নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভবন নির্মাণে বিভিন্ন ধরনের অনুমোদন ও তদারকির জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বয়ে একটি সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। আজ রোববার সচিবালয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এ কথা বলেন।
বেইলি রোডের পুড়ে যাওয়া ভবন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা রেস্টুরেন্টের জন্য তৈরি করা হয়নি। কিন্তু এটা (রেস্টুরেন্ট) কে করল, নিশ্চয়ই কারও গাফিলতি আছে। গাফিলতি যার আছে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।’
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘এ ধরনের অনিয়ম যারা করে তাঁদের বিষয়ে একটি সংস্থাকে পুরোপুরি দায়িত্ব দেওয়া যায় কি না সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে একটা ব্যবস্থা নেব। শিগগির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে কীভাবে ভবিষ্যতে একটি প্রোগ্রাম নেওয়া যায় সে বিষয়ে মিটিং করব।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটা অথোরিটি চাচ্ছি। হয় ফায়ার সার্ভিস, না হয় রাজউক, না হয় পুলিশের কেউ একজন অথোরিটি থাকবে। এ অথোরিটি পুরো দায়িত্ব নেবে। সবাই মিলে একটা অথোরিটি হবে, সেখানে ফায়ার সার্ভিস থাকবে, মেয়র সাহেবের প্রতিনিধি থাকবে। সবাইকে নিয়ে একটা অথোরিটি করার চিন্তা করছি। তবে সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’
বেইলি রোডে ভবনে আগুনের পর অভিযানের নামে কর্মচারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, মালিকেরা হচ্ছেন না—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তার পাশের বাড়িগুলোতে রেস্টুরেন্টের অনুমোদন ছিল না। বাড়িটা অফিসের জন্য বানানো হয়েছে। তারপরও সেখানে রেস্টুরেন্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছে। গ্যাসের সিলিন্ডার রেখে ফায়ার এক্সিট সিঁড়ি ওঠানামার অনুপযুক্ত করে ফেলেছিল।’
আগুনের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েকজন এখনো মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন। এই মৃত্যুর জন্য দায়-দায়িত্ব কার? এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নটা সবারই আছে। যার যার দায়িত্বটা পরীক্ষা করার জন্যই এগুলো করা হচ্ছে। সরকারিভাবে একটি টিম করে দেওয়া হয়েছে। কেন অগ্নিকাণ্ড হলো, ঘটনা কী, সেটার অনুসন্ধান হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা তো হবেই।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজউকের তদারকির অভাব তারা (রাজউক) দেখছে। হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোর কোনো গাফিলতি ছিল কি না, সবাই এখন দেখছেন। অভিযানগুলোতে পুলিশকে অনুরোধ করছে, তাই পুলিশ যাচ্ছে। পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে কোনো জায়গায় গিয়েছে বলে জানা নেই।’
বেইলি রোডের ঘটনার পর পরই ভবন মালিক নাকি পালিয়ে গেছেন শোনা যাচ্ছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলো তো তদন্ত হচ্ছে। যার গাফিলতি আছে, আইনের মুখোমুখি হতে হবে। বিদেশে গেলে কি আমরা বিদেশ থেকে আনতে পারব না? আমরা আনব, যখন আসবে তখন তার বিচার হবে।’
বাজার তদারকির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর অপচেষ্টা করে তাঁর আইনের আওতায় আনা হবে।’

ভবন নির্মাণে বিভিন্ন ধরনের অনুমোদন ও তদারকির জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বয়ে একটি সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। আজ রোববার সচিবালয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এ কথা বলেন।
বেইলি রোডের পুড়ে যাওয়া ভবন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা রেস্টুরেন্টের জন্য তৈরি করা হয়নি। কিন্তু এটা (রেস্টুরেন্ট) কে করল, নিশ্চয়ই কারও গাফিলতি আছে। গাফিলতি যার আছে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।’
