সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে শিক্ষক দম্পতির যমজ দুই কন্যা আফসানা ও শাহানা শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে চলেছেন। এবার তাঁরা দুজনেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। ভর্তি পরীক্ষায় সামিয়া জাহান আফসানা ‘ডি’ ইউনিটে প্রথম ও সাদিয়া জাহান শাহানা ‘এ’ ইউনিটে ৭৬তম হয়েছেন।
আজ শনিবার আফসানা ও শাহানার মামা হাফিজুল ওয়ারেস এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে তাঁরা পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায়ও একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এ নিয়ে গত বছরের ১৬ অক্টোবর ‘দৈনিক আজকের পত্রিকা’সহ বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। চেহারায় প্রায় একই রকম দেখতে দুই বোনের এমন ধারাবাহিক সাফল্যে পরিবারসহ এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
তাঁদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সখীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আল-আমিন মিয়া ও আফিয়া আক্তার দম্পতির যমজ সন্তান সামিয়া জাহান আফসানা এবং সাদিয়া জাহান শাহানা এইচএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এর আগে দুই বোনই সখীপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তাঁদের পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষার ফলও জিপিএ-৫।
জানতে চাইলে আফসানা ও শাহানার বাবা আল-আমিন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই মেয়ের ধারাবাহিক ভালো ফল দেখে আমরা আনন্দিত। আমাদের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও মেয়েদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন। মেয়েদের ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করার। এদের মধ্যে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অপেক্ষমাণ তালিকায় আফসানার নাম রয়েছে।
উল্লেখ্য, আল-আমিন মিয়া উপজেলার বড়চওনা-কুতুবপুর (বিকে) কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির এবং মা আফিয়া আক্তার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত।

টাঙ্গাইলের সখীপুরে শিক্ষক দম্পতির যমজ দুই কন্যা আফসানা ও শাহানা শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে চলেছেন। এবার তাঁরা দুজনেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। ভর্তি পরীক্ষায় সামিয়া জাহান আফসানা ‘ডি’ ইউনিটে প্রথম ও সাদিয়া জাহান শাহানা ‘এ’ ইউনিটে ৭৬তম হয়েছেন।
আজ শনিবার আফসানা ও শাহানার মামা হাফিজুল ওয়ারেস এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে তাঁরা পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায়ও একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এ নিয়ে গত বছরের ১৬ অক্টোবর ‘দৈনিক আজকের পত্রিকা’সহ বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। চেহারায় প্রায় একই রকম দেখতে দুই বোনের এমন ধারাবাহিক সাফল্যে পরিবারসহ এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
তাঁদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সখীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আল-আমিন মিয়া ও আফিয়া আক্তার দম্পতির যমজ সন্তান সামিয়া জাহান আফসানা এবং সাদিয়া জাহান শাহানা এইচএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এর আগে দুই বোনই সখীপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তাঁদের পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষার ফলও জিপিএ-৫।
জানতে চাইলে আফসানা ও শাহানার বাবা আল-আমিন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই মেয়ের ধারাবাহিক ভালো ফল দেখে আমরা আনন্দিত। আমাদের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও মেয়েদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন। মেয়েদের ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করার। এদের মধ্যে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অপেক্ষমাণ তালিকায় আফসানার নাম রয়েছে।
উল্লেখ্য, আল-আমিন মিয়া উপজেলার বড়চওনা-কুতুবপুর (বিকে) কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির এবং মা আফিয়া আক্তার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে