
চলতি বছর প্রতারণার শিকার ৫৩৮ ব্যক্তিকে হজে পাঠাতে সহযোগিতা করায় হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ধর্মসচিব মো. আ. হামিদ জমাদ্দার এক চিঠিতে এ কৃতজ্ঞতা জানান।
জানা গেছে, চলতি বছর হজ এজেন্সি ‘এসএন ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসে’র মালিক মোহাম্মদ শাহ আলম ও তাঁর কর্মচারীরা হজে পাঠানোর নাম করে অন্তত ৫৩৮ জনের কাছ থেকে আদায় করেন ৩৬ কোটিরও বেশি টাকা। সংশ্লিষ্টদের হজে না পাঠিয়ে টাকা নিয়ে লাপাত্তা হন এজেন্সির মালিক ও সংশ্লিষ্টরা।
এ নিয়ে রাজধানীর জুরাইনে প্রতিষ্ঠানটির সামনে বিক্ষোভ করেন ভুক্তভোগীরা। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হলে তোলপাড় শুরু হয় সারা দেশে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রতারিতদের হজে পাঠানো ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয় ধর্ম মন্ত্রণালয়কে। কিন্তু দায়ীদের সে সময়ে খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর ছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জন্য।
মন্ত্রণালয় থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতার পাশাপাশি এজেন্সি মালিকদের সংগঠন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সহায়তা চাওয়া হয়। তখন হাব সভাপতি এম. শাহাদত হোসাইন তসলিম ওই এজেন্সি মালিক ও কর্মচারীদের খুঁজে বের করেন।
একই সঙ্গে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ওই ৫৩৮ জনসহ প্রতারিত আরও অনেক ব্যক্তিকেই হজে পাঠান। পাশাপাশি প্রতিটি এজেন্সিকে সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে নজরদারি বৃদ্ধি করেন।
এ জন্য হাব সভাপতিকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ধর্মসচিব মো. আ. হামিদ জমাদ্দার। যা অতীতে কখনো ঘটেনি।
চিঠিতে বলা হয়, ‘এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৫৫৮ জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালন করতে সৌদি আরবে যান। হজ পালন শেষে দেশে ফেরেন সবাই। ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমোদিত এবং ২০২৩ সালের হজ কার্যক্রমে অংশ নেয় ৬০৩টি এজেন্সি। হজযাত্রী পাঠানো এজেন্সিগুলোকে সময়োচিত পরামর্শ ও সার্বক্ষণিক সহায়তা দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে এসএন ট্রাভেলসের মাধ্যমে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর তাদের সৌদি আরবে পাঠানোর ক্ষেত্রে আপনার অসামান্য অবদান আমি আন্তরিকতার সঙ্গে স্মরণ করছি। সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনা এবং আল্লাহর মেহমানদের সেবায় আপনার প্রজ্ঞা ও শ্রমের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
গত ২৭ জুন (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হাব সভাপতি এম. শাহাদত হোসাইন তসলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত দুই মেয়াদে হাবের মহাসচিব ছিলাম চার বছর। গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। আগে হজ ব্যবস্থাপনার অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে পত্রিকায় লাল কালিতে নিউজ ছাপা হতো। গত কয়েক বছর ধরে এসব নিউজ নেই। হাজিদের ট্রলি ও বদলি হাজি নিয়ে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য হতো। সবকিছুই বন্ধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এবারও এসএন ট্রাভেলসের ৫৩৮ জনসহ কয়েক শ প্রতারিত ব্যক্তির হজে যাওয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাঁরা এবার হজও পালন করেছেন। মন্ত্রণালয় আমার অবদান স্বীকার করে আমাকে তথা হাবকে সম্মানিত করেছে—এ জন্য তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ।’

চলতি বছর প্রতারণার শিকার ৫৩৮ ব্যক্তিকে হজে পাঠাতে সহযোগিতা করায় হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ধর্মসচিব মো. আ. হামিদ জমাদ্দার এক চিঠিতে এ কৃতজ্ঞতা জানান।
জানা গেছে, চলতি বছর হজ এজেন্সি ‘এসএন ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসে’র মালিক মোহাম্মদ শাহ আলম ও তাঁর কর্মচারীরা হজে পাঠানোর নাম করে অন্তত ৫৩৮ জনের কাছ থেকে আদায় করেন ৩৬ কোটিরও বেশি টাকা। সংশ্লিষ্টদের হজে না পাঠিয়ে টাকা নিয়ে লাপাত্তা হন এজেন্সির মালিক ও সংশ্লিষ্টরা।
এ নিয়ে রাজধানীর জুরাইনে প্রতিষ্ঠানটির সামনে বিক্ষোভ করেন ভুক্তভোগীরা। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হলে তোলপাড় শুরু হয় সারা দেশে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রতারিতদের হজে পাঠানো ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয় ধর্ম মন্ত্রণালয়কে। কিন্তু দায়ীদের সে সময়ে খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর ছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জন্য।
মন্ত্রণালয় থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতার পাশাপাশি এজেন্সি মালিকদের সংগঠন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সহায়তা চাওয়া হয়। তখন হাব সভাপতি এম. শাহাদত হোসাইন তসলিম ওই এজেন্সি মালিক ও কর্মচারীদের খুঁজে বের করেন।
একই সঙ্গে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ওই ৫৩৮ জনসহ প্রতারিত আরও অনেক ব্যক্তিকেই হজে পাঠান। পাশাপাশি প্রতিটি এজেন্সিকে সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে নজরদারি বৃদ্ধি করেন।
এ জন্য হাব সভাপতিকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ধর্মসচিব মো. আ. হামিদ জমাদ্দার। যা অতীতে কখনো ঘটেনি।
চিঠিতে বলা হয়, ‘এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৫৫৮ জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালন করতে সৌদি আরবে যান। হজ পালন শেষে দেশে ফেরেন সবাই। ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমোদিত এবং ২০২৩ সালের হজ কার্যক্রমে অংশ নেয় ৬০৩টি এজেন্সি। হজযাত্রী পাঠানো এজেন্সিগুলোকে সময়োচিত পরামর্শ ও সার্বক্ষণিক সহায়তা দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে এসএন ট্রাভেলসের মাধ্যমে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর তাদের সৌদি আরবে পাঠানোর ক্ষেত্রে আপনার অসামান্য অবদান আমি আন্তরিকতার সঙ্গে স্মরণ করছি। সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনা এবং আল্লাহর মেহমানদের সেবায় আপনার প্রজ্ঞা ও শ্রমের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
গত ২৭ জুন (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হাব সভাপতি এম. শাহাদত হোসাইন তসলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত দুই মেয়াদে হাবের মহাসচিব ছিলাম চার বছর। গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। আগে হজ ব্যবস্থাপনার অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে পত্রিকায় লাল কালিতে নিউজ ছাপা হতো। গত কয়েক বছর ধরে এসব নিউজ নেই। হাজিদের ট্রলি ও বদলি হাজি নিয়ে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য হতো। সবকিছুই বন্ধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এবারও এসএন ট্রাভেলসের ৫৩৮ জনসহ কয়েক শ প্রতারিত ব্যক্তির হজে যাওয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাঁরা এবার হজও পালন করেছেন। মন্ত্রণালয় আমার অবদান স্বীকার করে আমাকে তথা হাবকে সম্মানিত করেছে—এ জন্য তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে