নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনো কাটেনি ঈদের আমেজ। ঈদ আনন্দের রেশ এখনো রয়ে গেছে মানুষের মনে। এই আনন্দ সঙ্গী করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা। কর্মস্থলে ফেরার তাড়না নিয়ে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে। ব্যাগভর্তি জিনিসপত্র আর মুখে ঈদ আনন্দের হাসি নিয়েই ফিরছেন সবাই।
রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখী ট্রেন ও বাসগুলো এখন যাত্রীতে ঠাসা। অনেকের এখনো ছুটি থাকলেও ভিড় এড়াতে আগেই চলে আসছেন। ফলে এখন চলছে কর্মস্থলে ফেরার স্রোত।
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, ট্রেন ধরে আসা যাত্রীদের চোখেমুখে ক্লান্তি থাকলেও ঈদের আনন্দ যেন সেই ক্লান্তিকে ছাপিয়ে গেছে। ব্যাগে মায়ের হাতের রান্না, আত্মীয়ের দেওয়া নানা খাবার—সবই যেন এক টুকরো ভালোবাসা নিয়ে এসেছে শহরে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মাহবুবুল হক বলেন, সারা বছর অপেক্ষা করি এই কয়দিনের জন্য। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কাটানো সময়টা খুব আনন্দময় ছিল। এখন আবার বাস্তবতায় ফেরা।

তবে আজ বুধবার (১১ জুন) সকাল ৭টার দিকে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছি স্টেশনের সংস্কার ও আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ ছিল; আটকা পড়েছিল চারটি ট্রেন। এতে কমলাপুরে রাজশাহীগামী ট্রেন আসছে বিলম্বে। যার ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
এই বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী বলেন, রাজশাহীর চারঘাটের কাছে নন্দনগাছি স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে এলাকাবাসী। পরে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন ঢাকা-রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এদিকে লঞ্চঘাটেও দক্ষিণাঞ্চল থেকে ফেরা যাত্রীদের দেখা গেছে পরিবারের সঙ্গে ঈদের গল্প করতে করতে ঢাকায় পা রাখছেন।

ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনো কাটেনি ঈদের আমেজ। ঈদ আনন্দের রেশ এখনো রয়ে গেছে মানুষের মনে। এই আনন্দ সঙ্গী করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা। কর্মস্থলে ফেরার তাড়না নিয়ে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে। ব্যাগভর্তি জিনিসপত্র আর মুখে ঈদ আনন্দের হাসি নিয়েই ফিরছেন সবাই।
রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখী ট্রেন ও বাসগুলো এখন যাত্রীতে ঠাসা। অনেকের এখনো ছুটি থাকলেও ভিড় এড়াতে আগেই চলে আসছেন। ফলে এখন চলছে কর্মস্থলে ফেরার স্রোত।
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, ট্রেন ধরে আসা যাত্রীদের চোখেমুখে ক্লান্তি থাকলেও ঈদের আনন্দ যেন সেই ক্লান্তিকে ছাপিয়ে গেছে। ব্যাগে মায়ের হাতের রান্না, আত্মীয়ের দেওয়া নানা খাবার—সবই যেন এক টুকরো ভালোবাসা নিয়ে এসেছে শহরে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মাহবুবুল হক বলেন, সারা বছর অপেক্ষা করি এই কয়দিনের জন্য। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কাটানো সময়টা খুব আনন্দময় ছিল। এখন আবার বাস্তবতায় ফেরা।

তবে আজ বুধবার (১১ জুন) সকাল ৭টার দিকে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছি স্টেশনের সংস্কার ও আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ ছিল; আটকা পড়েছিল চারটি ট্রেন। এতে কমলাপুরে রাজশাহীগামী ট্রেন আসছে বিলম্বে। যার ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
এই বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী বলেন, রাজশাহীর চারঘাটের কাছে নন্দনগাছি স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে এলাকাবাসী। পরে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন ঢাকা-রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এদিকে লঞ্চঘাটেও দক্ষিণাঞ্চল থেকে ফেরা যাত্রীদের দেখা গেছে পরিবারের সঙ্গে ঈদের গল্প করতে করতে ঢাকায় পা রাখছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে