ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীর ওয়ারী হেয়ার স্ট্রিট এলাকার একটি বাসায় এক নারী চিকিৎসক আগুনে দগ্ধ হয়েছেন। অদিতি সরকার (৩৮) নামে ওই চিকিৎসককে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে ধারণা করছে স্বজনেরা।
আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ওয়ারী ১০ নম্বর হেয়ার স্ট্রিট বাসাটির ষষ্ঠ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
ডা. অদিতির স্বামী মনেষ মণ্ডল বলেন, অদিতি মিটফোর্ড হাসপাতালের শিশু বিভাগের রেজিস্ট্রার। তাঁদের ঘরে দুই সন্তান। তিনি প্রকৌশলী। তাঁদের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জে। দীর্ঘদিন ধরে অদিতি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও আপসেট। মনেষ বলেন, ‘তাঁকে চিকিৎসাও নিতে বলছিলাম। তবে চিকিৎসা নিতে চাইছিল না অদিতি। এজন্য আমাদের মধ্যে সামান্য ঝগড়াঝাটি হয়।’
মনেষ মণ্ডল আরও বলেন, ‘সকালে আমি অফিসে চলে যাই। অনলাইনে যখন একটি সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলাম, তখন বারবার ফোন দিচ্ছিল অদিতি। ফোন কেটে দেওয়ার পরও অদিতি আমাকে কল দিচ্ছিল। পরে ফোন রিসিভ করে তার সঙ্গে সামান্য রাগ করে কথা বলি। এরপর দুপুরে বাসায় ফিরে জামাকাপড় পাল্টাচ্ছিলাম। হঠাৎ পাশের রুমে অদিতির চিৎকার শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে দেখি তার শরীরে আগুন জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে বাথরুমে নিয়ে শরীরে পানি ঢালি। এরপর ট্রিপল নাইনের মাধ্যমে একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাই।’
মনেষ মণ্ডল দাবি করেন, অদিতি নিজের গায়ে নিজেই আগুন দিয়ে থাকতে পারেন। অথবা পাশের ঘরে পূজার সময় শরীরে আগুন লেগে যেতে পারে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, ডা. অদিতির শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
ওয়ারী থানার ওসি কবির হোসেন হাওলাদার জানান, ডা. অদিতি নামে এক নারী চিকিৎসক আগুনে দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছেন। পূজার সময় আগুন লেগেছে নাকি অন্য কোনো ঘটনা আছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

রাজধানীর ওয়ারী হেয়ার স্ট্রিট এলাকার একটি বাসায় এক নারী চিকিৎসক আগুনে দগ্ধ হয়েছেন। অদিতি সরকার (৩৮) নামে ওই চিকিৎসককে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে ধারণা করছে স্বজনেরা।
আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ওয়ারী ১০ নম্বর হেয়ার স্ট্রিট বাসাটির ষষ্ঠ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
ডা. অদিতির স্বামী মনেষ মণ্ডল বলেন, অদিতি মিটফোর্ড হাসপাতালের শিশু বিভাগের রেজিস্ট্রার। তাঁদের ঘরে দুই সন্তান। তিনি প্রকৌশলী। তাঁদের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জে। দীর্ঘদিন ধরে অদিতি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও আপসেট। মনেষ বলেন, ‘তাঁকে চিকিৎসাও নিতে বলছিলাম। তবে চিকিৎসা নিতে চাইছিল না অদিতি। এজন্য আমাদের মধ্যে সামান্য ঝগড়াঝাটি হয়।’
মনেষ মণ্ডল আরও বলেন, ‘সকালে আমি অফিসে চলে যাই। অনলাইনে যখন একটি সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলাম, তখন বারবার ফোন দিচ্ছিল অদিতি। ফোন কেটে দেওয়ার পরও অদিতি আমাকে কল দিচ্ছিল। পরে ফোন রিসিভ করে তার সঙ্গে সামান্য রাগ করে কথা বলি। এরপর দুপুরে বাসায় ফিরে জামাকাপড় পাল্টাচ্ছিলাম। হঠাৎ পাশের রুমে অদিতির চিৎকার শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে দেখি তার শরীরে আগুন জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে বাথরুমে নিয়ে শরীরে পানি ঢালি। এরপর ট্রিপল নাইনের মাধ্যমে একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাই।’
মনেষ মণ্ডল দাবি করেন, অদিতি নিজের গায়ে নিজেই আগুন দিয়ে থাকতে পারেন। অথবা পাশের ঘরে পূজার সময় শরীরে আগুন লেগে যেতে পারে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, ডা. অদিতির শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
ওয়ারী থানার ওসি কবির হোসেন হাওলাদার জানান, ডা. অদিতি নামে এক নারী চিকিৎসক আগুনে দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছেন। পূজার সময় আগুন লেগেছে নাকি অন্য কোনো ঘটনা আছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে