
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি সীমানাপ্রাচীর ভেঙে পাশের বহুতল ভবনসহ কয়েকটি বসতবাড়ির ওপর পড়েছে। এতে পাশের একটি বহুতল ভবনসহ কয়েকটি বসতবাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন রান্নাঘরে থাকা দুই গৃহিণী।
আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের একসিস নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার সীমানাপ্রাচীর ভেঙে পড়ে।
স্থানীয় বহুতল ভবনের মালিক আয়াতুল্লাহ বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষ আমার বহুতল ভবনের পাশ থেকে জোর করে মাটি কেটে নেওয়ায় অস্থায়ী সীমানাপ্রাচীর ভেঙে আমার বসতবাড়ির ওপর পড়ে। এতে করে আমার বসতবাড়ির কয়েকটি রুম ভেঙে পড়ে। আমার বাড়ির একটি রান্নাঘরে তখন দুজন গৃহিণী দৌড়াদৌড়ি করে দ্রুত বের হয়ে রক্ষা পায়। বহুতল ভবনের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় আমার ভবনটি ঝুঁকিতে রয়েছে। বহুতল ভবনের অনেক স্থানে ফাটল ধরেছে।’
পাশের বসতবাড়ির মালিক লাল মিয়া বলেন, ‘সীমানাপ্রাচীর ভেঙে পড়ার কারণে আমার বসতবাড়ির কয়েকটি ঘরের দেয়াল ভেঙে গেছে। এই সময়টাতে সাধারণত বসতবাড়ির ভাড়াটেরা কর্মস্থলে থাকার কারণে বড় কোনো দুর্ঘটনা হয়নি।’
কারখানার দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী আবুল হাসান বলেন, ‘আমি মাটি খননের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি। একটু বেশি খনন হয়ে যাওয়ার কারণে দেয়াল ভেঙে পড়ে। আমরা ভবনমালিকের সঙ্গে কথা বলে পুনরায় মাটি ভরাট করে ভবন রক্ষার চেষ্টা করছি।’
একসিস পোশাক কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ইঞ্জিনিয়ারকে ডেকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এভাবে মাটি খনন ঠিক হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবনমালিক ও বাসাবাড়ির মালিকদের ডেকে এনে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ আমাকে অবহিত করেনি। খোঁজখবর নিয়ে দেখব।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি সীমানাপ্রাচীর ভেঙে পাশের বহুতল ভবনসহ কয়েকটি বসতবাড়ির ওপর পড়েছে। এতে পাশের একটি বহুতল ভবনসহ কয়েকটি বসতবাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন রান্নাঘরে থাকা দুই গৃহিণী।
আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের একসিস নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার সীমানাপ্রাচীর ভেঙে পড়ে।
স্থানীয় বহুতল ভবনের মালিক আয়াতুল্লাহ বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষ আমার বহুতল ভবনের পাশ থেকে জোর করে মাটি কেটে নেওয়ায় অস্থায়ী সীমানাপ্রাচীর ভেঙে আমার বসতবাড়ির ওপর পড়ে। এতে করে আমার বসতবাড়ির কয়েকটি রুম ভেঙে পড়ে। আমার বাড়ির একটি রান্নাঘরে তখন দুজন গৃহিণী দৌড়াদৌড়ি করে দ্রুত বের হয়ে রক্ষা পায়। বহুতল ভবনের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় আমার ভবনটি ঝুঁকিতে রয়েছে। বহুতল ভবনের অনেক স্থানে ফাটল ধরেছে।’
পাশের বসতবাড়ির মালিক লাল মিয়া বলেন, ‘সীমানাপ্রাচীর ভেঙে পড়ার কারণে আমার বসতবাড়ির কয়েকটি ঘরের দেয়াল ভেঙে গেছে। এই সময়টাতে সাধারণত বসতবাড়ির ভাড়াটেরা কর্মস্থলে থাকার কারণে বড় কোনো দুর্ঘটনা হয়নি।’
কারখানার দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী আবুল হাসান বলেন, ‘আমি মাটি খননের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি। একটু বেশি খনন হয়ে যাওয়ার কারণে দেয়াল ভেঙে পড়ে। আমরা ভবনমালিকের সঙ্গে কথা বলে পুনরায় মাটি ভরাট করে ভবন রক্ষার চেষ্টা করছি।’
একসিস পোশাক কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ইঞ্জিনিয়ারকে ডেকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এভাবে মাটি খনন ঠিক হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবনমালিক ও বাসাবাড়ির মালিকদের ডেকে এনে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ আমাকে অবহিত করেনি। খোঁজখবর নিয়ে দেখব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে