উত্তরা-বিমানবন্দর (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) কর্মীরা মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেছেন। বিমানবন্দরের ঢাকা কাস্টম হাউসের গেটের সামনে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা।
ফেডারেল অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় কয়েক শ সিঅ্যান্ডএফ নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সিঅ্যান্ডএফ কর্মীরা ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক কাস্টমস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০’ কে মৌলিক অধিকার পরিপন্থী বলে দাবি করেন। সেই সঙ্গে পণ্য চালান শুল্কায়নে এইচ এস কোড ও সিপিসি কোড নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন বিতর্কিত আইন বাতিলের দাবি জানান। এ সময় তাঁরা তাঁদের ওপর আরোপিত, ‘প্রবাসী যাত্রীর সঙ্গে না আনা ব্যাগেজ (কার্গো বুকিংকৃত) খালাসের বিড়ম্বনাসহ যাত্রী হয়রানি ও প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পণ্য খালাসের নামে হয়রানির’—অভিযোগের প্রতিবাদ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘প্রবাসী যাত্রীদের সঙ্গে আনা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিসপত্র কিছু শুল্ক কর্মকর্তারা কালো আইন প্রয়োগের ফলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রবাসী ভাই-বোনদের দেশের আইনের প্রতি অনাস্থা জন্ম নিচ্ছে।’ এ সময় তাঁরা প্রবাসীদের কার্গোতে আনা মালামাল আগের ন্যায় হয়রানি ছাড়া খালাসে ব্যবস্থা চালু করার দাবি করেন। তাঁরা আরও বলেন, ‘প্রবাসী যাত্রীদের কার্গো বুকিংয়ের মাধ্যমে আনা পণ্য দেশের প্রায় সকল শুল্ক স্টেশনগুলোয় চালু থাকলেও একমাত্র ঢাকা কাস্টম হাউসে বন্ধ রয়েছে।’ কেন বন্ধ রয়েছে—তার জবাব দাবি করেন তাঁরা।
বিমানবন্দর থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিঅ্যান্ডএফ কর্মীরা কোনো বিক্ষোভ করেননি, তাঁরা মানববন্ধন করেছিলেন। পরে সবাই চলে গেছেন।’

রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) কর্মীরা মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেছেন। বিমানবন্দরের ঢাকা কাস্টম হাউসের গেটের সামনে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা।
ফেডারেল অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় কয়েক শ সিঅ্যান্ডএফ নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সিঅ্যান্ডএফ কর্মীরা ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক কাস্টমস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০’ কে মৌলিক অধিকার পরিপন্থী বলে দাবি করেন। সেই সঙ্গে পণ্য চালান শুল্কায়নে এইচ এস কোড ও সিপিসি কোড নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন বিতর্কিত আইন বাতিলের দাবি জানান। এ সময় তাঁরা তাঁদের ওপর আরোপিত, ‘প্রবাসী যাত্রীর সঙ্গে না আনা ব্যাগেজ (কার্গো বুকিংকৃত) খালাসের বিড়ম্বনাসহ যাত্রী হয়রানি ও প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পণ্য খালাসের নামে হয়রানির’—অভিযোগের প্রতিবাদ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘প্রবাসী যাত্রীদের সঙ্গে আনা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিসপত্র কিছু শুল্ক কর্মকর্তারা কালো আইন প্রয়োগের ফলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রবাসী ভাই-বোনদের দেশের আইনের প্রতি অনাস্থা জন্ম নিচ্ছে।’ এ সময় তাঁরা প্রবাসীদের কার্গোতে আনা মালামাল আগের ন্যায় হয়রানি ছাড়া খালাসে ব্যবস্থা চালু করার দাবি করেন। তাঁরা আরও বলেন, ‘প্রবাসী যাত্রীদের কার্গো বুকিংয়ের মাধ্যমে আনা পণ্য দেশের প্রায় সকল শুল্ক স্টেশনগুলোয় চালু থাকলেও একমাত্র ঢাকা কাস্টম হাউসে বন্ধ রয়েছে।’ কেন বন্ধ রয়েছে—তার জবাব দাবি করেন তাঁরা।
বিমানবন্দর থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিঅ্যান্ডএফ কর্মীরা কোনো বিক্ষোভ করেননি, তাঁরা মানববন্ধন করেছিলেন। পরে সবাই চলে গেছেন।’

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে