নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ সালেহীন কাদরী মারা গেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আইসিডিডিআরবির তথ্য কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারিফুল ইসলাম বলেন, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিল ড. সালেহীন। ক্রমেই অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। নেওয়া হয়েছিল ভেন্টিলেশনে। তারপরও ফেরানো গেল না। বাদ যোহর গুলশানের আযাদ মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে বনানীর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপককে।
ড. সালেহীন কাদরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগের বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। এ ছাড়াও তিনি জীব বিজ্ঞাপন বিভাগের ডিন ছিলেন।
অধ্যাপক সালেহীন কাদরীর স্ত্রী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর, বি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী। তিনি গতকাল মঙ্গলবার কলেরার টিকা উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় 'এশিয়ার নোবেল' হিসেবে পরিচিত র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন। ২৫ বছর ধরে তিনি কলেরার টিকা উন্নয়নে কাজ করেছেন।
আইসিডিডিআর’বির প্রতিষেধকবিদ্যা বিভাগ থেকে পোস্টডক্টোরাল গবেষণা শেষ করার পর ১৯৮৮ সালে একই প্রতিষ্ঠানে সহযোগী বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী, মিউকোসাল ইমিউনোলজি ও ভ্যাকসিনোলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
ড. ফেরদৌসী কাদরী ২০২০ সালে ‘লরিয়েল-ইউনেসকো উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। এ ছাড়াও তিনি ২০১৩ সালে অনন্যা শীর্ষ দশ পুরস্কার পেয়েছেন। ২০২১ সালে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ সালেহীন কাদরী মারা গেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আইসিডিডিআরবির তথ্য কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারিফুল ইসলাম বলেন, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিল ড. সালেহীন। ক্রমেই অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। নেওয়া হয়েছিল ভেন্টিলেশনে। তারপরও ফেরানো গেল না। বাদ যোহর গুলশানের আযাদ মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে বনানীর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপককে।
ড. সালেহীন কাদরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগের বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। এ ছাড়াও তিনি জীব বিজ্ঞাপন বিভাগের ডিন ছিলেন।
অধ্যাপক সালেহীন কাদরীর স্ত্রী আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর, বি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী। তিনি গতকাল মঙ্গলবার কলেরার টিকা উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় 'এশিয়ার নোবেল' হিসেবে পরিচিত র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন। ২৫ বছর ধরে তিনি কলেরার টিকা উন্নয়নে কাজ করেছেন।
আইসিডিডিআর’বির প্রতিষেধকবিদ্যা বিভাগ থেকে পোস্টডক্টোরাল গবেষণা শেষ করার পর ১৯৮৮ সালে একই প্রতিষ্ঠানে সহযোগী বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী, মিউকোসাল ইমিউনোলজি ও ভ্যাকসিনোলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
ড. ফেরদৌসী কাদরী ২০২০ সালে ‘লরিয়েল-ইউনেসকো উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। এ ছাড়াও তিনি ২০১৩ সালে অনন্যা শীর্ষ দশ পুরস্কার পেয়েছেন। ২০২১ সালে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। নিহত যুবক আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৯ ঘণ্টা আগে