নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আজ শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে হিরো আলম এসব কথা বলেন।
হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, দুবাইয়ের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানকে ধরতে গোয়েন্দা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। তিনি বলেন, ‘ডিবির তদন্তে আমাকে ডাকা হলে আমি আসব।’
এর আগে বেলা আড়াইটার দিকে ব্যক্তিগত সমস্যার অভিযোগ নিয়ে গোয়েন্দাপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের সঙ্গে দেখা করেন হিরো আলম। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ডিবি কার্যালয়ে অবস্থান করেন হিরো আলম। সেখান থেকে বের হয়ে দুবাইয়ে পলাতক পুলিশ হত্যা মামলার আসামি আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আরাভ খানের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, ‘আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি। আরাভ ইস্যুতে কোনো তথ্য বা সহযোগিতা লাগলে আমি করব। আরাভের বিষয়টি যেহেতু তারা তদন্ত করছে, যেকোনো প্রয়োজনে তথ্য লাগলে আমি তাদের দেব। আজকেও এ বিষয়ে অল্প কিছু কথাবার্তা হয়েছে।’
আরাভ পুলিশ হত্যা মামলার আসামি বিষয়টি না জানার বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে ডিবি থেকে আগে কিছু জানানো হয়নি। আমি আরাভের দাওয়াতেই দুবাই গিয়েছিলাম। তদন্তের স্বার্থে আরাভের বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে আমি সহযোগিতা করব। তারা আমাকে ডাকলে আমি আসব। তিনি যদি আসামি হয়ে থাকেন তাহলে তাঁকে ধরতে সহযোগিতা করা নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব।’
হিরো আলম আরও বলেন, ‘ডিবিতে আমাকে ডাকা হয়নি। আপনারা দেখছেন চলচ্চিত্রের কিছু লোকজন আমাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় নানা ধরনের কথা বলছে। আগে আমাকে কেউ বকা দিলেও প্রতিবাদ করতাম না। কিন্তু চলচ্চিত্রের কিছু পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেতা-অভিনেত্রী আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের কথা ছড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ নিয়ে এসেছি। এ ছাড়া আমার ফেসবুক ও ইউটিউবের কিছু কনটেন্ট কিছু ব্যক্তি নিজের কনটেন্ট বলে লাইসেন্স করে নিয়েছে। তারা এখন আমার চ্যানেলে স্ট্রাইক ও রিপোর্ট করছে। সব মিলিয়ে আমি নিজেই এসেছি।’
ঠিক কী অভিযোগ দেওয়া হয়েছে—এ প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, ‘আমি কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেছি। এতে যারা আমাকে নিয়ে নানা ধরনের কথা বলেছে, তাদের নাম আছে। এ ছাড়া আমার কনটেন্ট নিয়ে যারা রিপোর্ট মেরেছে, তাদের নামও আছে।’

আজ শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে হিরো আলম এসব কথা বলেন।
হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, দুবাইয়ের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানকে ধরতে গোয়েন্দা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। তিনি বলেন, ‘ডিবির তদন্তে আমাকে ডাকা হলে আমি আসব।’
এর আগে বেলা আড়াইটার দিকে ব্যক্তিগত সমস্যার অভিযোগ নিয়ে গোয়েন্দাপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের সঙ্গে দেখা করেন হিরো আলম। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ডিবি কার্যালয়ে অবস্থান করেন হিরো আলম। সেখান থেকে বের হয়ে দুবাইয়ে পলাতক পুলিশ হত্যা মামলার আসামি আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আরাভ খানের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, ‘আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি। আরাভ ইস্যুতে কোনো তথ্য বা সহযোগিতা লাগলে আমি করব। আরাভের বিষয়টি যেহেতু তারা তদন্ত করছে, যেকোনো প্রয়োজনে তথ্য লাগলে আমি তাদের দেব। আজকেও এ বিষয়ে অল্প কিছু কথাবার্তা হয়েছে।’
আরাভ পুলিশ হত্যা মামলার আসামি বিষয়টি না জানার বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে ডিবি থেকে আগে কিছু জানানো হয়নি। আমি আরাভের দাওয়াতেই দুবাই গিয়েছিলাম। তদন্তের স্বার্থে আরাভের বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে আমি সহযোগিতা করব। তারা আমাকে ডাকলে আমি আসব। তিনি যদি আসামি হয়ে থাকেন তাহলে তাঁকে ধরতে সহযোগিতা করা নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব।’
হিরো আলম আরও বলেন, ‘ডিবিতে আমাকে ডাকা হয়নি। আপনারা দেখছেন চলচ্চিত্রের কিছু লোকজন আমাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় নানা ধরনের কথা বলছে। আগে আমাকে কেউ বকা দিলেও প্রতিবাদ করতাম না। কিন্তু চলচ্চিত্রের কিছু পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেতা-অভিনেত্রী আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের কথা ছড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ নিয়ে এসেছি। এ ছাড়া আমার ফেসবুক ও ইউটিউবের কিছু কনটেন্ট কিছু ব্যক্তি নিজের কনটেন্ট বলে লাইসেন্স করে নিয়েছে। তারা এখন আমার চ্যানেলে স্ট্রাইক ও রিপোর্ট করছে। সব মিলিয়ে আমি নিজেই এসেছি।’
ঠিক কী অভিযোগ দেওয়া হয়েছে—এ প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, ‘আমি কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেছি। এতে যারা আমাকে নিয়ে নানা ধরনের কথা বলেছে, তাদের নাম আছে। এ ছাড়া আমার কনটেন্ট নিয়ে যারা রিপোর্ট মেরেছে, তাদের নামও আছে।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩১ মিনিট আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩৬ মিনিট আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
৩৯ মিনিট আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
৪২ মিনিট আগে