গাজীপুর প্রতিনিধি

বহুল প্রত্যাশিত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের নানান সমস্যার সমাধান না করে এবং কাজ অসমাপ্ত রেখেই বাস চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। জনভোগান্তি কমাতে মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে গতকাল রোববার সকালে বিআরটিসির ১০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস দিয়ে এই সেবা শুরু করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এই সেবার উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফাওজুল কবির খান প্রকল্পের বিভিন্ন সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘কাজ শুরুর পরে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটির কাজ শেষ হচ্ছে না। এটি একটি রুগ্ণ প্রকল্প, সেটা আমরা আগে থেকেই জানি। অনেকবার সময় বাড়ানো হয়েছে, তারপরও কাজ শেষ হয়নি। এই প্রকল্প মানুষের কোনো উপকারে আসছিল না। তাই প্রাথমিকভাবে আমরা পরীক্ষামূলকভাবে বিআরটি লেনে ১০টি বিআরটিসি বাস দিয়ে বাস সার্ভিস চালু করেছি। এ সার্ভিস চলার সময় যেসব সমস্যা দেখা যাবে, সেগুলো ধারাবাহিকভাবে সমাধান করা হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হক। উপস্থিত ছিলেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, বিআরটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মনিরুজ্জামান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিন প্রমুখ।
উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে বাসগুলো শিববাড়ী থেকে বিআরটি লেন দিয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত যাবে। তারপর বাসগুলো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট নেমে সেখান থেকে অন্যান্য বাসের মতো গুলিস্তান পর্যন্ত যাতায়াত করবে। তিনি বলেন, বিআরটি লেন দিয়ে বিআরটিসি বাসের পাশাপাশি এখন বিভিন্ন ব্যক্তিগত যান-কার ও মাইক্রোবাসও চলতে পারবে। এর মাধ্যমে গাজীপুরের মানুষ বাসায় থেকে ঢাকায় গিয়ে অফিস করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে প্রকল্পের শুরুতে ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে। দফায় দফায় প্রকল্পের সময় বাড়িয়ে বাড়ানো হয় প্রকল্প ব্যয়, এতে বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ। সবশেষ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। শুরুতে এ প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ছিল চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত। পরে প্রকল্পটি সংকুচিত হয়ে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ঢাকা বিমানবন্দর পর্যন্ত করা হয়েছে।
বিআরটি লেনে বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালু হলেও বাসের স্টেশনগুলোর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। সব স্টেশনে ময়লার স্তূপ। ফুটওভারব্রিজের কাজও অসমাপ্ত। সিঁড়িতে লাগানো হয়নি নিরাপত্তাবেষ্টনী। দেয়ালের প্লাস্টারও এখনো বাকি। কোথাও কোথাও ইলেকট্রিক সিঁড়ি দেওয়া হলেও সেগুলো বিকল অবস্থায় আছে। অনেক স্টেশনে যাত্রী যাতায়াতের ফুটওভারব্রিজ করা হয়েছে মহাসড়কের পাশে ফুটপাতের ওপর। ফলে পথচারীদের হাঁটার সময় ফুটপাত ছেড়ে মহাসড়কে নেমে চলতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। অপরদিকে, প্রতিদিন লাখ লাখ পোশাকশ্রমিক রাস্তা পারাপার হন। এ ছাড়া সাধারণ পথচারীর রাস্তা পারাপারের কোনো ব্যবস্থাই করা হয়নি। ফলে ব্যস্ততম মহাসড়কে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

বহুল প্রত্যাশিত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের নানান সমস্যার সমাধান না করে এবং কাজ অসমাপ্ত রেখেই বাস চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। জনভোগান্তি কমাতে মহান বিজয় দিবস সামনে রেখে গতকাল রোববার সকালে বিআরটিসির ১০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস দিয়ে এই সেবা শুরু করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এই সেবার উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফাওজুল কবির খান প্রকল্পের বিভিন্ন সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘কাজ শুরুর পরে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটির কাজ শেষ হচ্ছে না। এটি একটি রুগ্ণ প্রকল্প, সেটা আমরা আগে থেকেই জানি। অনেকবার সময় বাড়ানো হয়েছে, তারপরও কাজ শেষ হয়নি। এই প্রকল্প মানুষের কোনো উপকারে আসছিল না। তাই প্রাথমিকভাবে আমরা পরীক্ষামূলকভাবে বিআরটি লেনে ১০টি বিআরটিসি বাস দিয়ে বাস সার্ভিস চালু করেছি। এ সার্ভিস চলার সময় যেসব সমস্যা দেখা যাবে, সেগুলো ধারাবাহিকভাবে সমাধান করা হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হক। উপস্থিত ছিলেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, বিআরটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মনিরুজ্জামান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিন প্রমুখ।
উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে বাসগুলো শিববাড়ী থেকে বিআরটি লেন দিয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত যাবে। তারপর বাসগুলো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট নেমে সেখান থেকে অন্যান্য বাসের মতো গুলিস্তান পর্যন্ত যাতায়াত করবে। তিনি বলেন, বিআরটি লেন দিয়ে বিআরটিসি বাসের পাশাপাশি এখন বিভিন্ন ব্যক্তিগত যান-কার ও মাইক্রোবাসও চলতে পারবে। এর মাধ্যমে গাজীপুরের মানুষ বাসায় থেকে ঢাকায় গিয়ে অফিস করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে প্রকল্পের শুরুতে ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে। দফায় দফায় প্রকল্পের সময় বাড়িয়ে বাড়ানো হয় প্রকল্প ব্যয়, এতে বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ। সবশেষ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। শুরুতে এ প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ছিল চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত। পরে প্রকল্পটি সংকুচিত হয়ে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ঢাকা বিমানবন্দর পর্যন্ত করা হয়েছে।
বিআরটি লেনে বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালু হলেও বাসের স্টেশনগুলোর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। সব স্টেশনে ময়লার স্তূপ। ফুটওভারব্রিজের কাজও অসমাপ্ত। সিঁড়িতে লাগানো হয়নি নিরাপত্তাবেষ্টনী। দেয়ালের প্লাস্টারও এখনো বাকি। কোথাও কোথাও ইলেকট্রিক সিঁড়ি দেওয়া হলেও সেগুলো বিকল অবস্থায় আছে। অনেক স্টেশনে যাত্রী যাতায়াতের ফুটওভারব্রিজ করা হয়েছে মহাসড়কের পাশে ফুটপাতের ওপর। ফলে পথচারীদের হাঁটার সময় ফুটপাত ছেড়ে মহাসড়কে নেমে চলতে হয়। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। অপরদিকে, প্রতিদিন লাখ লাখ পোশাকশ্রমিক রাস্তা পারাপার হন। এ ছাড়া সাধারণ পথচারীর রাস্তা পারাপারের কোনো ব্যবস্থাই করা হয়নি। ফলে ব্যস্ততম মহাসড়কে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে