আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সম্প্রতি দেশব্যাপী ধর্ষণ, ডাকাতি, ছিনতাই ও খুনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজে, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এই কর্মসূচি পালন করেছেন।
রাজধানীর আসাদগেট ও জিগাতলা এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার সকাল ১০টার পর আসাদগেট এলাকায় সড়ক আটকে মিছিল করে আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কে যানজট তৈরি হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম আজম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আশপাশের প্রতিষ্ঠানের ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে তারা আটকে রাখা গাড়ি ছেড়ে সড়কের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। বেলা ২টার দিকে তারা সড়ক থেকে চলে যায়।’
এর আগে রোববার বেলা ১১টার দিকে নিউমার্কেট-মিরপুর সড়কের আসাদগেট এলাকায় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। অবরোধে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ও এলাকার জনতা অংশ নেন।
প্রথম দিকে আসাদগেটের পুরো সড়ক অবরোধ করা হয়। পরে তালুকদার ফিলিং স্টেশনের সামনের একপাশে অবস্থান নেন তাঁরা। এ সময় তাঁরা ধর্ষণকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও প্রকাশ্যে বিচার দাবি করেন।
সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ এবং নারী-শিশুসহ সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ সকালে কলেজের বকুলতলায় এই সমাবেশ করেন তাঁরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
একই দাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। সকালে বাড্ডায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন কিছু শিক্ষার্থী।
একই দাবিতে দুপুরে সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরাও কলেজের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ধর্ষণসহ ডাকাতি, গুম, খুনের সংখ্যা লাগাতার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হচ্ছে। এই অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা না হলে কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।

নাসরিন জাহান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ব্যক্তিগতভাবে এখন অনিরাপদ বোধ করছেন। চব্বিশের আন্দোলনে ছিলেন, চব্বিশ-পরবর্তী সময়ে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে সম্পূর্ণ এর বিপরীত দেখতে পাচ্ছেন।
দেশব্যাপী ছিনতাই, হামলা, চাঁদাবাজি, ধর্ষণের মতো অপরাধ বেড়ে যাওয়া ও দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে বলে দাবি করে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। আজ রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এই প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান সানি বলেন, ‘দেশে হঠাৎ করে ধর্ষণ, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। সরকারের উচিত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে নিরাপদে বাঁচতে চাই। জীবনের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দিতে হবে। ধর্ষকদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অপারেশন ডেভিল হান্টের মতো ‘‘অপারেশন রেপিস্ট হান্ট’’ শুরু করুন।’
গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ইউনিক রোড রয়েলস নামের চলন্ত বাসে ডাকাতি ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। বাসটি গাবতলী থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের হাইটেক সিটি পার্ক এলাকা অতিক্রমের পর বাসে যাত্রীবেশে ডাকাতেরা যাত্রীদের জিম্মি করে ফেলে।
এ ঘটনায় নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার ওসিকে প্রত্যাহার ও মির্জাপুর থানার এএসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকার সাভার থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সম্প্রতি দেশব্যাপী ধর্ষণ, ডাকাতি, ছিনতাই ও খুনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজে, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এই কর্মসূচি পালন করেছেন।
রাজধানীর আসাদগেট ও জিগাতলা এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার সকাল ১০টার পর আসাদগেট এলাকায় সড়ক আটকে মিছিল করে আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কে যানজট তৈরি হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম আজম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আশপাশের প্রতিষ্ঠানের ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যে তারা আটকে রাখা গাড়ি ছেড়ে সড়কের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। বেলা ২টার দিকে তারা সড়ক থেকে চলে যায়।’
এর আগে রোববার বেলা ১১টার দিকে নিউমার্কেট-মিরপুর সড়কের আসাদগেট এলাকায় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। অবরোধে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ও এলাকার জনতা অংশ নেন।
প্রথম দিকে আসাদগেটের পুরো সড়ক অবরোধ করা হয়। পরে তালুকদার ফিলিং স্টেশনের সামনের একপাশে অবস্থান নেন তাঁরা। এ সময় তাঁরা ধর্ষণকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও প্রকাশ্যে বিচার দাবি করেন।
সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ এবং নারী-শিশুসহ সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ সকালে কলেজের বকুলতলায় এই সমাবেশ করেন তাঁরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
একই দাবিতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। সকালে বাড্ডায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন কিছু শিক্ষার্থী।
একই দাবিতে দুপুরে সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরাও কলেজের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ধর্ষণসহ ডাকাতি, গুম, খুনের সংখ্যা লাগাতার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হচ্ছে। এই অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা না হলে কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।

নাসরিন জাহান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ব্যক্তিগতভাবে এখন অনিরাপদ বোধ করছেন। চব্বিশের আন্দোলনে ছিলেন, চব্বিশ-পরবর্তী সময়ে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে সম্পূর্ণ এর বিপরীত দেখতে পাচ্ছেন।
দেশব্যাপী ছিনতাই, হামলা, চাঁদাবাজি, ধর্ষণের মতো অপরাধ বেড়ে যাওয়া ও দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে বলে দাবি করে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। আজ রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এই প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান সানি বলেন, ‘দেশে হঠাৎ করে ধর্ষণ, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। সরকারের উচিত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে নিরাপদে বাঁচতে চাই। জীবনের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দিতে হবে। ধর্ষকদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অপারেশন ডেভিল হান্টের মতো ‘‘অপারেশন রেপিস্ট হান্ট’’ শুরু করুন।’
গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ইউনিক রোড রয়েলস নামের চলন্ত বাসে ডাকাতি ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। বাসটি গাবতলী থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের হাইটেক সিটি পার্ক এলাকা অতিক্রমের পর বাসে যাত্রীবেশে ডাকাতেরা যাত্রীদের জিম্মি করে ফেলে।
এ ঘটনায় নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার ওসিকে প্রত্যাহার ও মির্জাপুর থানার এএসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকার সাভার থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে