নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর আদাবর থানাধীন নবোদয়ের ঢাল এলাকার লেগুনা স্ট্যান্ডের পাশে গত ১৪ মার্চ মধ্যরাতে ধর্ষণের শিকার হয় এক শিশু। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে কেরানিগঞ্জের ঘাটারচর এলাকা থেকে ইউসুফ ফরাজীকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এর আগে এ মামলায় সেলিম (৩৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে র্যাব-২-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শিহাব করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ঘটনার দিন রাতে ভুক্তভোগী শিশুটিকে রাস্তায় একা পেয়ে নবোদয় হাউজিংয়ের ঢালে উড়াল পাখি লেগুনা স্ট্যান্ডের পাশের একটি রুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটিকে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় হাঁটতে দেখে বড় বোন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে ভিকটিমের বাবা নিজে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে আদাবর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
শিহাব করিম বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সেলিম (৩৮) পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি বলেন, শিশু ধর্ষণের প্রধান পরিকল্পনাকারী ইউসুফ ফরাজী (৩৮)। ঘটনার পর থেকে পলাতক ইউসুফ ফরাজি (৩৮) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকতেন তিনি। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, গত ১৪ মার্চ সন্ধ্যায় বড় বোনের সঙ্গে ঘুরতে বের হয় শিশুটি। ঘুরতে ঘুরতে তারা রাত ৯টার দিকে টাউন হল এলাকায় আসে। টাউন হল এলাকায় কিছুক্ষণ অবস্থানের পর তার বড় বোনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। তখন বড় বোন তাকে ফেলে অন্য বান্ধবীদের সঙ্গে চলে যায়। শিশুটি একা হাঁটতে হাঁটতে ইকবাল রোডের দিকে যায়। আনুমানিক রাত সাড়ে ১১টার দিকে অটোচালক সেলিম ও তাঁর সহযোগী (ইউসুফ ফরাজী) শিশুটিকে ফুসলিয়ে সিএনজিতে তোলেন।

রাজধানীর আদাবর থানাধীন নবোদয়ের ঢাল এলাকার লেগুনা স্ট্যান্ডের পাশে গত ১৪ মার্চ মধ্যরাতে ধর্ষণের শিকার হয় এক শিশু। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে কেরানিগঞ্জের ঘাটারচর এলাকা থেকে ইউসুফ ফরাজীকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এর আগে এ মামলায় সেলিম (৩৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে র্যাব-২-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শিহাব করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ঘটনার দিন রাতে ভুক্তভোগী শিশুটিকে রাস্তায় একা পেয়ে নবোদয় হাউজিংয়ের ঢালে উড়াল পাখি লেগুনা স্ট্যান্ডের পাশের একটি রুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটিকে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় হাঁটতে দেখে বড় বোন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে ভিকটিমের বাবা নিজে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে আদাবর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
শিহাব করিম বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সেলিম (৩৮) পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি বলেন, শিশু ধর্ষণের প্রধান পরিকল্পনাকারী ইউসুফ ফরাজী (৩৮)। ঘটনার পর থেকে পলাতক ইউসুফ ফরাজি (৩৮) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকতেন তিনি। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, গত ১৪ মার্চ সন্ধ্যায় বড় বোনের সঙ্গে ঘুরতে বের হয় শিশুটি। ঘুরতে ঘুরতে তারা রাত ৯টার দিকে টাউন হল এলাকায় আসে। টাউন হল এলাকায় কিছুক্ষণ অবস্থানের পর তার বড় বোনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। তখন বড় বোন তাকে ফেলে অন্য বান্ধবীদের সঙ্গে চলে যায়। শিশুটি একা হাঁটতে হাঁটতে ইকবাল রোডের দিকে যায়। আনুমানিক রাত সাড়ে ১১টার দিকে অটোচালক সেলিম ও তাঁর সহযোগী (ইউসুফ ফরাজী) শিশুটিকে ফুসলিয়ে সিএনজিতে তোলেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে