মো. নাজিম উদ্দিন, কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার বৃহৎ একটি অংশের ওপর দিয়ে নির্মিত হয়েছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে। অন্যদিকে রয়েছে ঢাকা-বান্দুরা সড়ক। এসব সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের দেখভাল না থাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ফিটনেসবিহীন গাড়ি। সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচলের বিষয়ে উচ্চ আদালতের একাধিক নির্দেশনা থাকলেও সেগুলোর তোয়াক্কা না করেই চলছে এসব গাড়ি।
আজ সোমবার কেরানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সড়কে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আবদুল্লাহপুর থেকে রাজধানীর নয়াবাজার পর্যন্ত চলাচল করে যৌথ পরিবহনের হিউম্যানহলার। এই পরিবহনের গাড়িগুলো নামে হিউম্যানহলার হলেও আদতে এগুলো টাটা কোম্পানির মালবাহী পিকআপ। এসব পিকআপের পেছনের অংশ পরিবর্তন করে তৈরি করা হয়েছে হিউম্যানহলার।
এদিকে উপজেলার চুনকুটিয়া ও কদমতলী থেকে গুলিস্তান চলাচলকারী নগর পরিবহনের প্রতিটি গাড়িই ফিটনেসবিহীন। এসব গাড়ির কোনোটির লুকিং গ্লাস নেই, আবার কোনোটির দরজা নেই। কোনো কোনো গাড়িতে যাত্রী বসার সিটও ভাঙা। অথচ ট্রাফিক পুলিশের সামনেই চলছে ফিটনেসবিহীন এসব যানবাহন।
মুন্সিগঞ্জের মাওয়া থেকে আসা যাত্রী রফিকুল আলম বলেন, ‘আমি মাওয়া থেকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী আসার উদ্দেশে একটি বাসে উঠি। বাসে সামনের দিকে সিট না পেয়ে পেছনের দিকে গিয়ে দেখি পেছনের সিটের ফাঁকা দিয়ে রাস্তা দেখা যায়। পরে আমি ভয়ে ওই গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে অন্য গাড়িতে গন্তব্যে পৌঁছায়।’
একই অভিযোগ করেন রাজধানীর বসুন্ধরাগামী যাত্রী আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আকাশ পরিবহনের একটি গাড়িতে উঠে সিটে বসতেই দেখি পায়ের নিচে বাসের বডি ভাঙা। সেখান দিয়ে রাস্তা দেখা যাচ্ছে। বাসের মধ্যে এমন ভাঙা, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ঢাকা-বান্দুরা রুটের বাসচালক জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমরাও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালাতে চাই না। রাস্তায় পুলিশের ঝামেলা আমাদেরই দেখতে হয়। অথচ বাস মালিকেরা সময়মতো বাসগুলো মেরামত করলেই আমাদের এত ঝামেলায় পড়তে হয় না।’
এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) পিযুষ সরকার বলেন, ‘ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিষয়ে আমাদের কার্যক্রম চলছে। এগুলো আমাদের নজরে এলেই রেকার লাগানো হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত মামলা ও জরিমানাও করা হচ্ছে।’
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটির (বিআরটিএ) পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মাহবুব-ই-রব্বানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঢাকায় আমাদের প্রতিদিন ৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। তা ছাড়া নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল রোধ করতে পুলিশি তৎপরতা বাড়াতে হবে।’

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার বৃহৎ একটি অংশের ওপর দিয়ে নির্মিত হয়েছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে। অন্যদিকে রয়েছে ঢাকা-বান্দুরা সড়ক। এসব সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের দেখভাল না থাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ফিটনেসবিহীন গাড়ি। সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচলের বিষয়ে উচ্চ আদালতের একাধিক নির্দেশনা থাকলেও সেগুলোর তোয়াক্কা না করেই চলছে এসব গাড়ি।
আজ সোমবার কেরানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সড়কে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আবদুল্লাহপুর থেকে রাজধানীর নয়াবাজার পর্যন্ত চলাচল করে যৌথ পরিবহনের হিউম্যানহলার। এই পরিবহনের গাড়িগুলো নামে হিউম্যানহলার হলেও আদতে এগুলো টাটা কোম্পানির মালবাহী পিকআপ। এসব পিকআপের পেছনের অংশ পরিবর্তন করে তৈরি করা হয়েছে হিউম্যানহলার।
এদিকে উপজেলার চুনকুটিয়া ও কদমতলী থেকে গুলিস্তান চলাচলকারী নগর পরিবহনের প্রতিটি গাড়িই ফিটনেসবিহীন। এসব গাড়ির কোনোটির লুকিং গ্লাস নেই, আবার কোনোটির দরজা নেই। কোনো কোনো গাড়িতে যাত্রী বসার সিটও ভাঙা। অথচ ট্রাফিক পুলিশের সামনেই চলছে ফিটনেসবিহীন এসব যানবাহন।
মুন্সিগঞ্জের মাওয়া থেকে আসা যাত্রী রফিকুল আলম বলেন, ‘আমি মাওয়া থেকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী আসার উদ্দেশে একটি বাসে উঠি। বাসে সামনের দিকে সিট না পেয়ে পেছনের দিকে গিয়ে দেখি পেছনের সিটের ফাঁকা দিয়ে রাস্তা দেখা যায়। পরে আমি ভয়ে ওই গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে অন্য গাড়িতে গন্তব্যে পৌঁছায়।’
একই অভিযোগ করেন রাজধানীর বসুন্ধরাগামী যাত্রী আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আকাশ পরিবহনের একটি গাড়িতে উঠে সিটে বসতেই দেখি পায়ের নিচে বাসের বডি ভাঙা। সেখান দিয়ে রাস্তা দেখা যাচ্ছে। বাসের মধ্যে এমন ভাঙা, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ঢাকা-বান্দুরা রুটের বাসচালক জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমরাও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালাতে চাই না। রাস্তায় পুলিশের ঝামেলা আমাদেরই দেখতে হয়। অথচ বাস মালিকেরা সময়মতো বাসগুলো মেরামত করলেই আমাদের এত ঝামেলায় পড়তে হয় না।’
এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) পিযুষ সরকার বলেন, ‘ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিষয়ে আমাদের কার্যক্রম চলছে। এগুলো আমাদের নজরে এলেই রেকার লাগানো হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত মামলা ও জরিমানাও করা হচ্ছে।’
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটির (বিআরটিএ) পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মাহবুব-ই-রব্বানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঢাকায় আমাদের প্রতিদিন ৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। তা ছাড়া নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল রোধ করতে পুলিশি তৎপরতা বাড়াতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৫ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৫ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৫ ঘণ্টা আগে