দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি

দোহারে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রোমান নামে (১৯) এক যুবক। দোহার উপজেলার পৌরসভার দক্ষিণ ইউসুফপুর গ্রামে রডের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। নিহত রোমান দক্ষিণ ইউসুফপুর গ্রামের মুনসের ব্যাপারীর ছেলে।
আজ মঙ্গলবার দোহার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় রোমানদের নিজ বাড়ির নির্মাণাধীন ভবনে সিঁড়ির রডের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় স্বজনেরা। পরে স্বজনেরা তাঁর মরদেহ নামিয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে তার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘হারিয়ে যাচ্ছি যদি ভুল করে থাকি, মাফ করে দিয়ো। প্রিয়জন বলতে কেউ নেই #সবকিছুর সমাধান আত্মহত্যা। থাকতে কেউই বোঝে না, হারিয়ে গেলে সবাই খোঁজে।’
রোমানের প্রতিবেশীরা বলছে, ঢাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানে চাকরি করতেন রোমান। এক সপ্তাহ আগে রোমান ইউসুফপুরে তাঁর বাসায় আসে। তবে, তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
নিহত রোমানের মা জানায়, ‘রাত ১০টার পরে রোমানকে কল দেই। ফোন না ধরায় কয়েকবার কল দিতেই নির্মাণাধীন ভবন থেকে রিংটোনের আওয়াজ আসে। কাছে গিয়ে দেখি, রোমান বিল্ডিংয়ের রডের সঙ্গে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছে।’
এ বিষয়ে দোহার থানার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ‘লাশের সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

দোহারে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রোমান নামে (১৯) এক যুবক। দোহার উপজেলার পৌরসভার দক্ষিণ ইউসুফপুর গ্রামে রডের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। নিহত রোমান দক্ষিণ ইউসুফপুর গ্রামের মুনসের ব্যাপারীর ছেলে।
আজ মঙ্গলবার দোহার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় রোমানদের নিজ বাড়ির নির্মাণাধীন ভবনে সিঁড়ির রডের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় স্বজনেরা। পরে স্বজনেরা তাঁর মরদেহ নামিয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে তার নিজ ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘হারিয়ে যাচ্ছি যদি ভুল করে থাকি, মাফ করে দিয়ো। প্রিয়জন বলতে কেউ নেই #সবকিছুর সমাধান আত্মহত্যা। থাকতে কেউই বোঝে না, হারিয়ে গেলে সবাই খোঁজে।’
রোমানের প্রতিবেশীরা বলছে, ঢাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানে চাকরি করতেন রোমান। এক সপ্তাহ আগে রোমান ইউসুফপুরে তাঁর বাসায় আসে। তবে, তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
নিহত রোমানের মা জানায়, ‘রাত ১০টার পরে রোমানকে কল দেই। ফোন না ধরায় কয়েকবার কল দিতেই নির্মাণাধীন ভবন থেকে রিংটোনের আওয়াজ আসে। কাছে গিয়ে দেখি, রোমান বিল্ডিংয়ের রডের সঙ্গে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছে।’
এ বিষয়ে দোহার থানার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ‘লাশের সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
২ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে