সাথে স্থল সীমানা চুক্তি সম্পাদন করেছেন এবং তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বার্থকে বহুলাংশে প্রাধান্য দিয়ে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করেছেন।
এর ফলে বাংলাদেশ যে পরিমাণ অতিরিক্ত ভূমি (প্রায় ৪১ বর্গ কিলোমিটার) পেয়েছে, তার আয়তন বিশ্বের ৬টি দেশের আয়তনের চেয়ে বড়ো। শেখ হাসিনা গঙ্গা চুক্তি করে দেশের পানির ন্যায্য অধিকার রক্ষা করেছেন, পার্বত্য জেলাগুলোতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা করার জন্য শান্তি চুক্তি করেছেন, ভারত ও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশকে স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত করেছেন, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতু ও পদ্মায় সেতুসহ ভৌত কাঠামো নির্মাণসহ সকল ক্ষেত্রে বিস্ময়কর সফলতা দেখিয়ে আকাশচুম্বী উন্নয়ন করেছেন।
শেখ হাসিনা বৈশ্বিক করোনা মহামারী থেকে জাতিকে দক্ষতার সাথে রক্ষা করেছেন, অন্যদিকে করোনা এবং যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও বিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন। অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি বিবেচনায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বের মডেল রাষ্ট্র। টেকসই উন্নয়নের অগ্রগতিতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন।
এতে বলা হয়, পুরো পৃথিবীতে এতো অল্প সময়ে অন্য কোন রাষ্ট্র এই রকম সফলতা অর্জন করতে পারেনি। এই সকল অর্জনের মূল নায়ক জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা। জাতির পিতার পর তিনিই বাঙালির ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। তাঁর কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে নেতৃত্ব দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনি বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্রকে টেকসই ও নিরাপদ রাখার জন্য একশো বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছেন শেখ হাসিনা। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যকরী প্রকল্পগুলোও বাস্তবায়ন করছেন। উন্নয়নশীল বিশ্বের কোন রাষ্ট্রনায়ক এযাবৎ এই ধরণের উদ্যোগ নিতে নিতে পারেননি।
প্রচারপত্রে বলা হয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, একটি সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও সফল রাজনৈতিক দল হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে একটি জাতির ভাগ্যোন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য সমগ্র বিশ্বে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। দেশের মানুষ, বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম যাতে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে জানতে পারে, রাষ্ট্র সৃষ্টির মতো তার অবদান সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্য এটি সারা দেশে বিলি করা হচ্ছে।
প্রচারপত্রটি সম্পাদনা করেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। এটি প্রকাশনার দায়িত্বে ছিলেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের পরিচয়, সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং অর্জন নিয়ে ব্রোশিউর (প্রচারপত্র) আকারে একটি প্রচারপত্র দেশব্যাপী বিলি করছে আওয়ামী লীগ।
প্রচারপত্রে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হলেও এই দল বিকশিত, সুপ্রতিষ্ঠিত এবং টেকসই হয়েছে তাঁর হাত ধরেই। বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের বৃহৎ ক্যানভাস জুড়ে ছিল বঙ্গবন্ধুর একক নেতৃত্ব। তাঁর একক নেতৃত্বেই রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে। তিনিই বাঙালি জাতির পিতা, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা।
এতে আরও বলা হয়, বাঙালি জাতি হিসেবে আর বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে এযাবৎ যা কিছু পেয়েছে, তার সবটুকুই আওয়ামী লীগের কাছ থেকে পেয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে জাতি হিসেবে আমরা যতগুলো অর্জন পেয়েছি, তার প্রত্যেকটিই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু অথবা তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার কারণে। জাতির পিতা স্বাধীনতা এনেছেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, স্বাধীনতাকে টেকসই করার লক্ষ্যে সফলভাবে সারা বিশ্বের স্বীকৃতি আদায় করেছেন, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং অর্থনীতির শক্ত ভিত তৈরি করেছেন, সার্বিক উন্নয়ন এবং অর্থনীতিকে বেগবান ও টেকসই রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন, দেশের ভূখণ্ডকে নিরাপদ রাখতে সাফল্যের সাথে স্থল সীমানা চুক্তি সম্পাদন করেছেন এবং তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বার্থকে বহুলাংশে প্রাধান্য দিয়ে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করেছেন।
এর ফলে বাংলাদেশ যে পরিমাণ অতিরিক্ত ভূমি (প্রায় ৪১ বর্গ কিলোমিটার) পেয়েছে, তার আয়তন বিশ্বের ৬টি দেশের আয়তনের চেয়ে বড়ো। শেখ হাসিনা গঙ্গা চুক্তি করে দেশের পানির ন্যায্য অধিকার রক্ষা করেছেন, পার্বত্য জেলাগুলোতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা করার জন্য শান্তি চুক্তি করেছেন, ভারত ও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশকে স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত করেছেন, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতু ও পদ্মায় সেতুসহ ভৌত কাঠামো নির্মাণসহ সকল ক্ষেত্রে বিস্ময়কর সফলতা দেখিয়ে আকাশচুম্বী উন্নয়ন করেছেন।
শেখ হাসিনা বৈশ্বিক করোনা মহামারী থেকে জাতিকে দক্ষতার সাথে রক্ষা করেছেন, অন্যদিকে করোনা এবং যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও বিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন। অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি বিবেচনায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বের মডেল রাষ্ট্র। টেকসই উন্নয়নের অগ্রগতিতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন।
এতে বলা হয়, পুরো পৃথিবীতে এতো অল্প সময়ে অন্য কোন রাষ্ট্র এই রকম সফলতা অর্জন করতে পারেনি। এই সকল অর্জনের মূল নায়ক জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা। জাতির পিতার পর তিনিই বাঙালির ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। তাঁর কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে নেতৃত্ব দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনি বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্রকে টেকসই ও নিরাপদ রাখার জন্য একশো বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছেন শেখ হাসিনা। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যকরী প্রকল্পগুলোও বাস্তবায়ন করছেন। উন্নয়নশীল বিশ্বের কোন রাষ্ট্রনায়ক এযাবৎ এই ধরণের উদ্যোগ নিতে নিতে পারেননি।
প্রচারপত্রে বলা হয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, একটি সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও সফল রাজনৈতিক দল হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে একটি জাতির ভাগ্যোন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য সমগ্র বিশ্বে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। দেশের মানুষ, বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম যাতে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে জানতে পারে, রাষ্ট্র সৃষ্টির মতো তার অবদান সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্য এটি সারা দেশে বিলি করা হচ্ছে।
প্রচারপত্রটি সম্পাদনা করেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। এটি প্রকাশনার দায়িত্বে ছিলেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।

পৌষ সংক্রান্তি ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ‘মাছের মেলা’ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত থেকে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে শতবর্ষী এই মেলা বসেছে। চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।
৫ মিনিট আগে
মাদারীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় দুই নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদারীপুরের তাঁতিবাড়ি এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১০ মিনিট আগে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
৪০ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে