সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-মাওয়া অংশের রেললাইনে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে ট্র্যাক কার। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ট্র্যাক কারটি ঢাকার গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন থেকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পুরো অংশ ঘুরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরীক্ষামূলক ট্র্যাক কারটি মাওয়া এসে পৌঁছায়।
চলতি পথে ট্র্যাক কারটিতে থাকা পর্যবেক্ষক দল ঢাকা-মাওয়া অংশে স্থাপিত রেল লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে ও স্টেশনে ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় ঢাকা থেকে রেলপথে মাওয়া স্টেশনে আসেন রেলওয়ে জিডি কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিউল ও কর্নেল মো. ফারুক হোসেন।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-মাওয়া অংশের রেললাইনে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে ট্র্যাক কার। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ট্র্যাক কারটি ঢাকার গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন থেকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পুরো অংশ ঘুরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরীক্ষামূলক ট্র্যাক কারটি মাওয়া এসে পৌঁছায়।
চলতি পথে ট্র্যাক কারটিতে থাকা পর্যবেক্ষক দল ঢাকা-মাওয়া অংশে স্থাপিত রেল লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে ও স্টেশনে ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় ঢাকা থেকে রেলপথে মাওয়া স্টেশনে আসেন রেলওয়ে জিডি কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিউল ও কর্নেল মো. ফারুক হোসেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে