শেকৃবি প্রতিনিধি, ঢাকা

‘আপনি হলে এসেছেন আর আমি জানি না, বিষয়টা কেমন না? প্রক্টর স্যারও হলে আসলে আমাকে ফোন দেয়। আপনি আমাকে ইনফর্ম (জানিয়ে) করে হলে আসতেন। আমাকে না নিয়ে আপনি কেন এখানে ঢুকলেন।’ গত মঙ্গলবার রাতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল পরিদর্শনের সময় হলের প্রভোস্টদের ওপর এভাবে চড়াও হন হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সজীব হোসাইন। তাঁকে নিয়ে হলে ঢুকতে হবে কেন জানতে চেয়ে সহকারী প্রভোস্ট শেখ মো. মাসুম বলেন, ‘তুমি আমার (প্রশাসনের) বডিতে কোথায়?’
হল ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব বলেন, ‘ছাত্রলীগ কি প্রশাসনের বডি (সম্পৃক্ত) না? উইথআউট ছাত্রলীগ (ছাত্রলীগ ছাড়া) আপনারা কি প্রশাসন চালাতে পারবেন? এরা (অনুসারীরা) যদি এখানে একটা ঝামেলা করে, তাহলে আপনি কী করবেন?’
ওই রাতের সেই বাগ্বিতণ্ডার ৯ মিনিট ২ সেকেন্ডের একটি রেকর্ডিং থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা হলের ডাইনিং রুমে মিটিং শুরু করেন। এ সময় দুই সহকারী প্রভোস্ট শেখ মো. মাসুম ও মো. শরিফুল ইসলাম হলে আসেন। শিক্ষার্থীরা এত রাতে কী করছেন তা জানতে চান। কিছুক্ষণ পরই সেখানে হাজির হন কবি নজরুল হল ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব। পরিদর্শনরত শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
কিছু সময় পর ঘটনাস্থলে আসেন আরেক সহকারী প্রভোস্ট রাকিবুর রহমান। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এমন তো না যে আমরা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে এসে কোনো কাজ করছি। আমরা সবাই আমাদের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই কাজ করছি।’
রাতে কী হয়েছিল, জানতে চাইলে সহকারী প্রভোস্ট শেখ মো. মাসুম বলেন, ‘কিছুদিন আগে ক্যানটিন ম্যানেজার জাহিদ জানিয়েছেন, তিনি আর ক্যানটিন চালাবেন না। সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাতে আমি ও শরিফুল ইসলাম সেখানে যাই। হলে ঢুকতেই ডাইনিংয়ে ছাত্রদের জটলা দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলি। এরপর সেখানে যা হয়েছে তা আমার সহকর্মী ও উপস্থিত সবাই জানে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। তাঁরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করি।’
প্রভোস্টদের ওপর চড়াও হওয়ার বিষয়ে হল ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব হোসাইন প্রথমে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে আবার বলেন, ‘না না, এসব ভিত্তিহীন।’
এ ব্যাপারে শেকৃবির প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টা আমরা জেনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, ছাত্রলীগের যেকোনো পদধারীই হোক না কেন, এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ছাত্রলীগ সভাপতিকে ফোন দিয়ে হলে যান কি না, এ প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর ড. মো. হারুনুর রশিদ সুমন বলেন, ‘যে এই কথা বলেছে, তার ফোন নম্বরই আমার কাছে নেই। আর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে কেন আমি ফোন দিতে যাব।’ ২৪ মে রাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মৌখিকভাবে বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টদের লিখিতভাবে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। এরপর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ছাত্রলীগ সম্পর্কিত খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন

‘আপনি হলে এসেছেন আর আমি জানি না, বিষয়টা কেমন না? প্রক্টর স্যারও হলে আসলে আমাকে ফোন দেয়। আপনি আমাকে ইনফর্ম (জানিয়ে) করে হলে আসতেন। আমাকে না নিয়ে আপনি কেন এখানে ঢুকলেন।’ গত মঙ্গলবার রাতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল পরিদর্শনের সময় হলের প্রভোস্টদের ওপর এভাবে চড়াও হন হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সজীব হোসাইন। তাঁকে নিয়ে হলে ঢুকতে হবে কেন জানতে চেয়ে সহকারী প্রভোস্ট শেখ মো. মাসুম বলেন, ‘তুমি আমার (প্রশাসনের) বডিতে কোথায়?’
হল ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব বলেন, ‘ছাত্রলীগ কি প্রশাসনের বডি (সম্পৃক্ত) না? উইথআউট ছাত্রলীগ (ছাত্রলীগ ছাড়া) আপনারা কি প্রশাসন চালাতে পারবেন? এরা (অনুসারীরা) যদি এখানে একটা ঝামেলা করে, তাহলে আপনি কী করবেন?’
ওই রাতের সেই বাগ্বিতণ্ডার ৯ মিনিট ২ সেকেন্ডের একটি রেকর্ডিং থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা হলের ডাইনিং রুমে মিটিং শুরু করেন। এ সময় দুই সহকারী প্রভোস্ট শেখ মো. মাসুম ও মো. শরিফুল ইসলাম হলে আসেন। শিক্ষার্থীরা এত রাতে কী করছেন তা জানতে চান। কিছুক্ষণ পরই সেখানে হাজির হন কবি নজরুল হল ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব। পরিদর্শনরত শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
কিছু সময় পর ঘটনাস্থলে আসেন আরেক সহকারী প্রভোস্ট রাকিবুর রহমান। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এমন তো না যে আমরা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে এসে কোনো কাজ করছি। আমরা সবাই আমাদের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই কাজ করছি।’
রাতে কী হয়েছিল, জানতে চাইলে সহকারী প্রভোস্ট শেখ মো. মাসুম বলেন, ‘কিছুদিন আগে ক্যানটিন ম্যানেজার জাহিদ জানিয়েছেন, তিনি আর ক্যানটিন চালাবেন না। সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাতে আমি ও শরিফুল ইসলাম সেখানে যাই। হলে ঢুকতেই ডাইনিংয়ে ছাত্রদের জটলা দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলি। এরপর সেখানে যা হয়েছে তা আমার সহকর্মী ও উপস্থিত সবাই জানে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। তাঁরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করি।’
প্রভোস্টদের ওপর চড়াও হওয়ার বিষয়ে হল ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব হোসাইন প্রথমে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে আবার বলেন, ‘না না, এসব ভিত্তিহীন।’
এ ব্যাপারে শেকৃবির প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টা আমরা জেনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, ছাত্রলীগের যেকোনো পদধারীই হোক না কেন, এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ছাত্রলীগ সভাপতিকে ফোন দিয়ে হলে যান কি না, এ প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর ড. মো. হারুনুর রশিদ সুমন বলেন, ‘যে এই কথা বলেছে, তার ফোন নম্বরই আমার কাছে নেই। আর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে কেন আমি ফোন দিতে যাব।’ ২৪ মে রাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মৌখিকভাবে বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টদের লিখিতভাবে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। এরপর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ছাত্রলীগ সম্পর্কিত খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১৪ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২০ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
২৫ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
২৯ মিনিট আগে