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘এ ধরনের অনিয়ম যারা করে তাঁদের বিষয়ে একটি সংস্থাকে পুরোপুরি দায়িত্ব দেওয়া যায় কি না সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে একটা ব্যবস্থা নেব। শিগগির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে কীভাবে ভবিষ্যতে একটি প্রোগ্রাম নেওয়া যায় সে বিষয়ে মিটিং করব।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটা অথোরিটি চাচ্ছি। হয় ফায়ার সার্ভিস, না হয় রাজউক, না হয় পুলিশের কেউ একজন অথোরিটি থাকবে। এ অথোরিটি পুরো দায়িত্ব নেবে। সবাই মিলে একটা অথোরিটি হবে, সেখানে ফায়ার সার্ভিস থাকবে, মেয়র সাহেবের প্রতিনিধি থাকবে। সবাইকে নিয়ে একটা অথোরিটি করার চিন্তা করছি। তবে সেটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’
বেইলি রোডে ভবনে আগুনের পর অভিযানের নামে কর্মচারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, মালিকেরা হচ্ছেন না—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তার পাশের বাড়িগুলোতে রেস্টুরেন্টের অনুমোদন ছিল না। বাড়িটা অফিসের জন্য বানানো হয়েছে। তারপরও সেখানে রেস্টুরেন্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছে। গ্যাসের সিলিন্ডার রেখে ফায়ার এক্সিট সিঁড়ি ওঠানামার অনুপযুক্ত করে ফেলেছিল।’
আগুনের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েকজন এখনো মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন। এই মৃত্যুর জন্য দায়-দায়িত্ব কার? এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নটা সবারই আছে। যার যার দায়িত্বটা পরীক্ষা করার জন্যই এগুলো করা হচ্ছে। সরকারিভাবে একটি টিম করে দেওয়া হয়েছে। কেন অগ্নিকাণ্ড হলো, ঘটনা কী, সেটার অনুসন্ধান হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা তো হবেই।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজউকের তদারকির অভাব তারা (রাজউক) দেখছে। হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোর কোনো গাফিলতি ছিল কি না, সবাই এখন দেখছেন। অভিযানগুলোতে পুলিশকে অনুরোধ করছে, তাই পুলিশ যাচ্ছে। পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে কোনো জায়গায় গিয়েছে বলে জানা নেই।’
বেইলি রোডের ঘটনার পর পরই ভবন মালিক নাকি পালিয়ে গেছেন শোনা যাচ্ছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলো তো তদন্ত হচ্ছে। যার গাফিলতি আছে, আইনের মুখোমুখি হতে হবে। বিদেশে গেলে কি আমরা বিদেশ থেকে আনতে পারব না? আমরা আনব, যখন আসবে তখন তার বিচার হবে।’
বাজার তদারকির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর অপচেষ্টা করে তাঁর আইনের আওতায় আনা হবে।’

আনন্দের মিলনমেলা মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকের পরিবেশে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাবেক শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। গতকাল শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
৩৬ মিনিট আগে
মেহেরপুরের ইসলামী ব্যাংক গাংনী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইসতিয়াক হাসান। ব্যাংকে কাজ করলেও কৃষির প্রতি তাঁর ভালোবাসা রয়েছে। তাই তিনি চাকরির পাশাপাশি শুরু করেছেন কৃষিকাজ। এক বন্ধুকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে উপজেলার দেবীপুর গ্রামে দেড় বিঘা জমিতে তিনি লাভজনক ফসল একাঙ্গী চাষ শুরু করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে সংগঠক ও আহত জুলাই যোদ্ধাসহ একসঙ্গে ১০ জন পদত্যাগ করেছেন। জেলা আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে বিতর্ক, কমিটির গঠনপ্রক্রিয়া ও কার্যক্রমে অস্বচ্ছতা এবং আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক অভিযোগ তুলে তাঁরা পদত্যাগ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মোহাম্মদ আবু সাঈদ নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন থেকে তাঁকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে