ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অন্যায় কর্মকাণ্ড, মিথ্যাচার, মানসিক নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগ এনে অনাস্থা জানিয়েছে একই বিভাগের ৭ জন শিক্ষক।
অধ্যাপক কামালের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সার্বিক অভিযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বরাবর চিঠি দিয়েছে ৭ শিক্ষক। চিঠির অনুলিপি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল ও সকল সিন্ডিকেট সদস্যের কাছে দেওয়ার জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক ভবন সূত্রে জানা যায়, উপাচার্য ওই চিঠি গ্রহণ করেছেন এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। গতকাল বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য।
উপাচার্য বরাবর চিঠি দেওয়া শিক্ষকেরা হলেন মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল করিম, ড. মোছা. আয়েশা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক আরিফা রহমান, ড. আকিব-উল হক, সহকারী অধ্যাপক ছন্দা কর্মকার, সঞ্চারী প্রতিভা ও ফারিয়া বকুল।
উপাচার্য বরাবর পাঠানো একটি চিঠির কপি আজকের পত্রিকার কাছে রয়েছে। সেই চিঠি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অধ্যাপক কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধভাবে নতুন পদ সৃষ্টি করা, হয়রানি, মানসিক নির্যাতন, একাডেমিক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকে তোয়াক্কা না করা, পছন্দের লোক নিয়োগসহ ৮টি অভিযোগ এনেছেন শিক্ষকেরা।
জানা যায়, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের ৪ তারিখেই চেয়ারম্যান পদে যোগাযোগ করেন অধ্যাপক কামাল। যোগদানের পর থেকে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ এর অধ্যাদেশ লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন শিক্ষকেরা।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনের এসব অন্যায় কর্মকাজের বিরুদ্ধে বিভাগীয় সভায় কথা বলতে গেলে বা তাঁর অন্যায়কে সমর্থন না করলে আমাদের সবার প্রতিই তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং অসদাচরণ করেন। আমরা তাঁর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা কেউ কেউ মানসিকভাবে নির্যাতিত ও নিপীড়িত, কেউ কেউ অত্যন্ত ভীত ও শঙ্কিত। এতে করে আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
একই সঙ্গে দুর্নীতি ও বিভিন্ন অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত মনোবিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনের প্রতি আমাদের অনাস্থা প্রস্তাব আসন্ন সিন্ডিকেট সভায় উত্থাপন করে তা তদন্ত ও প্রতিকারের ব্যবস্থা করে মনোবিজ্ঞান বিভাগে আমাদের সবার জন্য স্বাভাবিক একাডেমিক কর্মপরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে উপাচার্যের নিকট আহ্বান জানান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ এর অধ্যাদেশের প্রথম স্ট্যাটিউসের ৪৩ (২) এর ‘ক’ ও ‘খ’ তে বলা হয়, বিভাগের চেয়ারম্যান বিভাগের একাডেমিক কমিটি, কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং ডেভেলপমেন্ট কমিটির মধ্যে যেকোনো দুটি কমিটির সঙ্গে আলাপ করে যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এবং বিভাগীয় মিটিংয়ে সকল শিক্ষকের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। অভিযোগপত্রে উল্লেখিত বিষয় অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ নিয়মকে মানছে না চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামাল।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, অভিযোগ করা ৭ শিক্ষকই বিভাগের নিয়ম মানেন না। নিয়মিত ক্লাস নেন না। তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে আমি কথা বলে তাই তারা আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। অভিযোগ যাচাই বাছাই করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে কোনো আপত্তি নেই বলেও উল্লেখ করেন অধ্যাপক কামাল।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিনকে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আমার কাছে সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অন্যায় কর্মকাণ্ড, মিথ্যাচার, মানসিক নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগ এনে অনাস্থা জানিয়েছে একই বিভাগের ৭ জন শিক্ষক।
অধ্যাপক কামালের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সার্বিক অভিযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বরাবর চিঠি দিয়েছে ৭ শিক্ষক। চিঠির অনুলিপি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল ও সকল সিন্ডিকেট সদস্যের কাছে দেওয়ার জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক ভবন সূত্রে জানা যায়, উপাচার্য ওই চিঠি গ্রহণ করেছেন এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। গতকাল বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য।
উপাচার্য বরাবর চিঠি দেওয়া শিক্ষকেরা হলেন মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল করিম, ড. মোছা. আয়েশা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক আরিফা রহমান, ড. আকিব-উল হক, সহকারী অধ্যাপক ছন্দা কর্মকার, সঞ্চারী প্রতিভা ও ফারিয়া বকুল।
উপাচার্য বরাবর পাঠানো একটি চিঠির কপি আজকের পত্রিকার কাছে রয়েছে। সেই চিঠি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অধ্যাপক কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধভাবে নতুন পদ সৃষ্টি করা, হয়রানি, মানসিক নির্যাতন, একাডেমিক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকে তোয়াক্কা না করা, পছন্দের লোক নিয়োগসহ ৮টি অভিযোগ এনেছেন শিক্ষকেরা।
জানা যায়, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের ৪ তারিখেই চেয়ারম্যান পদে যোগাযোগ করেন অধ্যাপক কামাল। যোগদানের পর থেকে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ এর অধ্যাদেশ লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন শিক্ষকেরা।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনের এসব অন্যায় কর্মকাজের বিরুদ্ধে বিভাগীয় সভায় কথা বলতে গেলে বা তাঁর অন্যায়কে সমর্থন না করলে আমাদের সবার প্রতিই তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং অসদাচরণ করেন। আমরা তাঁর ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা কেউ কেউ মানসিকভাবে নির্যাতিত ও নিপীড়িত, কেউ কেউ অত্যন্ত ভীত ও শঙ্কিত। এতে করে আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
একই সঙ্গে দুর্নীতি ও বিভিন্ন অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত মনোবিজ্ঞান বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনের প্রতি আমাদের অনাস্থা প্রস্তাব আসন্ন সিন্ডিকেট সভায় উত্থাপন করে তা তদন্ত ও প্রতিকারের ব্যবস্থা করে মনোবিজ্ঞান বিভাগে আমাদের সবার জন্য স্বাভাবিক একাডেমিক কর্মপরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে উপাচার্যের নিকট আহ্বান জানান তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ এর অধ্যাদেশের প্রথম স্ট্যাটিউসের ৪৩ (২) এর ‘ক’ ও ‘খ’ তে বলা হয়, বিভাগের চেয়ারম্যান বিভাগের একাডেমিক কমিটি, কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং ডেভেলপমেন্ট কমিটির মধ্যে যেকোনো দুটি কমিটির সঙ্গে আলাপ করে যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এবং বিভাগীয় মিটিংয়ে সকল শিক্ষকের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। অভিযোগপত্রে উল্লেখিত বিষয় অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ নিয়মকে মানছে না চেয়ারম্যান অধ্যাপক কামাল।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, অভিযোগ করা ৭ শিক্ষকই বিভাগের নিয়ম মানেন না। নিয়মিত ক্লাস নেন না। তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে আমি কথা বলে তাই তারা আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। অভিযোগ যাচাই বাছাই করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে কোনো আপত্তি নেই বলেও উল্লেখ করেন অধ্যাপক কামাল।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিনকে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আমার কাছে সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
১১ মিনিট আগে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে না পারলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার রাত ৯টার পর এই ঘোষণা না দিতে পারলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে বলে সাবধান করেন তারা।
১৩ মিনিট আগে
গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি। মানুষ যাতে ঘরে বসে মৌলিক চিকিৎসাসেবা নিতে পারে, সে জন্য তৃণমূলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।
২৩ মিনিট আগে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, আগামী দিনে কোনো ফ্যাসিবাদ যেন না সৃষ্টি হয়, সে জন্যই গণভোট। আগামী দিনে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট সৃষ্টি না হয়, সেটার জন্যই জুলাই সনদ। আজ সোমবার দুপুরে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গণভোট প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে এক সুধী সমাবেশে...
৩৫ মিনিট আগে