নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

একজন পুরুষ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে যতটুকু সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন, একজন নারী শিক্ষার্থীরও ঠিক ততটুকুই সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা উচিত বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলে ভিপি (সহসভাপতি) প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ডাইনোসর যুগের আইন আছে। সেটি হলো একজন নারী শিক্ষার্থী তাঁর বৈধ কাগজপত্র সব থাকার পরও তিনি যে হলে বসবাস করেন, তার পাশের হলের বান্ধবীর কাছে যেতে পারেন না, দেখা করতে পারেন না। বর্তমান যুগে এটা কোনো ধারা বা কোনো পরিস্থিতিতে মেনে নেওয়া যায় না। এটা কেমন আইন, আমার বৈধ সব কাগজপত্র থাকার পরও আমি আমার পাশের হলে বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে পারব না।’
আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।
আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েদের হলে আরও একটি সমস্যা আছে। তা হলো, কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর তাঁর বাসা থেকে মা-বাবা এলে বাইরে বসে থাকতে হয়। তাঁর মাকেও গেস্টরুমের বাইরে যেতে দেওয়া হয় না। এগুলো এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা ও কালাকানুন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমাদের সুবিধা ও সুযোগ দরকার। এখানে যদি আমাকে জেলবন্দী ও আবদ্ধ করে রাখার মতো কৌশল করা হয়, তা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিষয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, ডিপার্টমেন্টে যেখানে ৮০ জন শিক্ষার্থী বসার সুযোগ, সেখানে ২০৫ জন শিক্ষার্থী বসছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন শিক্ষককে ২০০ জন শিক্ষার্থীর ক্লাস নিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সামগ্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নতিতে ফোকাস করতে চাই। আমরা হাসিনার অপসংস্কৃতির রাজনীতিকে ঘৃণা করি। সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি সম্পূর্ণভাবে কোয়ালিটিনির্ভর হবে, কোয়ান্টিটিনির্ভর নয়।’

একজন পুরুষ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে যতটুকু সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন, একজন নারী শিক্ষার্থীরও ঠিক ততটুকুই সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা উচিত বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলে ভিপি (সহসভাপতি) প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ডাইনোসর যুগের আইন আছে। সেটি হলো একজন নারী শিক্ষার্থী তাঁর বৈধ কাগজপত্র সব থাকার পরও তিনি যে হলে বসবাস করেন, তার পাশের হলের বান্ধবীর কাছে যেতে পারেন না, দেখা করতে পারেন না। বর্তমান যুগে এটা কোনো ধারা বা কোনো পরিস্থিতিতে মেনে নেওয়া যায় না। এটা কেমন আইন, আমার বৈধ সব কাগজপত্র থাকার পরও আমি আমার পাশের হলে বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে পারব না।’
আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।
আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েদের হলে আরও একটি সমস্যা আছে। তা হলো, কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর তাঁর বাসা থেকে মা-বাবা এলে বাইরে বসে থাকতে হয়। তাঁর মাকেও গেস্টরুমের বাইরে যেতে দেওয়া হয় না। এগুলো এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা ও কালাকানুন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমাদের সুবিধা ও সুযোগ দরকার। এখানে যদি আমাকে জেলবন্দী ও আবদ্ধ করে রাখার মতো কৌশল করা হয়, তা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিষয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, ডিপার্টমেন্টে যেখানে ৮০ জন শিক্ষার্থী বসার সুযোগ, সেখানে ২০৫ জন শিক্ষার্থী বসছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন শিক্ষককে ২০০ জন শিক্ষার্থীর ক্লাস নিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সামগ্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নতিতে ফোকাস করতে চাই। আমরা হাসিনার অপসংস্কৃতির রাজনীতিকে ঘৃণা করি। সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি সম্পূর্ণভাবে কোয়ালিটিনির্ভর হবে, কোয়ান্টিটিনির্ভর নয়।’

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩৫ মিনিট আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
২ ঘণ্টা আগে