গাজীপুর (শ্রীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রেমের দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে এক যুবককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওই যুবকের নাম মো. সৈকত (১৯)। পুলিশ বলছে, এক মেয়ের সঙ্গে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সাবেক প্রেমিকের ছুরিকাঘাতে বর্তমান প্রেমিক খুন হয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে সাবেক প্রেমিক ও প্রেমিকার নাম জানায়নি পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি গ্রামের সিআরসি গার্মেন্টসের পাশে ঘটনাটি ঘটে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সৈকত বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার হাওরাখালি গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি গ্রামের ইব্রাহিমের বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় এমএচইসি এ্যাপারেলস কারখানায় কোয়ালিটি পদে চাকরি করতেন।
নিহতের চাচা শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গত কয়েকমাস আগে সে চাকরি নেয়। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে কারখানা থেকে বের হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার রুমমেট শাহানূর ফোন করে জানায় সৈকত ফোন রিসিভ করছে না। এরপর আমি বেশ কয়েকবার তাঁকে ফোন করলেও ফোন রিসিভ করেনি। রাত সাড়ে ১০টার পর রাস্তার পাশে মরদেহ পড়ে রয়েছে এমন খবর পাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ভাতিজার রক্তাক্ত মরদেহ। ঘাড়ে, গলায় ও পেটে একাধিক আঘাত রয়েছে। তবে কী কারণে খুন করেছে, কে খুন করছে এ বিষয়ে বলতে পারব না।’
নিহত সৈকতের রুমমেট শাহানূর বলেন, ‘রাত ৮টার সময় কারখানা থেকে একসঙ্গে বের হই। এরপর দুজন মিলে কারখানার পাশে ঝালমুড়ি খেয়েছি। ঝালমুড়ি খেয়ে সৈকতকে বলছিলাম চল বাসায় চলে যাই। কিন্তু সৈকত বলল তার কাজ আছে পরে আসবে। কিন্তু রাত ৯টা বেজে গেলেও বাসায় ফেরেনি। এরপর আমি তার মোবাইল ফোনে বহুবার কল করছি কিন্তু ফোন বাজে ঠিকই কিন্তু রিসিভ হয় না। পরে আমি তাঁর চাচার বাসায় আসি। একটু পর মরদেহ পড়ে রয়েছে এমন খবরে দৌড়ে যাই। সৈকতের সঙ্গে কোনো মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিনা আমি জানি না। সৈকতও কোনো দিন আমাকে বলেনি। তবে সে রাত জেগে কারও সঙ্গে ফোন আলাপ করত।’
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাঈয়িদা ইমরোজ ইমা বলেন, মৃত অবস্থায় স্বজনেরা সৈকতকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। ধারালো অস্ত্রে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, ‘এক মেয়ের সঙ্গে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সাবেক প্রেমিক সৈকতকে খুন করেছে। আমরা সাবেক প্রেমিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’ তদন্তের স্বার্থে সাবেক প্রেমিক ও প্রেমিকার পরিচয় জানাননি তিনি।

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রেমের দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে এক যুবককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওই যুবকের নাম মো. সৈকত (১৯)। পুলিশ বলছে, এক মেয়ের সঙ্গে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সাবেক প্রেমিকের ছুরিকাঘাতে বর্তমান প্রেমিক খুন হয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে সাবেক প্রেমিক ও প্রেমিকার নাম জানায়নি পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি গ্রামের সিআরসি গার্মেন্টসের পাশে ঘটনাটি ঘটে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সৈকত বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার হাওরাখালি গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি গ্রামের ইব্রাহিমের বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় এমএচইসি এ্যাপারেলস কারখানায় কোয়ালিটি পদে চাকরি করতেন।
নিহতের চাচা শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গত কয়েকমাস আগে সে চাকরি নেয়। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে কারখানা থেকে বের হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার রুমমেট শাহানূর ফোন করে জানায় সৈকত ফোন রিসিভ করছে না। এরপর আমি বেশ কয়েকবার তাঁকে ফোন করলেও ফোন রিসিভ করেনি। রাত সাড়ে ১০টার পর রাস্তার পাশে মরদেহ পড়ে রয়েছে এমন খবর পাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ভাতিজার রক্তাক্ত মরদেহ। ঘাড়ে, গলায় ও পেটে একাধিক আঘাত রয়েছে। তবে কী কারণে খুন করেছে, কে খুন করছে এ বিষয়ে বলতে পারব না।’
নিহত সৈকতের রুমমেট শাহানূর বলেন, ‘রাত ৮টার সময় কারখানা থেকে একসঙ্গে বের হই। এরপর দুজন মিলে কারখানার পাশে ঝালমুড়ি খেয়েছি। ঝালমুড়ি খেয়ে সৈকতকে বলছিলাম চল বাসায় চলে যাই। কিন্তু সৈকত বলল তার কাজ আছে পরে আসবে। কিন্তু রাত ৯টা বেজে গেলেও বাসায় ফেরেনি। এরপর আমি তার মোবাইল ফোনে বহুবার কল করছি কিন্তু ফোন বাজে ঠিকই কিন্তু রিসিভ হয় না। পরে আমি তাঁর চাচার বাসায় আসি। একটু পর মরদেহ পড়ে রয়েছে এমন খবরে দৌড়ে যাই। সৈকতের সঙ্গে কোনো মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিনা আমি জানি না। সৈকতও কোনো দিন আমাকে বলেনি। তবে সে রাত জেগে কারও সঙ্গে ফোন আলাপ করত।’
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাঈয়িদা ইমরোজ ইমা বলেন, মৃত অবস্থায় স্বজনেরা সৈকতকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। ধারালো অস্ত্রে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, ‘এক মেয়ের সঙ্গে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সাবেক প্রেমিক সৈকতকে খুন করেছে। আমরা সাবেক প্রেমিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’ তদন্তের স্বার্থে সাবেক প্রেমিক ও প্রেমিকার পরিচয় জানাননি তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
১০ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১৩ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে