নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের কর্মীরা। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল বুধবার (২৮ মে) থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁরা সেখানে অবস্থান করছিলেন।
কিশোরগঞ্জ থেকে আসা তথ্য আপা প্রকল্পের কর্মী ফেরদৌসী জান্নাত বলেন, ‘সারা দেশ থেকে আমাদের কর্মীরা আসছেন। আমাদের রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা অরাজনৈতিক। জীবিকার তাগিদে আমরা এখানে এসেছি। আমরা শুধু চাকরির নিশ্চয়তা চাই। আমাদের রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য নেই।’
অনশন কর্মসূচিতে আসা তথ্য আপা প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) কর্মীরা বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে বিগত সাত বছরেরও অধিক সময় ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি নারীর ক্ষমতায়নের জন্য। আর এক মাস পরে আমাদের প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রায় দুই হাজার নারী একযোগে বেকার হয়ে যাব। যারা নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে এই প্রকল্পের অর্জন ৯০ শতাংশ করেছে, তারাই আজ ক্ষমতাহীন হওয়ার পথে। জুনের পর থেকে এই জনবল ও তাদের পরিবার এক অসহনীয় দুর্দশায় পড়তে যাচ্ছে।’
তথ্য আপারা জানান, তাঁরা উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিন ধাপে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। ৪৯২টি উপজেলায় তথ্যকেন্দ্রে একজন করে তথ্যসেবা কর্মকর্তা (দশম গ্রেড), দুজন তথ্যসেবা সহকারী (১৬তম গ্রেড), একজন অফিস সহায়কসহ (২০তম গ্রেড) মোট ১ হাজার ৯৬৮ জন মাঠপর্যায়ে কর্মরত রয়েছেন। তাঁরা তৃণমূল নারীদের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, আইন, জেন্ডার, ব্যবসা, পরিবার পরিকল্পনা ও সাইবার সিকিউরিটি—এই আটটি বিষয়ে জরুরি তথ্য সরবরাহ ও সহায়তা দিয়ে থাকেন।
তথ্য আপারা অভিযোগ করে বলেন, নিয়োগপত্র অনুযায়ী বেতন না দিয়ে প্রকল্পের সাবেক পরিচালক মিনা পারভীন বেতন কমিয়ে দেন। এ বিষয়ে কোনো লিখিত চিঠিও দেওয়া হয়নি।
আমিনা খানম নামের একজন কর্মী বলেন, ‘আমাদের ১৬ গ্রেডের তথ্যসেবা সহকারীদের বেতন ২০ গ্রেডের অফিস সহায়কের থেকে কম। যেটা চরম বৈষম্য ও অসম্মানজনক। রাজস্বের আশ্বাস দিয়েও কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমাদের প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। প্রকল্পের সফলতার হার ৯০ শতাংশের বেশি। এরপরও আমাদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে পদ সৃজনের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
এর আগে গত বছর আগস্টে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো ও রাজস্বকরণের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ করেছিলেন তথ্য আপারা। তাঁরা জানান, সেই কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয় এবং প্রশিক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সেই প্রশিক্ষণ তাঁরা পাননি। প্রকল্পের মেয়াদও এখন শেষের পথে। ইতিমধ্যে অফিস ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তথ্য আপাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রকল্পে কর্মরত জনবলকে সমগ্রেডে পদসৃজনপূর্বক রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা, যেহেতু রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের জন্য সময়ের প্রয়োজন, তাই প্রয়োজনীয় সময় ৩-৫ বছর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো, পদসৃজন করে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর সম্ভব না হলে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শূন্যপদের ভিত্তিতে সমগ্রেডে আত্তীকরণ করা এবং কর্তনকৃত বেতন ও ভাতা দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়া।

চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের কর্মীরা। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল বুধবার (২৮ মে) থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁরা সেখানে অবস্থান করছিলেন।
কিশোরগঞ্জ থেকে আসা তথ্য আপা প্রকল্পের কর্মী ফেরদৌসী জান্নাত বলেন, ‘সারা দেশ থেকে আমাদের কর্মীরা আসছেন। আমাদের রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা অরাজনৈতিক। জীবিকার তাগিদে আমরা এখানে এসেছি। আমরা শুধু চাকরির নিশ্চয়তা চাই। আমাদের রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য নেই।’
অনশন কর্মসূচিতে আসা তথ্য আপা প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) কর্মীরা বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে বিগত সাত বছরেরও অধিক সময় ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি নারীর ক্ষমতায়নের জন্য। আর এক মাস পরে আমাদের প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রায় দুই হাজার নারী একযোগে বেকার হয়ে যাব। যারা নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে এই প্রকল্পের অর্জন ৯০ শতাংশ করেছে, তারাই আজ ক্ষমতাহীন হওয়ার পথে। জুনের পর থেকে এই জনবল ও তাদের পরিবার এক অসহনীয় দুর্দশায় পড়তে যাচ্ছে।’
তথ্য আপারা জানান, তাঁরা উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিন ধাপে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। ৪৯২টি উপজেলায় তথ্যকেন্দ্রে একজন করে তথ্যসেবা কর্মকর্তা (দশম গ্রেড), দুজন তথ্যসেবা সহকারী (১৬তম গ্রেড), একজন অফিস সহায়কসহ (২০তম গ্রেড) মোট ১ হাজার ৯৬৮ জন মাঠপর্যায়ে কর্মরত রয়েছেন। তাঁরা তৃণমূল নারীদের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, আইন, জেন্ডার, ব্যবসা, পরিবার পরিকল্পনা ও সাইবার সিকিউরিটি—এই আটটি বিষয়ে জরুরি তথ্য সরবরাহ ও সহায়তা দিয়ে থাকেন।
তথ্য আপারা অভিযোগ করে বলেন, নিয়োগপত্র অনুযায়ী বেতন না দিয়ে প্রকল্পের সাবেক পরিচালক মিনা পারভীন বেতন কমিয়ে দেন। এ বিষয়ে কোনো লিখিত চিঠিও দেওয়া হয়নি।
আমিনা খানম নামের একজন কর্মী বলেন, ‘আমাদের ১৬ গ্রেডের তথ্যসেবা সহকারীদের বেতন ২০ গ্রেডের অফিস সহায়কের থেকে কম। যেটা চরম বৈষম্য ও অসম্মানজনক। রাজস্বের আশ্বাস দিয়েও কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমাদের প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। প্রকল্পের সফলতার হার ৯০ শতাংশের বেশি। এরপরও আমাদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে পদ সৃজনের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
এর আগে গত বছর আগস্টে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো ও রাজস্বকরণের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ করেছিলেন তথ্য আপারা। তাঁরা জানান, সেই কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয় এবং প্রশিক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সেই প্রশিক্ষণ তাঁরা পাননি। প্রকল্পের মেয়াদও এখন শেষের পথে। ইতিমধ্যে অফিস ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তথ্য আপাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রকল্পে কর্মরত জনবলকে সমগ্রেডে পদসৃজনপূর্বক রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা, যেহেতু রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের জন্য সময়ের প্রয়োজন, তাই প্রয়োজনীয় সময় ৩-৫ বছর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো, পদসৃজন করে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর সম্ভব না হলে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শূন্যপদের ভিত্তিতে সমগ্রেডে আত্তীকরণ করা এবং কর্তনকৃত বেতন ও ভাতা দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়া।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে